ঢাকা ০৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
এআই দিয়ে বানানো সব ভিডিওতে আর আয় নয়, ইউটিউব আনল নতুন মনিটাইজেশন নীতিমালা মেসেজে ‘কবুল’ বললেই কি বিয়ে সম্পন্ন হয়? ইসলাম কী বলছে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের অভিযোগ, ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন চাইলেন হাইকোর্ট সরকারের আশ্বাসে আপাতত কর্মসূচি স্থগিত ককরোচ জনতা পার্টির দক্ষিণ আফ্রিকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু, হাসপাতালে একজন হাইকোর্টে খারিজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন বাতিলের রিট মাদক নির্মূলে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান মির্জা ফখরুলের দেশীয় প্রযুক্তির চিকিৎসা যন্ত্রে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা, স্বাস্থ্য খাতে গবেষণায় সর্বোচ্চ গুরুত্বের ঘোষণা জাপানে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি বাংলাদেশের বস্ত্রখাতে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

মেসেজে ‘কবুল’ বললেই কি বিয়ে সম্পন্ন হয়? ইসলাম কী বলছে

বর্তমান ডিজিটাল যুগে ফেসবুক মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমোসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের প্রস্তাব ও ‘কবুল’ আদান-প্রদানের ঘটনা বাড়ছে। তবে শুধুমাত্র মেসেজে ‘কবুল’ লিখে বা সম্মতি জানালেই ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী বিয়ে সম্পন্ন হয় কি না—এ প্রশ্ন অনেকের মনে রয়েছে।

ইসলামি শরিয়াহ ও ফিকাহ বিশেষজ্ঞদের মতে, লিখিত বার্তা বা অনলাইন মেসেজে একপক্ষ বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার পর অপরপক্ষ ‘কবুল’ লিখে সম্মতি জানালেও তা বৈধ বিয়ে হিসেবে গণ্য হবে না। কারণ, বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য পাত্র-পাত্রীর উপস্থিতি বা তাদের বৈধ প্রতিনিধির একই মজলিসে (একই বৈঠকে) থাকা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।

আরও পড়ুনঃ  জেদ্দায় ইসলামি শিল্পের অনন্য ভাণ্ডার, ১৫ শতকের ঐতিহ্য নিয়ে বিশেষ জাদুঘর

শরিয়াহ অনুযায়ী, শুধু ইজাব-কবুল যথেষ্ট নয়; বিয়ের সময় সাক্ষীর উপস্থিতিও বাধ্যতামূলক। অন্তত দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম পুরুষ অথবা একজন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম পুরুষ ও দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম নারীর উপস্থিতিতে ইজাব-কবুল সম্পন্ন হতে হবে। সাক্ষী ছাড়া বিয়ে বৈধ বলে গণ্য হয় না।

আরও পড়ুনঃ  ২৭ জুলাই থেকে শুরু হজের প্রাথমিক নিবন্ধন, যেসব ব্যক্তি যেতে পারবেন না

এ প্রসঙ্গে সহিহ ইবনে হিব্বানের একটি হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “অভিভাবক ও দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষীর উপস্থিতি ছাড়া বিয়ে হয় না।”

বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, সাক্ষীদের জন্য আলাদাভাবে নিয়োগের প্রয়োজন নেই। যদি জনসমক্ষে বা বহু মানুষের উপস্থিতিতে বিয়ের আকদ সম্পন্ন হয় এবং উপস্থিত ব্যক্তিরা ইজাব-কবুল শুনতে পান, তাহলে তারাই সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবেন। এ কারণেই মসজিদে অনুষ্ঠিত বিয়েতে উপস্থিত ব্যক্তিরাও সাক্ষীর মর্যাদা পান।

আরও পড়ুনঃ  ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু: জেনে নিন সময়সূচি, খরচ ও গুরুত্বপূর্ণ শর্ত

