ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাংলাদেশের আন্দোলনের সঙ্গে তুলনা নয়, তসলিমার মন্তব্যের জবাব দিলেন অভিজিত ৪ আগস্ট: ইতিহাসের পাতায় আজকের উল্লেখযোগ্য ঘটনা হামজা-শমিতদের পর বাংলাদেশ পাচ্ছে আরেক প্রবাসী ফুটবলার রুশ সমুদ্রসৈকতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, শিশুসহ নিহত ৭ ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬ হাজার ১২৫ মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকা ও মার্কেট বন্ধ থাকবে ইনফান্তিনোর পাশে নেই সার্বিয়া-সুইডেন, ফিফা সভাপতির নেতৃত্ব নিয়ে বাড়ছে চাপ ২ কারণে ফুটবল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন ব্রাজিলিয়ানরা বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বাতাস এখন রিয়াদে, ঢাকার অবস্থান ৩০তম জুলাই সনদ ও সংবিধান সংশোধনের রূপরেখা ঠিক করতে আজ বসছে বিশেষ কমিটি
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অযথা উদ্বেগের প্রয়োজন নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

 

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগের কোনো কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে সম্পাদিত হয়, যেখানে একটি ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করাই মূল লক্ষ্য।

মঙ্গলবার (৫ মে) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চ-এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

আরও পড়ুনঃ  ‘বাংলাদেশে জন্ম নিয়েই ভুল করেছি’—ফেসবুক লাইভে কান্নায় ভেঙে পড়লেন জ্যোতিকা জ্যোতি

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এই চুক্তির প্রাথমিক অংশীদার নয়; এটি রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে পূর্বে সম্পাদিত। তাই রাষ্ট্রীয় চুক্তি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের মতো পরিবর্তন বা বাতিল করা যায় না। বরং এসব চুক্তিকে দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানো উচিত।

তিনি আরও জানান, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং ইতোমধ্যে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিদ্যমান চুক্তির আওতায় এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা আরও সমন্বিত হতে পারত।

আরও পড়ুনঃ  ইরানে হামলা থেকে সরে এলেন ট্রাম্প? কূটনীতি, যুদ্ধের খরচ ও কৌশলগত হিসাব

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা নিয়ে ডাম্পিংয়ের অভিযোগ সঠিক নয়। কারণ দেশটি মূলত আমদানি নির্ভর এবং রপ্তানি খাত বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্প আন্তর্জাতিক মান ও কঠোর কমপ্লায়েন্সের মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।

চুক্তি বাতিলের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিদ্যমান চুক্তির মধ্যেই প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সমন্বয়ের সুযোগ রয়েছে, যা এটিকে একটি ‘সেলফ-কারেক্টিং’ কাঠামো হিসেবে কাজ করতে সহায়তা করে।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিনি আরও বলেন, সরকার সবসময় দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয় এবং কোনো চুক্তির ধারা যদি দেশের জন্য ক্ষতিকর হয়, তা সংশোধনের সুযোগও রয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান উপস্থিত ছিলেন।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বাংলাদেশের আন্দোলনের সঙ্গে তুলনা নয়, তসলিমার মন্তব্যের জবাব দিলেন অভিজিত

বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অযথা উদ্বেগের প্রয়োজন নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ১২:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

 

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগের কোনো কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে সম্পাদিত হয়, যেখানে একটি ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করাই মূল লক্ষ্য।

মঙ্গলবার (৫ মে) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চ-এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

আরও পড়ুনঃ  নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন দ্রুত জারির দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চাইলেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এই চুক্তির প্রাথমিক অংশীদার নয়; এটি রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে পূর্বে সম্পাদিত। তাই রাষ্ট্রীয় চুক্তি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের মতো পরিবর্তন বা বাতিল করা যায় না। বরং এসব চুক্তিকে দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানো উচিত।

তিনি আরও জানান, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং ইতোমধ্যে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিদ্যমান চুক্তির আওতায় এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা আরও সমন্বিত হতে পারত।

আরও পড়ুনঃ  সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা নিয়ে ডাম্পিংয়ের অভিযোগ সঠিক নয়। কারণ দেশটি মূলত আমদানি নির্ভর এবং রপ্তানি খাত বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্প আন্তর্জাতিক মান ও কঠোর কমপ্লায়েন্সের মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।

চুক্তি বাতিলের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিদ্যমান চুক্তির মধ্যেই প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সমন্বয়ের সুযোগ রয়েছে, যা এটিকে একটি ‘সেলফ-কারেক্টিং’ কাঠামো হিসেবে কাজ করতে সহায়তা করে।

আরও পড়ুনঃ  ‘দেশটাকে লুটেই যাচ্ছে লুটেরা গোষ্ঠী’—কড়া বার্তায় আসিফ আকবর

তিনি আরও বলেন, সরকার সবসময় দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয় এবং কোনো চুক্তির ধারা যদি দেশের জন্য ক্ষতিকর হয়, তা সংশোধনের সুযোগও রয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান উপস্থিত ছিলেন।