ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

অনুমোদন ছাড়াই টায়ার পুড়িয়ে তেল উৎপাদন, মানিকগঞ্জে দুই কারখানা সিলগালা

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৭:৩৮:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২ সময় দেখুন

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত দুটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে সাময়িকভাবে সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এর মধ্যে একটি কারখানায় চামড়া, হাড় ও মাংসসহ বিভিন্ন কাঁচামাল পুড়িয়ে মাছ ও মুরগির খাবার তৈরির অভিযোগ রয়েছে। অন্যটিতে অনুমোদন ছাড়াই পুরোনো টায়ার পুড়িয়ে তেল ও মবিল উৎপাদন করা হচ্ছিল।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের ফোর্ডনগর খানপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন সিংগাইর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আল-আমিন কবির।

চামড়া-হাড় পোড়ানোয় ছড়াচ্ছিল দুর্গন্ধ ও ধোঁয়া

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নামবিহীন একটি কারখানায় চামড়া, হাড় ও মাংসসহ বিভিন্ন কাঁচামাল ব্যবহার করে মাছ ও মুরগির খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছিল।

আরও পড়ুনঃ  ছয় মাসে সরকারি খাদ্য মজুত বেড়েছে দেড় লাখ টন

কারখানার চুল্লিতে এসব কাঁচামাল পোড়ানোর কারণে আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছিল। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

টায়ার পুড়িয়ে তেল উৎপাদনের অভিযোগ

একই এলাকায় ‘গ্রীন এনার্জি’ নামের আরেকটি কারখানায় অনুমোদন ছাড়াই পুরোনো টায়ার পুড়িয়ে তেল ও মবিল উৎপাদন করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে।

আরও পড়ুনঃ  শ্রীলংকার বাজারে বাংলাদেশি আলু-পেঁয়াজ রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা

পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এমন কর্মকাণ্ড এবং কারখানা পরিচালনার বৈধ কাগজপত্র না থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রও নেই

অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দেখতে পায়, কারখানা দুটির পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো ছাড়পত্র নেই। এমনকি ছাড়পত্রের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কোনো আবেদনও করা হয়নি।

প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও কাগজপত্র না থাকা এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অভিযোগে কারখানা দুটি সাময়িকভাবে সিলগালা করে দেওয়া হয়।

বৈধ কাগজপত্র নিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ

অভিযানের পর চামড়া পোড়ানোর কারখানার মালিক আব্দুর রব এবং গ্রীন এনার্জি কারখানার কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্রসহ দ্রুত সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  পানিসম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সিংগাইর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আল-আমিন কবির বলেন, অনুমোদনহীন কারখানায় চামড়াসহ বিভিন্ন স্ক্র্যাপ পুড়িয়ে পরিবেশের ক্ষতি করা হচ্ছিল। পাশাপাশি গ্রীন এনার্জি কারখানায় অনুমোদন ছাড়াই টায়ার পুড়িয়ে তেল ও মবিল উৎপাদন করা হচ্ছিল।

তিনি বলেন, দুটি প্রতিষ্ঠানই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছিল। যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ও অনুমোদন নিয়ে পরবর্তী সময়ে কারখানা পরিচালনা করা যাবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ঢামেকে আনার পর আরেক কারাবন্দির মৃত্যু

অনুমোদন ছাড়াই টায়ার পুড়িয়ে তেল উৎপাদন, মানিকগঞ্জে দুই কারখানা সিলগালা

আপডেটের সময়: ০৭:৩৮:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত দুটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে সাময়িকভাবে সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এর মধ্যে একটি কারখানায় চামড়া, হাড় ও মাংসসহ বিভিন্ন কাঁচামাল পুড়িয়ে মাছ ও মুরগির খাবার তৈরির অভিযোগ রয়েছে। অন্যটিতে অনুমোদন ছাড়াই পুরোনো টায়ার পুড়িয়ে তেল ও মবিল উৎপাদন করা হচ্ছিল।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের ফোর্ডনগর খানপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন সিংগাইর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আল-আমিন কবির।

চামড়া-হাড় পোড়ানোয় ছড়াচ্ছিল দুর্গন্ধ ও ধোঁয়া

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নামবিহীন একটি কারখানায় চামড়া, হাড় ও মাংসসহ বিভিন্ন কাঁচামাল ব্যবহার করে মাছ ও মুরগির খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছিল।

আরও পড়ুনঃ  ১৮০ দিনের কর্মসূচিতে মৎস্য-প্রাণিসম্পদ খাতে দৃশ্যমান অগ্রগতি

কারখানার চুল্লিতে এসব কাঁচামাল পোড়ানোর কারণে আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছিল। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

টায়ার পুড়িয়ে তেল উৎপাদনের অভিযোগ

একই এলাকায় ‘গ্রীন এনার্জি’ নামের আরেকটি কারখানায় অনুমোদন ছাড়াই পুরোনো টায়ার পুড়িয়ে তেল ও মবিল উৎপাদন করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে।

আরও পড়ুনঃ  শ্রীলংকার বাজারে বাংলাদেশি আলু-পেঁয়াজ রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা

পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এমন কর্মকাণ্ড এবং কারখানা পরিচালনার বৈধ কাগজপত্র না থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রও নেই

অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দেখতে পায়, কারখানা দুটির পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো ছাড়পত্র নেই। এমনকি ছাড়পত্রের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কোনো আবেদনও করা হয়নি।

প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও কাগজপত্র না থাকা এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অভিযোগে কারখানা দুটি সাময়িকভাবে সিলগালা করে দেওয়া হয়।

বৈধ কাগজপত্র নিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ

অভিযানের পর চামড়া পোড়ানোর কারখানার মালিক আব্দুর রব এবং গ্রীন এনার্জি কারখানার কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্রসহ দ্রুত সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ড্রোন হামলার পর ইরানের সঙ্গে তিন সীমান্তপথ পুনরায় খুলছে ইরাক

সিংগাইর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আল-আমিন কবির বলেন, অনুমোদনহীন কারখানায় চামড়াসহ বিভিন্ন স্ক্র্যাপ পুড়িয়ে পরিবেশের ক্ষতি করা হচ্ছিল। পাশাপাশি গ্রীন এনার্জি কারখানায় অনুমোদন ছাড়াই টায়ার পুড়িয়ে তেল ও মবিল উৎপাদন করা হচ্ছিল।

তিনি বলেন, দুটি প্রতিষ্ঠানই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছিল। যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ও অনুমোদন নিয়ে পরবর্তী সময়ে কারখানা পরিচালনা করা যাবে।