পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার এক মেধাবী শিক্ষার্থী ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। অর্থাভাবে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন তিনি বাঁচার জন্য সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।
রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা
শান্ত চন্দ্রশীল প্রথমে চোখে সমস্যা অনুভব করেন, পরে জটিলতা বাড়লে এমআরআই পরীক্ষায় ব্রেইন টিউমার ধরা পড়ে। এরপর ঢাকার জাতীয় স্নায়ুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার চিকিৎসা শুরু হয়।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তার দ্রুত ৬টি বিশেষ থেরাপি প্রয়োজন, যার প্রতিটির খরচ প্রায় আড়াই লাখ টাকা। মোট চিকিৎসা ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ১৫ লাখ টাকা।
পরিবারের আর্থিক সংকট
শান্তর বাবা বাদল চন্দ্রশীল একটি ছোট সেলুন চালিয়ে সংসার চালান। ছেলের চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে সঞ্চয় ও ঋণের অর্থ শেষ হয়ে গেছে। ফলে এখন চিকিৎসা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, ছেলের চিকিৎসার জন্য সর্বস্ব খরচ করার পরও আর সামর্থ্য নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবারটি গভীর সংকটে পড়েছে।
শান্তর আকুতি
শয্যাশায়ী শান্ত জানান, তার মাথায় তীব্র ব্যথা ও জ্বালাপোড়া হচ্ছে এবং চিকিৎসা না পেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। তিনি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন, যেন তিনি আবার সুস্থ হয়ে পড়াশোনায় ফিরতে পারেন।
সাহায্যের আবেদন
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শান্ত অত্যন্ত মেধাবী ও ভদ্র শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচিত। তার চিকিৎসায় সহায়তা পেলে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদকের নাম 

























