যুক্তরাজ্যে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটি আরএএফ ফেয়ারফোর্ড থেকে মোতায়েন করা সব বি-১ ল্যান্সার বোমারু বিমান সরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে অবস্থান করা মার্কিন বোমারু বিমানগুলো ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে নিজ নিজ ঘাঁটিতে ফিরে গেছে। নিরাপত্তাজনিত বিষয় বিবেচনায় আগে থেকেই সামরিক সরঞ্জাম ও সেনাসদস্যদের স্থানান্তরের তথ্য প্রকাশ করা হয়নি বলেও জানান তিনি।
সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড ঘিরে তৎপরতা
এর আগে গত রোববার দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটির কাছে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। স্থানীয় এক কৃষক কয়েকজন ব্যক্তিকে একাধিক যানবাহন নিয়ে ঘাঁটির আশপাশে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করতে দেখে কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান।
খবর পাওয়ার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিমানঘাঁটির আশপাশের ৮৫টি বাড়ির বাসিন্দাকে সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়।
পরে তদন্ত চালিয়ে যানবাহনগুলোতে কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। তবে সেখান থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পেট্রোল উদ্ধার করা হয়। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিজম পুলিশের প্রধান লরেন্স টেলরও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পাঁচজন গ্রেপ্তার
ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে লন্ডনের ২০ বছর বয়সী পাঁচ ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে তাদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।
তাদের জামিনে মুক্তির ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সমালোচনা করা হয়েছে।
ইরান অভিযানে ব্যবহৃত হয়েছিল ঘাঁটিটি
আরএএফ ফেয়ারফোর্ড যুক্তরাজ্যে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক ঘাঁটি। এর আগে ইরানে মার্কিন সামরিক হামলার সময়ও এই বিমানঘাঁটি ব্যবহার করা হয়েছিল।
সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যেই ঘাঁটিতে মোতায়েন থাকা সব বি-১ বোমারু বিমান যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি সামনে এলো।
প্রতিবেদকের নাম 























