ঢাকা ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

মোটরসাইকেলে অগ্রিম আয়করের প্রস্তাবের প্রতিবাদে এনবিআরের সামনে বাইকারদের মানববন্ধন

মোটরসাইকেলের ওপর প্রস্তাবিত অগ্রিম আয়কর (এআইটি) আরোপের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে রাজধানীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি কর্মসূচি পালন করেছেন মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা। রোববার (১৭ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বাইকারদের অভিযোগ, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মোটরসাইকেলের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নতুন করে অগ্রিম আয়কর আরোপের বিষয়ে আলোচনা চলছে। এতে সাধারণ ব্যবহারকারী, রাইড শেয়ার চালক এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ আর্থিক চাপে পড়বেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

আরও পড়ুনঃ  ইউরোপজুড়ে যাত্রীবাহী বিমানে বোমা হামলার হুমকি, একাধিক ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ

স্মারকলিপিতে বলা হয়, প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী ১১১-১২৫ সিসির মোটরসাইকেলের জন্য বছরে ২ হাজার টাকা, ১২৬-১৬৫ সিসির জন্য ৫ হাজার টাকা এবং ১৬৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর নির্ধারণের চিন্তা করা হচ্ছে।

বাইকারদের পক্ষে স্মারকলিপি জমা দেন এ কে এম ইমন। তিনি বলেন, প্রতিবেশী ভারত–এ যে মোটরসাইকেল প্রায় ১ লাখ টাকায় পাওয়া যায়, বাংলাদেশে একই মোটরসাইকেল কিনতে প্রায় তিনগুণ বেশি খরচ হয়। তার দাবি, মোটরসাইকেল এখন আর বিলাসপণ্য নয়; বরং এটি সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় যানবাহনে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লায় ২ হাজার কিমির সীমা তুলে নিল ইরান

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, বর্তমানে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং রাইড শেয়ারিং সেবার সঙ্গে যুক্ত হাজারো মানুষ জীবিকা ও দৈনন্দিন যাতায়াতের জন্য মোটরসাইকেলের ওপর নির্ভরশীল। নতুন কর আরোপ করা হলে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যাবে।

নারী ব্যবহারকারীদের বিষয়টিও তুলে ধরেন আন্দোলনকারীরা। তাদের বক্তব্য, গণপরিবহনে নিরাপত্তাহীনতা ও হয়রানির কারণে অনেক নারী ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল ব্যবহার করছেন। অতিরিক্ত কর আরোপ নারীদের স্বাধীন চলাচলেও প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  ৪৮ ঘণ্টার অবরোধে বিপর্যস্ত সাজেক, বন্ধ পর্যটন, দুর্ভোগে স্থানীয় বাসিন্দারা

বাইকারদের দাবি, মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা ইতোমধ্যেই নিবন্ধন ফি, রোড ট্যাক্স, ফিটনেস, বিমা ও জ্বালানির ওপর বিভিন্ন ধরনের কর পরিশোধ করছেন। এর সঙ্গে নতুন করে অগ্রিম আয়কর যোগ হলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে।

তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, মোটরসাইকেলকে বিলাসপণ্য হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় পরিবহন হিসেবে বিবেচনা করে প্রস্তাবিত কর পুনর্বিবেচনা করা উচিত।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

মোটরসাইকেলে অগ্রিম আয়করের প্রস্তাবের প্রতিবাদে এনবিআরের সামনে বাইকারদের মানববন্ধন

আপডেটের সময়: ০২:০৮:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

মোটরসাইকেলের ওপর প্রস্তাবিত অগ্রিম আয়কর (এআইটি) আরোপের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে রাজধানীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি কর্মসূচি পালন করেছেন মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা। রোববার (১৭ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বাইকারদের অভিযোগ, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মোটরসাইকেলের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নতুন করে অগ্রিম আয়কর আরোপের বিষয়ে আলোচনা চলছে। এতে সাধারণ ব্যবহারকারী, রাইড শেয়ার চালক এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ আর্থিক চাপে পড়বেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

আরও পড়ুনঃ  কর্ণফুলী নদীর পাড়ে চলছে বড় নির্মাণকাজ, স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন

স্মারকলিপিতে বলা হয়, প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী ১১১-১২৫ সিসির মোটরসাইকেলের জন্য বছরে ২ হাজার টাকা, ১২৬-১৬৫ সিসির জন্য ৫ হাজার টাকা এবং ১৬৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর নির্ধারণের চিন্তা করা হচ্ছে।

বাইকারদের পক্ষে স্মারকলিপি জমা দেন এ কে এম ইমন। তিনি বলেন, প্রতিবেশী ভারত–এ যে মোটরসাইকেল প্রায় ১ লাখ টাকায় পাওয়া যায়, বাংলাদেশে একই মোটরসাইকেল কিনতে প্রায় তিনগুণ বেশি খরচ হয়। তার দাবি, মোটরসাইকেল এখন আর বিলাসপণ্য নয়; বরং এটি সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় যানবাহনে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  কল্যাণপুরে বাস-লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, বর্তমানে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং রাইড শেয়ারিং সেবার সঙ্গে যুক্ত হাজারো মানুষ জীবিকা ও দৈনন্দিন যাতায়াতের জন্য মোটরসাইকেলের ওপর নির্ভরশীল। নতুন কর আরোপ করা হলে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যাবে।

নারী ব্যবহারকারীদের বিষয়টিও তুলে ধরেন আন্দোলনকারীরা। তাদের বক্তব্য, গণপরিবহনে নিরাপত্তাহীনতা ও হয়রানির কারণে অনেক নারী ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল ব্যবহার করছেন। অতিরিক্ত কর আরোপ নারীদের স্বাধীন চলাচলেও প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের জরুরি নির্দেশনা

বাইকারদের দাবি, মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা ইতোমধ্যেই নিবন্ধন ফি, রোড ট্যাক্স, ফিটনেস, বিমা ও জ্বালানির ওপর বিভিন্ন ধরনের কর পরিশোধ করছেন। এর সঙ্গে নতুন করে অগ্রিম আয়কর যোগ হলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে।

তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, মোটরসাইকেলকে বিলাসপণ্য হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় পরিবহন হিসেবে বিবেচনা করে প্রস্তাবিত কর পুনর্বিবেচনা করা উচিত।