সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও পুলিশ ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) ভেরিফিকেশনে বাদ পড়েছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো. জাহিদ হাসান। এবার নতুন করে প্রকাশিত নিয়োগের তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পিরোজপুর যাওয়ার পথে ওয়েবসাইটে নিজের নিয়োগের তথ্য দেখতে পান জাহিদ। খবরটি জানার পর তার পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়।
এর আগে নিয়োগ থেকে বাদ পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে জাহিদ ও তার পরিবারের সদস্যরা হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। গত শনিবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
জানা গেছে, মঠবাড়িয়া উপজেলায় সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ৮৩ জনের মধ্যে জাহিদের মেধাক্রম ছিল ৫৪তম। তিনি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কোটাতেও আবেদন করেছিলেন। লিখিত ও অন্যান্য ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হলেও ভেরিফিকেশনের পর নিয়োগপত্র পাননি তিনি।
জাহিদের অভিযোগ ছিল, পুলিশ ও এনএসআইয়ের ভেরিফিকেশনের কারণে তাকে নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
নতুন তালিকায় নিজের নাম দেখার অনুভূতি জানিয়ে জাহিদ বলেন, পিরোজপুর যাওয়ার পথে ওয়েবসাইটে নিয়োগের তথ্য দেখে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছেন। তার পরিবারও এতে খুশি হয়েছে। বিশেষ করে আগে বাদ পড়ার ঘটনায় তার মা কষ্ট পেয়েছিলেন, এবার নিয়োগের খবর পেয়ে তিনি আনন্দিত হয়েছেন বলে জানান জাহিদ।
তিনি আরও বলেন, নিয়োগ থেকে বাদ পড়ার পর এলাকার মানুষ বিষয়টি নিয়ে তার পাশে ছিলেন। এবার নিয়োগ পাওয়ায় তারাও আনন্দিত। জাহিদের পরিবারের ইচ্ছা ছিল, তিনি বাড়ির কাছাকাছি কোনো সরকারি চাকরিতে যোগ দেবেন। নতুন নিয়োগের ফলে সেই প্রত্যাশা পূরণ হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।
পিরোজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার ২৪৪ জন প্রার্থীর মধ্যে দুই ধাপে মোট ২৪২ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বখতিয়ার রহমান বলেন, এ বিষয়ে জেলা কার্যালয় থেকে বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 



















