ঢাকা ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ঢাকা ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশন বেনাভোলেন্ট অর্থ বার এসোসিয়েশন ফান্ডে অর্থ প্রদান করলেন জনাব মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম। আইডি নম্বর S01731 দ্রুত দশম ওয়েজবোর্ড ঘোষণার দাবি সাংবাদিক নেতাদের জুলাই আন্দোলন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যে আলোচনায় ছিলেন আরাফাত প্রফেসর ইউনূসের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ঝাড়খণ্ডে চাকরির পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ, অনশনে ছাত্রনেতা ভারতের টেস্ট দলে কাশ্মিরি পেসার আকিব নবি পাকিস্তানে থানায় আত্মঘাতী হামলা, নিহত ১৭ টাঙ্গুয়ার হাওরের ইসিএ এলাকায় ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিষিদ্ধ ‘শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে বিরোধী দল’ চোখে ব্যান্ডেজ বেঁধে নাসীরউদ্দীনের প্রতীকী প্রতিবাদ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে ডিজিটাল পরিচয়পত্র পাচ্ছেন হকাররা

 

রাজধানীর ফুটপাত ও সড়কে হকার ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মাধ্যমে হকারদের নিবন্ধনের পাশাপাশি নির্ধারিত স্থানে ব্যবসা পরিচালনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে নগরবিদদের মতে, এ উদ্যোগ সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর সমাধান নয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ইতোমধ্যে ফুটপাত ও সংযোগ সড়কের বিভিন্ন স্থানে সাদা দাগ টেনে হকারদের নির্দিষ্ট অবস্থান চিহ্নিত করছে। গুলিস্তান, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় ডিজিটাল পরিচয়পত্রধারী হকারদের জন্য নির্ধারিত স্থান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় জাহের আলভীর জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

রাজধানীর ফুটপাত ব্যবসায়ীরা বলছেন, নির্ধারিত ছোট জায়গায় ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন। একজন হকার বলেন, “খোলা আকাশের নিচে বৃষ্টি-বাদলা ও ঝড়ের মধ্যে ব্যবসা করা কষ্টকর। আবার যে জায়গা দেওয়া হয়েছে, সেখানে মালামাল রাখা ও দাঁড়িয়ে ব্যবসা করাও কঠিন।”

অন্যদিকে আশপাশের মার্কেট ব্যবসায়ীরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, ফুটপাত ও সড়কে হকার বসলে যানজট ও ব্যবসায়িক ক্ষতি বাড়তে পারে।

এ বিষয়ে ডিএসসিসির প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, “যাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তারা নির্ধারিত স্থানেই বসবেন। অন্য কোথাও বসলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।”

আরও পড়ুনঃ  পরিবেশ সংরক্ষণে নাগরিকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

এদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) হকারদের পুনর্বাসনের জন্য আলাদা স্থান নির্ধারণ করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোরবানির ঈদের পর ফুটপাত না ছাড়লে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম বলেন, “নির্ধারিত নিয়ম অমান্য করে কেউ অবৈধভাবে বসতে চাইলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তবে নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, কেবল দাগ টেনে বা পরিচয়পত্র দিয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। তারা পথচারীদের চলাচল, নগর পরিকল্পনা ও হকারদের জীবিকার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

আরও পড়ুনঃ  ৪-৫ বছরের মধ্যে অর্থনীতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তনের আশা, উদ্যোক্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

নগরবিদ ইকবাল হাবিব বলেন, “পুরোনো ব্যবস্থাকে নতুনভাবে উপস্থাপন করলেই সমাধান হবে না। পুরো নগর করিডোর পরিকল্পিতভাবে সাজাতে হবে। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট পকেট জোন তৈরি করে হকারদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, হকার ব্যবস্থাপনায় রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও চাঁদাবাজি বন্ধ করাও অত্যন্ত জরুরি।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ঢাকা ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশন বেনাভোলেন্ট অর্থ বার এসোসিয়েশন ফান্ডে অর্থ প্রদান করলেন জনাব মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম। আইডি নম্বর S01731

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে ডিজিটাল পরিচয়পত্র পাচ্ছেন হকাররা

আপডেটের সময়: ১০:৫৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

 

রাজধানীর ফুটপাত ও সড়কে হকার ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মাধ্যমে হকারদের নিবন্ধনের পাশাপাশি নির্ধারিত স্থানে ব্যবসা পরিচালনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে নগরবিদদের মতে, এ উদ্যোগ সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর সমাধান নয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ইতোমধ্যে ফুটপাত ও সংযোগ সড়কের বিভিন্ন স্থানে সাদা দাগ টেনে হকারদের নির্দিষ্ট অবস্থান চিহ্নিত করছে। গুলিস্তান, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় ডিজিটাল পরিচয়পত্রধারী হকারদের জন্য নির্ধারিত স্থান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ফরিদপুরে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬

রাজধানীর ফুটপাত ব্যবসায়ীরা বলছেন, নির্ধারিত ছোট জায়গায় ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন। একজন হকার বলেন, “খোলা আকাশের নিচে বৃষ্টি-বাদলা ও ঝড়ের মধ্যে ব্যবসা করা কষ্টকর। আবার যে জায়গা দেওয়া হয়েছে, সেখানে মালামাল রাখা ও দাঁড়িয়ে ব্যবসা করাও কঠিন।”

অন্যদিকে আশপাশের মার্কেট ব্যবসায়ীরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, ফুটপাত ও সড়কে হকার বসলে যানজট ও ব্যবসায়িক ক্ষতি বাড়তে পারে।

এ বিষয়ে ডিএসসিসির প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, “যাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তারা নির্ধারিত স্থানেই বসবেন। অন্য কোথাও বসলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।”

আরও পড়ুনঃ  মানিকগঞ্জে ১১ বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা আটক

এদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) হকারদের পুনর্বাসনের জন্য আলাদা স্থান নির্ধারণ করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোরবানির ঈদের পর ফুটপাত না ছাড়লে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম বলেন, “নির্ধারিত নিয়ম অমান্য করে কেউ অবৈধভাবে বসতে চাইলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তবে নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, কেবল দাগ টেনে বা পরিচয়পত্র দিয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। তারা পথচারীদের চলাচল, নগর পরিকল্পনা ও হকারদের জীবিকার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

আরও পড়ুনঃ  ইটবোঝাই বাল্কহেডের ওপর ভেঙে পড়ল বেইলি সেতু

নগরবিদ ইকবাল হাবিব বলেন, “পুরোনো ব্যবস্থাকে নতুনভাবে উপস্থাপন করলেই সমাধান হবে না। পুরো নগর করিডোর পরিকল্পিতভাবে সাজাতে হবে। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট পকেট জোন তৈরি করে হকারদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, হকার ব্যবস্থাপনায় রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও চাঁদাবাজি বন্ধ করাও অত্যন্ত জরুরি।