হবিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মাহদী হাসানসহ তিনজনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বেলা ২টার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের হেফাজত থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তি পাওয়া অন্য দুজন হলেন মির্জা সুমন ও মো. রাকিব।
বিক্ষোভ আয়োজনের অভিযোগে হেফাজতে
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুল হক জানান, প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কায় তাদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
যেসব দাবিতে বিক্ষোভের উদ্যোগ
থানা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সদস্যসচিব মাহদী হাসান বলেন, শহরে অসহনীয় লোডশেডিং, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্যাস সংকট এবং দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির প্রতিবাদে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে তারা বিক্ষোভ মিছিল করতে চেয়েছিলেন।
তাঁর দাবি, বিক্ষোভের উদ্যোগ নেওয়ার পর পুলিশ তাদের পিকআপ ভ্যানে তুলে থানায় নিয়ে যায়।
অনুমতি না পাওয়ার পরও জড়ো হওয়ার দাবি পুলিশের
পুলিশের ভাষ্য, বিক্ষোভ মিছিলের জন্য আগে প্রশাসনের কাছে অনুমতি চাওয়া হলেও তা দেওয়া হয়নি। এরপরও মাহদী হাসান ও তাঁর সহযোগীরা প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে কোর্ট মসজিদ এলাকায় জড়ো হন।
এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও শহরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদের হেফাজতে নেয়। পরে মুচলেকা নিয়ে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
প্রতিবেদকের নাম 



















