বগুড়ায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা টহল পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন তার সহযোগী ও স্বজনেরা। এ ঘটনায় এএসআই উজ্জ্বল নামে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ২৮ মামলার আসামি রতন ব্যাপারীকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে শহরের উত্তর চেলোপাড়া এলাকার দত্তবাড়ি সিএনজি স্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার রতন ব্যাপারী বগুড়া সদর উপজেলার উত্তর চেলোপাড়া এলাকার বাদল ব্যাপারীর ছেলে। আহত এএসআই উজ্জ্বল বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, রতন ব্যাপারীর বিরুদ্ধে চুরি, মাদক ও ডাকাতির প্রস্তুতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে দেশের বিভিন্ন থানায় ২৮টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে বগুড়া সদর থানায় তার বিরুদ্ধে তিনটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে যানজট নিয়ন্ত্রণ, দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো এবং মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বগুড়ায় টহল জোরদার করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুপুরে দত্তবাড়ি সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিল পুলিশের একটি টহল দল।
পুলিশের দাবি, ওই সময় চার থেকে পাঁচজন পকেটমারির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তাদের মধ্য থেকে রতন ব্যাপারীকে আটক করা হলে তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন এবং আশপাশের আত্মীয়স্বজন পুলিশের ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে তারা রতনকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় এএসআই উজ্জ্বল আহত হন।
পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে রতন ব্যাপারীকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং এ অবস্থান অব্যাহত থাকবে। গত মাস ও চলতি মাসে ৩০ থেকে ৩৫ জন পকেটমারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তারা এখনো কারাগারে রয়েছেন। পকেটমারদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
প্রতিবেদকের নাম 


























