ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

ব্যক্তিপর্যায়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়লেই ভাঙবে জ্বালানি খাতের অলিগার্ক কাঠামো: তিতুমীর

ব্যক্তিপর্যায়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি খাতের অলিগার্ক বা একচেটিয়া কাঠামো ভেঙে দেওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে এনজিওগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

আরও পড়ুনঃ  বেনজীরের জামিন বাতিলে উদ্যোগ সরকারের

রোববার (২ আগস্ট) রাজধানীতে অর্থনৈতিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় জানানো হয়, দেশে সৌরশক্তির প্রসারে অন্যতম বড় বাধা হচ্ছে উচ্চ বিনিয়োগ ঝুঁকি। প্রয়োজনীয় জামানতের অভাবে অধিকাংশ বাণিজ্যিক ব্যাংক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে ঋণ দিতে অনাগ্রহী হওয়ায় সম্ভাবনাময় এ খাতের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘দ্য ওডিসি’র দাপট: ৩০ মিনিটেই শেষ বিএফআই আইম্যাক্সের সব টিকিট

আলোচনায় অংশ নেওয়া গবেষকরা বলেন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মধ্যে সমন্বয়হীনতা, সৌর যন্ত্রপাতির ওপর উচ্চ শুল্ক এবং দক্ষ প্রকৌশলী ও কারিগরি জনবলের অভাব খাতটির উন্নয়নের প্রধান প্রতিবন্ধকতা। এর ফলে দেশে স্থাপিত বহু সৌর প্যানেল ও সোলার হোম সিস্টেমের মান বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে দেশের প্রায় অর্ধেক সোলার হোম সিস্টেমই অকেজো অবস্থায় রয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুনঃ  নারীর নেতৃত্ব ও ক্ষমতায়ন নিয়ে ডিআইইউ ও সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাসের যৌথ সেমিনার

অর্থনীতিবিদরা আরও বলেন, ২০৩০ ও ২০৪০ সালের নবায়নযোগ্য জ্বালানির জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এখনই একটি সুস্পষ্ট ও বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন জরুরি। পাশাপাশি সৌরচালিত সেচ পাম্প থেকে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রির সুযোগ তৈরি করলে কৃষক যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হবেন, তেমনি দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনও আরও গতিশীল হবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ব্যক্তিপর্যায়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়লেই ভাঙবে জ্বালানি খাতের অলিগার্ক কাঠামো: তিতুমীর

আপডেটের সময়: ০৪:৩১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

ব্যক্তিপর্যায়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি খাতের অলিগার্ক বা একচেটিয়া কাঠামো ভেঙে দেওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে এনজিওগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

আরও পড়ুনঃ  দক্ষিণ ভারতে ভারী বর্ষণ ও বন্যায় নিহত ১৪, বাস্তুচ্যুত হাজারো মানুষ

রোববার (২ আগস্ট) রাজধানীতে অর্থনৈতিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় জানানো হয়, দেশে সৌরশক্তির প্রসারে অন্যতম বড় বাধা হচ্ছে উচ্চ বিনিয়োগ ঝুঁকি। প্রয়োজনীয় জামানতের অভাবে অধিকাংশ বাণিজ্যিক ব্যাংক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে ঋণ দিতে অনাগ্রহী হওয়ায় সম্ভাবনাময় এ খাতের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  বেনজীরের জামিন বাতিলে উদ্যোগ সরকারের

আলোচনায় অংশ নেওয়া গবেষকরা বলেন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মধ্যে সমন্বয়হীনতা, সৌর যন্ত্রপাতির ওপর উচ্চ শুল্ক এবং দক্ষ প্রকৌশলী ও কারিগরি জনবলের অভাব খাতটির উন্নয়নের প্রধান প্রতিবন্ধকতা। এর ফলে দেশে স্থাপিত বহু সৌর প্যানেল ও সোলার হোম সিস্টেমের মান বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে দেশের প্রায় অর্ধেক সোলার হোম সিস্টেমই অকেজো অবস্থায় রয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুনঃ  বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: ইরান

অর্থনীতিবিদরা আরও বলেন, ২০৩০ ও ২০৪০ সালের নবায়নযোগ্য জ্বালানির জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এখনই একটি সুস্পষ্ট ও বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন জরুরি। পাশাপাশি সৌরচালিত সেচ পাম্প থেকে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রির সুযোগ তৈরি করলে কৃষক যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হবেন, তেমনি দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনও আরও গতিশীল হবে।