ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, বাংলাদেশি টাকায় কত?

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার কিছুটা কমে আসায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম।

বুধবার (১৯ আগস্ট) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি ট্রয় আউন্স ৪ হাজার ৩৫৬.৫৫ ডলারে পৌঁছায়। এর আগে মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমেছিল।

বাংলাদেশি টাকায় কত?

প্রতি ডলারের দাম প্রায় ১২২ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় হিসাব করলে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়ায় প্রায় ৫ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ টাকা

প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম প্রায় ১৭ হাজার ১০০ টাকা। ফলে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়ায় (১১.৬৬৪ গ্রাম) প্রায় ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪০০ টাকা

আরও পড়ুনঃ  সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক কারামুক্ত

অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারের হিসাবে বর্তমানে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম প্রায় ২ লাখ টাকা

তবে এটি শুধু আন্তর্জাতিক স্পট মূল্যের ভিত্তিতে করা হিসাব। বাংলাদেশে সোনা কিনতে গেলে ডলারের রেট, ভ্যাট, মজুরি বা মেকিং চার্জসহ অন্যান্য খরচ যোগ হওয়ায় দোকানে বিক্রির দাম এর চেয়ে বেশি হতে পারে।

কেন বাড়ছে স্বর্ণের দাম?

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ফেডের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা কমে আসা স্বর্ণের দামের জন্য ইতিবাচক। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি নিয়েও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  অস্ত্র হাতে মহড়া দেওয়া ছাত্রদল নেতাকে ছেড়ে দেওয়ায় ঈশ্বরদীতে থানা ঘেরাও

ফেডের ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির জুলাইয়ের বৈঠকের কার্যবিবরণী বুধবার প্রকাশ হওয়ার কথা। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা সুদের হার নিয়ে কী ধরনের আলোচনা করেছেন, সে বিষয়ে ধারণা পাওয়া যাবে।

সুদের হার কমলে সাধারণত স্বর্ণ ধরে রাখার সুযোগ-খরচ কমে যায়। ফলে বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণের আকর্ষণ বাড়ে এবং দামও বাড়তে পারে।

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান এফএক্সটিএমের গবেষণা বিভাগের প্রধান লুকমান ওতুনুগার মতে, স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৯০ ডলারের ওপরে স্থায়ীভাবে উঠতে পারলে ৪ হাজার ৫০৫ ডলারের দিকে যেতে পারে।

অন্যদিকে দাম ৪ হাজার ৩০০ ডলারের নিচে নেমে গেলে ৪ হাজার ২০০ এবং পরে ৪ হাজার ১৫০ ডলারের দিকে নামার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সালমান শাহর মৃত্যু রহস্যের মধ্যেই শাবনূরের রহস্যময় বার্তা, বাড়ল কৌতূহল

ভূরাজনীতির প্রভাবও রয়েছে

স্বর্ণের বাজারে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিরও প্রভাব রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না এবং হরমুজ প্রণালি খোলা রয়েছে।

তবে ইরান এর বিপরীত দাবি করেছে। দেশটির বক্তব্য, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ এখনো জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার কারণে তেলের দামও টানা চতুর্থ দিনের মতো বেড়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বর্ণ ও তেলের বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে তুলছে।

সূত্র: রয়টার্স

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, বাংলাদেশি টাকায় কত?

আপডেটের সময়: ০৫:৫৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার কিছুটা কমে আসায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম।

বুধবার (১৯ আগস্ট) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি ট্রয় আউন্স ৪ হাজার ৩৫৬.৫৫ ডলারে পৌঁছায়। এর আগে মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমেছিল।

বাংলাদেশি টাকায় কত?

প্রতি ডলারের দাম প্রায় ১২২ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় হিসাব করলে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়ায় প্রায় ৫ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ টাকা

প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম প্রায় ১৭ হাজার ১০০ টাকা। ফলে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়ায় (১১.৬৬৪ গ্রাম) প্রায় ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪০০ টাকা

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আইনি জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারের হিসাবে বর্তমানে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম প্রায় ২ লাখ টাকা

তবে এটি শুধু আন্তর্জাতিক স্পট মূল্যের ভিত্তিতে করা হিসাব। বাংলাদেশে সোনা কিনতে গেলে ডলারের রেট, ভ্যাট, মজুরি বা মেকিং চার্জসহ অন্যান্য খরচ যোগ হওয়ায় দোকানে বিক্রির দাম এর চেয়ে বেশি হতে পারে।

কেন বাড়ছে স্বর্ণের দাম?

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ফেডের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা কমে আসা স্বর্ণের দামের জন্য ইতিবাচক। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি নিয়েও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  নিম্নচাপ ও ভারি বৃষ্টি নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাস

ফেডের ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির জুলাইয়ের বৈঠকের কার্যবিবরণী বুধবার প্রকাশ হওয়ার কথা। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা সুদের হার নিয়ে কী ধরনের আলোচনা করেছেন, সে বিষয়ে ধারণা পাওয়া যাবে।

সুদের হার কমলে সাধারণত স্বর্ণ ধরে রাখার সুযোগ-খরচ কমে যায়। ফলে বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণের আকর্ষণ বাড়ে এবং দামও বাড়তে পারে।

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান এফএক্সটিএমের গবেষণা বিভাগের প্রধান লুকমান ওতুনুগার মতে, স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৯০ ডলারের ওপরে স্থায়ীভাবে উঠতে পারলে ৪ হাজার ৫০৫ ডলারের দিকে যেতে পারে।

অন্যদিকে দাম ৪ হাজার ৩০০ ডলারের নিচে নেমে গেলে ৪ হাজার ২০০ এবং পরে ৪ হাজার ১৫০ ডলারের দিকে নামার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সার সংকটের অভিযোগকে ‘পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’ বললেন কৃষিমন্ত্রী

ভূরাজনীতির প্রভাবও রয়েছে

স্বর্ণের বাজারে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিরও প্রভাব রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না এবং হরমুজ প্রণালি খোলা রয়েছে।

তবে ইরান এর বিপরীত দাবি করেছে। দেশটির বক্তব্য, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ এখনো জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার কারণে তেলের দামও টানা চতুর্থ দিনের মতো বেড়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বর্ণ ও তেলের বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে তুলছে।

সূত্র: রয়টার্স