
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে সরকার। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় একবারে পুরো পে স্কেল কার্যকর না করে কয়েক ধাপে তা বাস্তবায়নের চিন্তা করা হচ্ছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী অর্থবছরে আংশিক বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ রাখা হতে পারে। তবে পুরো পে স্কেল বাস্তবায়ন ২০২৮-২৯ অর্থবছরের আগে সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানা গেছে।
নতুন কাঠামোয় বিভিন্ন ভাতা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে—
- বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব
- টিফিন ভাতা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করার সুপারিশ
- শিক্ষা ভাতা মাসিক ২ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা
এছাড়া সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব আয় ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক সক্ষমতা বিবেচনায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এজন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটিও কাজ করছে।
সরকারের হিসাব অনুযায়ী, নতুন পে স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়নে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হতে পারে।
প্রতিবেদকের নাম 



















