পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে গঠিত যৌথ সীমান্ত কমিশন প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে কোনো স্বীকৃত ভৌগোলিক সীমানা নেই এবং এই কমিশনের কোনো আইনি ভিত্তিও নেই।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এসব কথা জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, সম্পূর্ণ জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভারতের দাবি, পাকিস্তান ভারতের ভূখণ্ড অবৈধভাবে দখলে রেখে এ ধরনের কোনো দ্বিপক্ষীয় চুক্তিতে যেতে পারে না।
ভারত আরও জানায়, ১৯৬৩ সালের ২ মার্চ স্বাক্ষরিত চীন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তি তারা কখনো মেনে নেয়নি। শুরু থেকেই ওই চুক্তিকে অবৈধ ও অকার্যকর হিসেবে বিবেচনা করে দিল্লি। ভারতের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করা বা অবৈধ দখলকে বৈধতা দেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানকে এ ধরনের ‘নাটকীয়তা’ বন্ধ করে তাদের দখলে থাকা ভারতীয় ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এর আগে ইসলামাবাদে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চীন-পাকিস্তান যৌথ সীমান্ত কমিশনের প্রথম উদ্বোধনী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপমহাপরিচালক লি ইয়া এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (চীন) বিলাল মাহমুদ চৌধুরী যৌথভাবে নেতৃত্ব দেন।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বৈঠকটিকে দুই দেশের জন্য বড় ‘মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করে। তাদের দাবি, কমিশনের মাধ্যমে যৌথ সীমান্ত জরিপ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও বাণিজ্য বৃদ্ধির পথ আরও সুগম হবে।
পাকিস্তানের ওই ঘোষণার পরই দিল্লির পক্ষ থেকে কমিশনটির বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
প্রতিবেদকের নাম 




















