শেষটা এর চেয়ে সুন্দর হতে পারে না। দেশের হয়ে আকাশি-সাদা জার্সিতে শেষ ম্যাচে গোল করেছেন লিওনেল মেসি। সতীর্থদের দিয়েও করিয়েছেন গোল। বেনিনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা জিতেছে ৩-০ গোলে। স্কোরলাইনের সবটা জুড়েই যেন মেসি। গোল ও অ্যাসিস্টে ষোলোকলায় পূর্ণ করে অন্তিম ম্যাচ শেষে মাঠ ছাড়েন ফুটবল জাদুকর।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বুয়েনস আইরেসের ঐতিহ্যবাহী এস্তাদিও মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনকে আতিথ্য দেয় আলবিসেলেস্তেরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে এগিয়ে থাকে স্বাগতিকরা। প্রতিপক্ষ বেনিনের রক্ষণভাগকে বেশ কঠিন পরীক্ষাই দিতে হয়। তবে লক্ষ্যভেদ করতে পারছিল না আলবিসেলেস্তের ফরোয়ার্ডরা। মেসিও বেশ কয়েকটি আক্রমণে যান। তবে সেগুলো জালে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়।
খেলার বয়স যখন মাত্র ১০ মিনিট, তখন এলএমটেনের সম্মানে মিনিট দেড়েকের জন্য খেলা থামিয়ে দেন রেফারি। মাঠে উপস্থিত দর্শকরা দাঁড়িয়ে হাততালি আর ‘ওলে ওলে মেসি’ স্লোগানে মহাতারকাকে অভিবাদন জানান।
ফের শুরু হয় খেলা। তবে বিরতির আগ পর্যন্ত গোল পেতে ব্যর্থ হয় দুই দলই। গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।
বিরতির পর আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে থাকে স্বাগতিকরা। ৪৮তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন নিকোলাস ওতামেন্দি। মেসির কর্নার থেকে পাওয়া বল ভলিতে জালে জড়ান রিভার প্লেটের এই সেন্টার ব্যাক।
ম্যাচের ৬১তম মিনিটে ফের অ্যাসিস্ট করেন মেসি। এবার স্কোরশিটে নাম লেখান নিকো পাজ।
৭১তম মিনিটে পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। ডি-বক্সে অগাস্টিন জিয়াই রক্ষণভাগের ফাউলের শিকার হলে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পায় আলবিসেলেস্তরা। কিক নিতে এগিয়ে আসেন মেসি। তার জোরালো শট সরাসরি লক্ষ্যভেদ করলে ৩-০ গোলের লিড পায় আকাশি-সাদা বাহিনী।
শেষদিকে আরও কয়েকটি সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা। তবে আর ব্যবধান বাড়াতে পারেনি তারা।
এর মাধ্যমেই আর্জেন্টাইন ফুটবলে শেষ হলো লিও মেসি অধ্যায়। ২০৮ ম্যাচ ও ১২৬ গোলের সঙ্গে বিশ্বকাপ আর কোপা চ্যাম্পিয়ন—আলবিসেলেস্তেদের হয়ে মেসির একেবারে সংক্ষিপ্ত রূপের পরিসংখ্যান এটি।
কিন্তু মেসিকে কি এই সংখ্যার পরিসংখ্যান দিয়ে বিচার করা যায়? মেসি তো মহাতারকা, ফুটবলের ম্যাজিশিয়ান। বিদায়, এলএমটেন।
প্রতিবেদকের নাম 

