সব মিলিয়ে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেসেজের মাধ্যমে ‘কবুল’ জানানো পারস্পরিক সম্মতির প্রকাশ হতে পারে, কিন্তু ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী এটি বৈধ বিয়ের বিকল্প নয়। বিয়ে শুদ্ধ ও বৈধ হতে হলে একই মজলিসে ইজাব-কবুল, প্রয়োজনীয় সাক্ষী এবং শরিয়াহ নির্ধারিত অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হবে।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

এআই দিয়ে বানানো সব ভিডিওতে আর আয় নয়, ইউটিউব আনল নতুন মনিটাইজেশন নীতিমালা

মেসেজে ‘কবুল’ বললেই কি বিয়ে সম্পন্ন হয়? ইসলাম কী বলছে

আপডেটের সময়: ০৩:৩৫:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

বর্তমান ডিজিটাল যুগে ফেসবুক মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমোসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের প্রস্তাব ও ‘কবুল’ আদান-প্রদানের ঘটনা বাড়ছে। তবে শুধুমাত্র মেসেজে ‘কবুল’ লিখে বা সম্মতি জানালেই ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী বিয়ে সম্পন্ন হয় কি না—এ প্রশ্ন অনেকের মনে রয়েছে।

ইসলামি শরিয়াহ ও ফিকাহ বিশেষজ্ঞদের মতে, লিখিত বার্তা বা অনলাইন মেসেজে একপক্ষ বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার পর অপরপক্ষ ‘কবুল’ লিখে সম্মতি জানালেও তা বৈধ বিয়ে হিসেবে গণ্য হবে না। কারণ, বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য পাত্র-পাত্রীর উপস্থিতি বা তাদের বৈধ প্রতিনিধির একই মজলিসে (একই বৈঠকে) থাকা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।

আরও পড়ুনঃ  কোরআনের দৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত যারা

শরিয়াহ অনুযায়ী, শুধু ইজাব-কবুল যথেষ্ট নয়; বিয়ের সময় সাক্ষীর উপস্থিতিও বাধ্যতামূলক। অন্তত দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম পুরুষ অথবা একজন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম পুরুষ ও দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম নারীর উপস্থিতিতে ইজাব-কবুল সম্পন্ন হতে হবে। সাক্ষী ছাড়া বিয়ে বৈধ বলে গণ্য হয় না।

আরও পড়ুনঃ  ২৭ জুলাই থেকে শুরু হজের প্রাথমিক নিবন্ধন, যেসব ব্যক্তি যেতে পারবেন না

এ প্রসঙ্গে সহিহ ইবনে হিব্বানের একটি হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “অভিভাবক ও দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষীর উপস্থিতি ছাড়া বিয়ে হয় না।”

বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, সাক্ষীদের জন্য আলাদাভাবে নিয়োগের প্রয়োজন নেই। যদি জনসমক্ষে বা বহু মানুষের উপস্থিতিতে বিয়ের আকদ সম্পন্ন হয় এবং উপস্থিত ব্যক্তিরা ইজাব-কবুল শুনতে পান, তাহলে তারাই সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবেন। এ কারণেই মসজিদে অনুষ্ঠিত বিয়েতে উপস্থিত ব্যক্তিরাও সাক্ষীর মর্যাদা পান।

আরও পড়ুনঃ  জেদ্দায় ইসলামি শিল্পের অনন্য ভাণ্ডার, ১৫ শতকের ঐতিহ্য নিয়ে বিশেষ জাদুঘর

সব মিলিয়ে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেসেজের মাধ্যমে ‘কবুল’ জানানো পারস্পরিক সম্মতির প্রকাশ হতে পারে, কিন্তু ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী এটি বৈধ বিয়ের বিকল্প নয়। বিয়ে শুদ্ধ ও বৈধ হতে হলে একই মজলিসে ইজাব-কবুল, প্রয়োজনীয় সাক্ষী এবং শরিয়াহ নির্ধারিত অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হবে।