চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সারোয়ার আলমগীর বলেছেন, তাকে ঋণখেলাপি আখ্যা দিয়ে অন্যায়ভাবে ছোট করা হয়েছে এবং চার মাস জাতীয় সংসদে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে প্রথমবারের মতো বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সারোয়ার আলমগীর বলেন, “আমাকে ঋণখেলাপি বানানো হয়েছে। আমাকে জাতির কাছে ছোট করা হয়েছে। গত চার মাস আমাকে জাতীয় সংসদে আসতে দেওয়া হয়নি। এতে আমার এলাকার মানুষও নানা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।”
তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যাংকের মামলা ছিল না। জনগণের ভোটে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়ে সংসদে এসেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বক্তব্যে তিনি বলেন, “ফটিকছড়ির মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে আমার আসন তারেক রহমানকে উপহার দিয়েছে।”
এ সময় নির্বাচন-পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তার ভাষ্য, “যারা ইনসাফের কথা বলে, তারা আমাকে হাইকোর্টের দরজায় দরজায় ঘুরিয়েছে। জনগণ যদি ক্ষমতার উৎস হয়, তাহলে আমাকে আবার কেন আদালতের মাধ্যমে ফিরে আসতে হলো— সেই প্রশ্ন রইল।”
আইনি জটিলতা শেষে সংসদে
চলতি বছরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঋণখেলাপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশন সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিল করেছিল। পরে তিনি হাইকোর্টে রিট করলে আদালত তাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেন।
তবে ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে বিষয়টি আপিল বিভাগে গড়ায়। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত ২ জুলাই শুনানি সম্পন্ন হয় এবং ৯ জুলাই হাইকোর্ট তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে। এরপর সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পথ সুগম হয়।
প্রতিবেদকের নাম 




















