দিনাজপুর প্রতিনিধি:
বীরগঞ্জ উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জুলফিকার আলী শাহের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, অসদাচরণ ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলেছেন একাধিক শিক্ষক নেতা ও ৫৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকরা।
অভিযোগে বলা হয়, তিনি বিভিন্ন এমপিওভুক্তি ও ফাইল অনুমোদনের ক্ষেত্রে অর্থ দাবি করতেন এবং ঘুষ ছাড়া ফাইল প্রক্রিয়া করতেন না। এছাড়া শিক্ষক-কর্মচারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও অপমানজনক আচরণের অভিযোগও রয়েছে।
গত ১৬ এপ্রিল শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ ৫৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ স্থানীয় সংসদ সদস্য, শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে জমা দেন।
অভিযোগকারীদের দাবি, একজন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা দুর্ব্যবহারের কারণে আগেই পদত্যাগে বাধ্য হন এবং পরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এছাড়া কয়েকজন শিক্ষককে অপমান ও হয়রানির ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
একজন ভুক্তভোগী শিক্ষক জানান, এমপিওভুক্তি ও বিভিন্ন ফাইল অনুমোদনে মোটা অংকের টাকা দিতে বাধ্য করা হতো। অন্যথায় ফাইল ফেরত দেওয়া হতো।
এদিকে মুরারিপুর দাখিল মাদ্রাসার নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলা বর্তমানে আদালতে চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি বীরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি আহসান হাবীব বলেন, “তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যাব।”
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জুলফিকার আলী শাহ বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। যাদের কাজ হয়নি, তারাই এসব অভিযোগ করছে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি আংশিকভাবে অবগত আছেন, তবে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদকের নাম 





















