সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) কেরানীগঞ্জের বিশেষ কারাগার থেকে তিনি মুক্ত হন। কারা অধিদপ্তরের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
হাইকোর্টের জামিনের পর মুক্তি
রাজধানীর বনানী থানায় দায়ের হওয়া হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গত ১০ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান সাবেক এই প্রধান বিচারপতি।
এর আগে পৃথক আটটি মামলায় জামিন পেলেও বনানী থানার ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য গত ২ জুলাই আদালতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৮ জুলাই তাকে মামলাটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
পরে গত ২৭ জুলাই নিম্ন আদালতে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর হলে ৯ আগস্ট হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে ১০ আগস্ট হাইকোর্ট তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। সেই জামিনের ধারাবাহিকতায় বুধবার কারামুক্ত হন তিনি।
যে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মহাখালীর সেতু ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকে শাহবাগের দিকে যাওয়ার পথে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা, গুলিবর্ষণ ও ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় উজ্জ্বল মিয়াসহ অন্তত ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হন। পরে আহত উজ্জ্বল মিয়া বনানী থানায় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাটি দায়ের করেন।
হাইকোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের ভিত্তিতেই এ মামলায় কারাবাসের অবসান হলো সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের।
প্রতিবেদকের নাম 




















