সোমালিয়ার জলসীমায় জলদস্যুদের কবল থেকে একটি জিম্মি জাহাজ মুক্ত করেছে তুরস্কের নৌবাহিনী ও সোমালিয়ার সশস্ত্র বাহিনী। প্রায় ১০ দিন ধরে চলা যৌথ অভিযানে জলদস্যুদের ব্যবহৃত চারটি নৌকা ধ্বংস করা হয়েছে এবং ১৪ জন জলদস্যু নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে সোমালি সরকার।
শনিবার (৩০ আগস্ট) দেওয়া এক বিবৃতিতে সোমালি সরকার জানায়, ধারাবাহিক সামরিক চাপের মুখে একপর্যায়ে বাকি জলদস্যুরা জাহাজটি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। পরে যৌথ বাহিনী এমভি লাতুফ জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং সেটিকে নিরাপদে পুনরায় যাত্রা শুরু করতে সহায়তা করে।
আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট মেরিন ট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, ক্যামেরুনের পতাকাবাহী এমভি লাতুফ জুলাইয়ের শেষ দিকে তুরস্ক থেকে তানজানিয়ার দার এস সালাম বন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল।
জাহাজে তুরস্কের তৈরি অস্ত্র থাকার দাবি
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জাহাজটিতে তুরস্কের তৈরি অস্ত্র ছিল। তবে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেনি সোমালিয়ার ফেডারেল কর্তৃপক্ষ।
সোমালি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তুরস্ক ও সোমালিয়ার মধ্যে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির আওতায় যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
সোমালিয়ার জলসীমায় ফের জলদস্যু তৎপরতা
সাম্প্রতিক সময়ে সোমালিয়ার জলসীমায় জলদস্যুদের তৎপরতা আবারও বেড়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত পাঁচটি পণ্যবাহী জাহাজ জিম্মি করা হয়েছে।
এ অবস্থায় সোমালিয়ার জলসীমায় বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তুরস্ক ও সোমালিয়ার যৌথ অভিযানে জিম্মি জাহাজ উদ্ধারের ঘটনা জলদস্যু দমনে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















