ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। একের পর এক ফুটবল সংস্থা তার নেতৃত্বের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করছে। ওয়েলসের পর এবার সার্বিয়া ও সুইডেনও আগামী মেয়াদের নির্বাচনে ইনফান্তিনোর প্রার্থিতার প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করেছে। একই পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছে ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও।
সম্প্রতি ফিফার একটি বিতর্কিত বাণিজ্যিক প্রস্তাব ঘিরে বিশ্ব ফুটবল অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়। বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রায় ২০ শতাংশ অংশ ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে বিক্রির পরিকল্পনা করেছিলেন ইনফান্তিনো। তবে বিভিন্ন দেশের ফুটবল সংস্থার তীব্র বিরোধিতার মুখে শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসে ফিফা।
এরপর থেকেই ফিফার নেতৃত্ব ও পরিচালন পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। এর প্রভাব পড়েছে ইনফান্তিনোর পুনর্নির্বাচন প্রচেষ্টাতেও।
সার্বিয়ার ফুটবল ফেডারেশন এক বিবৃতিতে জানায়, মে মাসে তারা ইনফান্তিনোকে সমর্থন দিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলিতে ফিফা ও সভাপতির ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে করছে তারা। তাই সমর্থন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।
অন্যদিকে, সুইডিশ ফুটবল ফেডারেশন জরুরি বোর্ড সভা শেষে জানিয়েছে, ফিফার সুশাসন, স্বচ্ছতা ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতির কারণে ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের প্রতি তাদের আর আস্থা নেই।
এর আগে ওয়েলস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন তুলে নেয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিশ্ব ফুটবলের স্বার্থের চেয়ে অন্য কোনো বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া তারা মেনে নিতে পারছে না।
এদিকে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা এবং উত্তর ও মধ্য আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনকাকাফও এর আগে ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে নিউ ইয়র্ক পোস্টকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে ইনফান্তিনো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহায়তা চেয়েছিলেন। তবে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে সফল হননি তিনি।
ফিফা সভাপতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে এখন বিশ্ব ফুটবল মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 



















