
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে পে কমিশন–সংক্রান্ত পুনর্গঠিত কমিটি। প্রাথমিক সুপারিশ অনুযায়ী, পুরো বেতন কাঠামো একসঙ্গে না করে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে।
সুপারিশে বলা হয়েছে, প্রথম ধাপেই মূল বেতন বৃদ্ধি করা হবে। এরপর ধাপে ধাপে চিকিৎসা ভাতা, যাতায়াত ভাতা এবং অন্যান্য ভাতা সমন্বয়ের মাধ্যমে নতুন কাঠামো কার্যকর করা হতে পারে।
কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তবে আর্থিক সক্ষমতা ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক চাপ বিবেচনায় রেখেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
জানা গেছে, প্রস্তাবিত কাঠামোয় সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। এতে বিদ্যমান বেতন বৈষম্য কিছুটা কমানোর লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
বর্তমানে দেশে ২০১৫ সালের অষ্টম পে স্কেল কার্যকর রয়েছে। দীর্ঘদিন পর নতুন পে স্কেল নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও এখনো এটি চূড়ান্ত হয়নি। সরকারের উচ্চপর্যায়ের অনুমোদন পাওয়া গেলে ধাপে ধাপে নতুন কাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের এই উদ্যোগ অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাতে সহায়ক হতে পারে, তবে এর বাস্তব রূপ নির্ভর করবে সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর।
প্রতিবেদকের নাম 




















