ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কম্বোডিয়ার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে উদ্ধার ৩৮ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানালেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট এশিয়া-ইউরোপে চামড়াজাত পণ্যের বাজার বাড়াতে সরকারের নতুন উদ্যোগ শাড়ি প্রতারণার অভিযোগে তিশার বিরুদ্ধে পিবিআইয়ের তদন্তে যা উঠে এলো গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যেও পোশাক রপ্তানিতে ১৪% প্রবৃদ্ধি, হিসাব নিয়ে ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন আসিফ মাহমুদসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তথ্য চেয়ে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে দুদকের চিঠি বিপিএল না হলেও ক্রিকেটারদের জন্য সুখবর, বাড়ল ম্যাচ ফি মার্কিন মুদ্রায় এবার ট্রাম্পের প্রতিকৃতি, তৈরি হলো নতুন এক ইতিহাস মাঝ আকাশে অসুস্থ পাইলট, বিপদ সংকেত পাঠিয়ে মাস্কাটে নামল ইন্ডিগোর বিমান দেশে ফিরেই সংসদে নিজ দপ্তরে মির্জা আব্বাস
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

আসিফ মাহমুদসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তথ্য চেয়ে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে দুদকের চিঠি

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:৪৩:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২ সময় দেখুন

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি ও পদায়নসংক্রান্ত নথিপত্র চেয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি।

দুদকের বিশেষ তদন্ত বিভাগের মহাপরিচালকের নির্দেশনার পর বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে এ চিঠি পাঠানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

দুদক সূত্র জানায়, আসিফ মাহমুদসহ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন এবং যুব-১ শাখার উপসচিব মো. মাসুম আহমেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগগুলোর মধ্যে পছন্দের স্থানে পদায়ন ও পদোন্নতির বিনিময়ে অর্থ লেনদেন এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন টেন্ডার ও কেনাকাটায় অনিয়মের বিষয়ও রয়েছে।

এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের জন্য দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়েছে। দলের অন্য সদস্যরা হলেন সহকারী পরিচালক নাছরুল্লাহ হোসাইন, উপসহকারী পরিচালক ইমরান আকন ও উপসহকারী পরিচালক রোমান উদ্দিন।

আরও পড়ুনঃ  অভিনয় থেকে দূরে পপি, ‘সুন্দরভাবে বাঁচতে চাই, আল্লাহ-খোদার নাম নিতে চাই’

যেসব নথি চেয়েছে দুদক

অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে আসিফ মাহমুদের দায়িত্ব পালনকালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলিসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র চাওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ৭ মে ও ২০২৬ সালের ১৮ এপ্রিলের দুটি স্মারকের আওতায় বদলিসংক্রান্ত নথির সত্যায়িত অনুলিপিও চেয়েছে দুদক।

একই সঙ্গে ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব প্রদান, বাতিল ও পদায়নসংক্রান্ত তিনটি স্মারকের অধীনে থাকা নথিপত্রের সত্যায়িত কপিও তলব করা হয়েছে।

মাঠপর্যায়ের কয়েকজন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত নথিও চাওয়া হয়েছে। এসব নথির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান ও সহায়ক রেকর্ডপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি দুদকে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গণতন্ত্র ও নারী ক্ষমতায়নে তারেক রহমানের অঙ্গীকার, আইপিইউ সেক্রেটারির প্রশংসা

পদায়নে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ

দুদকে জমা পড়া অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল করে নতুন করে পদায়নের ক্ষেত্রে মোট ৭৬ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রত্যেক কর্মকর্তার কাছ থেকে গড়ে প্রায় দুই লাখ টাকা করে নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির ক্ষেত্রেও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পদোন্নতির জন্য মোট দেড় কোটি টাকা এবং পরবর্তীতে পছন্দের স্থানে পদায়নের জন্য আরও দুই কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখিত এসব নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদায়নসংক্রান্ত অর্থের পরিমাণ মিলিয়ে ৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা অনুসন্ধানের মাধ্যমে যাচাই করবে দুদক।

টেন্ডার ও কেনাকাটায় সিন্ডিকেটের অভিযোগ

নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির পাশাপাশি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন টেন্ডার ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় এসেছে।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঢাকা কলেজ অ্যালামনাই নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

অভিযোগে বলা হয়েছে, অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গঠন করে বিভিন্ন টেন্ডার, কেনাকাটা ও অন্যান্য কার্যক্রমে অনিয়ম করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্রও পর্যালোচনা করবে দুদকের অনুসন্ধান দল।

