ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

যে ৭ টি বিষয় থেকে বেঁচে থাকতে বলেছেন মহানবী (সা.)

  • Arif
  • আপডেটের সময়: ০২:২২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ সময় দেখুন

বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, ধ্বংসাত্মক সাত ধরণের বিষয় থেকে তোমরা বেঁচে থাকবে। লোকজন জিজ্ঞেস করল, ইয়া রাসুলাল্লাহ, সেগুলো কী? মহানবী (সা.) বললেন, এক. আল্লাহর সাথে শিরক করা।

দুই. জাদু করা। তিন. বিনা কারণে, আল্লাহ যা হারাম করেছেন এমন কাউকে হত্যা করা। চার. সুদ খাওয়া। পাঁচ. ইয়াতিমের সম্পদ গ্রাস করা।

ছয়. যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন করা। সাত. সতী ও মুমিন নারীর ওপর অপবাদ আরোপ করা। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৭৬৬, সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৬২)
হাদিসের শিক্ষা ও বিধান

আরও পড়ুনঃ  সীমান্ত সুরক্ষায় দুই বছরের মধ্যে অত্যাধুনিক ড্রোন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১. আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক করা সবচেয়ে বড় গুনাহ। ইবাদত, দোয়া, সাহায্য প্রার্থনা ও চূড়ান্ত আনুগত্য একমাত্র আল্লাহর জন্য নির্ধারিত।

তাই তাওহিদকে জীবনের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
২. ইসলাম জাদু ও এর চর্চাকে কঠোরভাবে নিষেধ করেছে। বিপদে পড়ে জাদুকর, গণক বা তন্ত্র-মন্ত্রের আশ্রয় না নিয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা করতে হবে এবং শরিয়তসম্মত দোয়া-রুকইয়া গ্রহণ করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জন্য দোয়া, বিশেষ বাহিনী গঠনেও শর্তসাপেক্ষ সমর্থন শফিকুর রহমানের

৩. অন্যায়ভাবে একজন নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা মারাত্মক অপরাধ। ইসলামে মানুষের জীবন, রক্ত ও নিরাপত্তার প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তাই রাগ, প্রতিহিংসা কিংবা স্বার্থের কারণে কারও জীবন নষ্ট করা যাবে না।
৪. সুদ থেকে বেঁচে থাকা জরুরি। কেননা সুদ ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের অর্থনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট করে।

আরও পড়ুনঃ  ক্ষমতায় গেলে বিএনপির বেকার নেতাকর্মীদের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ: কিরন

৫. ইয়াতিমের সম্পদের ব্যাপারে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। কেননা অসহায় এতিমের সম্পদ আত্মসাৎ করা শুধু অর্থনৈতিক অপরাধ নয়; এটি একজন দুর্বল মানুষের অধিকার হরণ।

৬. দায়িত্বের সময় কাপুরুষতা দেখানো যাবে না। তাই ন্যায় ও দায়িত্বের ক্ষেত্রে মুমিনের মধ্যে সাহস, দৃঢ়তা ও দায়িত্বশীলতা থাকা উচিত।

৭. নিরপরাধ মানুষের চরিত্রহনন থেকে বেঁচে থাকতে হবে। বিশেষ করে সতী-সাধ্বী মুমিন নারীর বিরুদ্ধে ব্যভিচারের অপবাদ দেওয়া অত্যন্ত ভয়াবহ অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

যে ৭ টি বিষয় থেকে বেঁচে থাকতে বলেছেন মহানবী (সা.)

আপডেটের সময়: ০২:২২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, ধ্বংসাত্মক সাত ধরণের বিষয় থেকে তোমরা বেঁচে থাকবে। লোকজন জিজ্ঞেস করল, ইয়া রাসুলাল্লাহ, সেগুলো কী? মহানবী (সা.) বললেন, এক. আল্লাহর সাথে শিরক করা।

দুই. জাদু করা। তিন. বিনা কারণে, আল্লাহ যা হারাম করেছেন এমন কাউকে হত্যা করা। চার. সুদ খাওয়া। পাঁচ. ইয়াতিমের সম্পদ গ্রাস করা।

ছয়. যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন করা। সাত. সতী ও মুমিন নারীর ওপর অপবাদ আরোপ করা। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৭৬৬, সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৬২)
হাদিসের শিক্ষা ও বিধান

আরও পড়ুনঃ  ইরানকে চাপে ফেলতে ট্রাম্পের নতুন কৌশল, পাশে থাকবে কি চীন?

১. আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক করা সবচেয়ে বড় গুনাহ। ইবাদত, দোয়া, সাহায্য প্রার্থনা ও চূড়ান্ত আনুগত্য একমাত্র আল্লাহর জন্য নির্ধারিত।

তাই তাওহিদকে জীবনের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
২. ইসলাম জাদু ও এর চর্চাকে কঠোরভাবে নিষেধ করেছে। বিপদে পড়ে জাদুকর, গণক বা তন্ত্র-মন্ত্রের আশ্রয় না নিয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা করতে হবে এবং শরিয়তসম্মত দোয়া-রুকইয়া গ্রহণ করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  সীমান্ত সুরক্ষায় দুই বছরের মধ্যে অত্যাধুনিক ড্রোন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৩. অন্যায়ভাবে একজন নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা মারাত্মক অপরাধ। ইসলামে মানুষের জীবন, রক্ত ও নিরাপত্তার প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তাই রাগ, প্রতিহিংসা কিংবা স্বার্থের কারণে কারও জীবন নষ্ট করা যাবে না।
৪. সুদ থেকে বেঁচে থাকা জরুরি। কেননা সুদ ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের অর্থনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট করে।

আরও পড়ুনঃ  গণভোটের রায় না মানায় বিএনপি সরকারকে ডা. শফিকুর রহমানের হুঁশিয়ারি

৫. ইয়াতিমের সম্পদের ব্যাপারে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। কেননা অসহায় এতিমের সম্পদ আত্মসাৎ করা শুধু অর্থনৈতিক অপরাধ নয়; এটি একজন দুর্বল মানুষের অধিকার হরণ।

৬. দায়িত্বের সময় কাপুরুষতা দেখানো যাবে না। তাই ন্যায় ও দায়িত্বের ক্ষেত্রে মুমিনের মধ্যে সাহস, দৃঢ়তা ও দায়িত্বশীলতা থাকা উচিত।

৭. নিরপরাধ মানুষের চরিত্রহনন থেকে বেঁচে থাকতে হবে। বিশেষ করে সতী-সাধ্বী মুমিন নারীর বিরুদ্ধে ব্যভিচারের অপবাদ দেওয়া অত্যন্ত ভয়াবহ অপরাধ।