রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে শাহআলী থানা পুলিশ।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) শাহআলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় অন্যদেরও শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
ঘটনার পেছনে কোনো সংসদ সদস্যের ইন্ধন ছিল কি না এবং এ কারণে পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, তদন্ত শেষ হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
হামলার পর স্বাস্থ্যকেন্দ্র এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। এর আগে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় শাহআলী থানায় মামলা করে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। মামলায় হানিফ মিয়া নামে একজনকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রবেশ করে। তারা চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ, সরকারি টিকা, নগদ টাকা ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়।
কর্তৃপক্ষ আরও অভিযোগ করেছে, পরে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের একটি পাকা ও তিনটি সেমিপাকা ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
হামলার পর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জায়গায় ‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’ লেখা একটি সাইনবোর্ড টাঙানো হয়। বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
প্রতিবেদকের নাম 




