এ ছাড়া আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, অর্থ পাচার, বিটকয়েন লেনদেন, চাঁদাবাজি, স্বজনপ্রীতি ও প্রভাব বিস্তারের মতো আরও কিছু অভিযোগের কথাও দুদকে জমা পড়া নথিতে উল্লেখ রয়েছে। ক্রীড়া উপদেষ্টা থাকাকালে ক্রিকেট বোর্ডের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ ও অবৈধ সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, পদোন্নতি, বদলি, পদায়নসহ বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসব অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

কম্বোডিয়ার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে উদ্ধার ৩৮ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

আসিফ মাহমুদসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তথ্য চেয়ে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে দুদকের চিঠি

আপডেটের সময়: ০৫:৪৩:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি ও পদায়নসংক্রান্ত নথিপত্র চেয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি।

দুদকের বিশেষ তদন্ত বিভাগের মহাপরিচালকের নির্দেশনার পর বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে এ চিঠি পাঠানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

দুদক সূত্র জানায়, আসিফ মাহমুদসহ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন এবং যুব-১ শাখার উপসচিব মো. মাসুম আহমেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগগুলোর মধ্যে পছন্দের স্থানে পদায়ন ও পদোন্নতির বিনিময়ে অর্থ লেনদেন এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন টেন্ডার ও কেনাকাটায় অনিয়মের বিষয়ও রয়েছে।

এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের জন্য দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়েছে। দলের অন্য সদস্যরা হলেন সহকারী পরিচালক নাছরুল্লাহ হোসাইন, উপসহকারী পরিচালক ইমরান আকন ও উপসহকারী পরিচালক রোমান উদ্দিন।

আরও পড়ুনঃ  অভিনয় থেকে দূরে পপি, ‘সুন্দরভাবে বাঁচতে চাই, আল্লাহ-খোদার নাম নিতে চাই’

যেসব নথি চেয়েছে দুদক

অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে আসিফ মাহমুদের দায়িত্ব পালনকালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলিসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র চাওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ৭ মে ও ২০২৬ সালের ১৮ এপ্রিলের দুটি স্মারকের আওতায় বদলিসংক্রান্ত নথির সত্যায়িত অনুলিপিও চেয়েছে দুদক।

একই সঙ্গে ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব প্রদান, বাতিল ও পদায়নসংক্রান্ত তিনটি স্মারকের অধীনে থাকা নথিপত্রের সত্যায়িত কপিও তলব করা হয়েছে।

মাঠপর্যায়ের কয়েকজন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত নথিও চাওয়া হয়েছে। এসব নথির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান ও সহায়ক রেকর্ডপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি দুদকে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  নতুন পে স্কেলে প্রধান শিক্ষকের বেতন-ভাতা ছাড়াবে ৫০ হাজার টাকা

পদায়নে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ

দুদকে জমা পড়া অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল করে নতুন করে পদায়নের ক্ষেত্রে মোট ৭৬ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রত্যেক কর্মকর্তার কাছ থেকে গড়ে প্রায় দুই লাখ টাকা করে নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির ক্ষেত্রেও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পদোন্নতির জন্য মোট দেড় কোটি টাকা এবং পরবর্তীতে পছন্দের স্থানে পদায়নের জন্য আরও দুই কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখিত এসব নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদায়নসংক্রান্ত অর্থের পরিমাণ মিলিয়ে ৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা অনুসন্ধানের মাধ্যমে যাচাই করবে দুদক।

টেন্ডার ও কেনাকাটায় সিন্ডিকেটের অভিযোগ

নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির পাশাপাশি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন টেন্ডার ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় এসেছে।

আরও পড়ুনঃ  ৬১ দিনের বন্দিজীবন থেকে মেঘালয়ের নির্বাসন, স্মৃতিচারণায় আবেগাপ্লুত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অভিযোগে বলা হয়েছে, অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গঠন করে বিভিন্ন টেন্ডার, কেনাকাটা ও অন্যান্য কার্যক্রমে অনিয়ম করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্রও পর্যালোচনা করবে দুদকের অনুসন্ধান দল।

এ ছাড়া আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, অর্থ পাচার, বিটকয়েন লেনদেন, চাঁদাবাজি, স্বজনপ্রীতি ও প্রভাব বিস্তারের মতো আরও কিছু অভিযোগের কথাও দুদকে জমা পড়া নথিতে উল্লেখ রয়েছে। ক্রীড়া উপদেষ্টা থাকাকালে ক্রিকেট বোর্ডের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ ও অবৈধ সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, পদোন্নতি, বদলি, পদায়নসহ বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসব অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।