২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি এবার আলোচনায় ফুটবল ফ্যাশনও। হোম ও অ্যাওয়ে জার্সির নান্দনিক ডিজাইন ও ঐতিহ্যের মিশেলে তৈরি সেরা জার্সির তালিকায় শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে ফ্রান্স, আর পাঁচে রয়েছে ব্রাজিল।
নিউ ইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রকাশিত এই তালিকায় বিভিন্ন দেশের জার্সির ডিজাইন, ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সমন্বয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তালিকায় যাদের অবস্থান
তালিকার ১০ নম্বরে রয়েছে মরক্কো। জার্সিতে ঐতিহ্যবাহী জ্যামিতিক কারুশিল্পের ছোঁয়া তাদের ডিজাইনকে আলাদা করেছে।
৯ নম্বরে স্পেন। তাদের হোম জার্সি ঐতিহ্যবাহী হলেও ক্রিম রঙের বিলাসবহুল অ্যাওয়ে কিট নজর কেড়েছে ফুটবলপ্রেমীদের।
৮ নম্বরে দক্ষিণ কোরিয়া, যাদের বেগুনি রঙের ফ্লোরাল অ্যাওয়ে শার্ট প্রশংসিত হয়েছে ডিজাইন বিশেষজ্ঞদের কাছে।
৭ নম্বরে জাপান। সামুরাই ব্লু হোম জার্সির পাশাপাশি বেসবল ইউনিফর্ম অনুপ্রাণিত অফ-হোয়াইট অ্যাওয়ে কিট নিয়ে এসেছে ভিন্ন মাত্রা।
৬ নম্বরে মেক্সিকো, যাদের তিনটি ভিন্ন জার্সিতেই দেশীয় সংস্কৃতি ও আধুনিকতার মিশ্রণ দেখা গেছে।
শীর্ষ পাঁচে ব্রাজিল
তালিকার পাঁচে রয়েছে চিরসবুজ ব্রাজিল। ঐতিহ্যবাহী হলুদ হোম জার্সির পাশাপাশি আমাজন রেইনফরেস্ট অনুপ্রাণিত নীল-কালো অ্যাওয়ে কিট এবার বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।
৪ নম্বরে রয়েছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৯৪ বিশ্বকাপের নস্টালজিয়া ফিরিয়ে আনা লাল-সাদা হোম জার্সি এবং ‘স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপস’ অ্যাওয়ে কিট সমর্থকদের প্রশংসা পেয়েছে।
৩ নম্বরে আর্জেন্টিনা, যাদের আকাশি-সাদা ঐতিহ্যের পাশাপাশি কালো অ্যাওয়ে জার্সি ডিজাইন আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।
২ নম্বরে উরুগুয়ে, যাদের ১৯৩০ সালের বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস অনুপ্রাণিত নান্দনিক ডিজাইন ফুটবলে ঐতিহ্যের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
শীর্ষে ফ্রান্স
সবচেয়ে বেশি আলোচনায় থাকা ফ্রান্স রয়েছে তালিকার শীর্ষে। ফোল্ড-ওভার কলার, ব্রোঞ্জ ডিটেইলিং এবং নীল রঙের বিভিন্ন শেডের হোম জার্সি তাদের ডিজাইনকে দিয়েছে রাজকীয় আভিজাত্য। পাশাপাশি অ্যাওয়ে কিটও সমানভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এবারের বিশ্বকাপে পারফরম্যান্সের পাশাপাশি জার্সির ডিজাইনও সমর্থকদের কাছে বড় আকর্ষণের বিষয় হয়ে উঠছে।
প্রতিবেদকের নাম 

















