ঢাকা ০৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
এআই দিয়ে বানানো সব ভিডিওতে আর আয় নয়, ইউটিউব আনল নতুন মনিটাইজেশন নীতিমালা মেসেজে ‘কবুল’ বললেই কি বিয়ে সম্পন্ন হয়? ইসলাম কী বলছে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের অভিযোগ, ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন চাইলেন হাইকোর্ট সরকারের আশ্বাসে আপাতত কর্মসূচি স্থগিত ককরোচ জনতা পার্টির দক্ষিণ আফ্রিকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু, হাসপাতালে একজন হাইকোর্টে খারিজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন বাতিলের রিট মাদক নির্মূলে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান মির্জা ফখরুলের দেশীয় প্রযুক্তির চিকিৎসা যন্ত্রে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা, স্বাস্থ্য খাতে গবেষণায় সর্বোচ্চ গুরুত্বের ঘোষণা জাপানে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি বাংলাদেশের বস্ত্রখাতে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

রান্না করে মানুষকে খাওয়াতে ভালোবাসতেন আর ডি বর্মন, স্মৃতিচারণে কুমার শানু

শেকড় বাংলাদেশে, আর প্রভাব পুরো ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে। কিংবদন্তি সুরকার ও সংগীত পরিচালক রাহুল দেব বর্মণ (আর ডি বর্মন) আজও সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে অম্লান। বাংলা ও হিন্দি গানের জগতে তার অসামান্য অবদান তাকে এনে দিয়েছে কালজয়ী শিল্পীর মর্যাদা।

আর ডি বর্মনের জন্মদিন উপলক্ষে স্মৃতির ঝাঁপি খুলেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কুমার শানু। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক স্মৃতিচারণে তিনি তুলে ধরেছেন প্রিয় শিল্পীর কিছু অজানা ও মানবিক দিক।

কুমার শানুর ভাষায়, আর ডি বর্মনের বাঙালিয়ানার প্রতি ছিল গভীর টান। বাংলায় কথা বলতে তিনি ভীষণ আনন্দ পেতেন। শুধু তাই নয়, বাঙালি খাবারের প্রতিও ছিল তার বিশেষ অনুরাগ। অত্যন্ত প্রাণখোলা ও হাসিখুশি স্বভাবের মানুষ ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  বিজ্ঞাপনের চুক্তির প্রলোভনে ডেকে নির্যাতনের অভিযোগ, থানায় অভিনেত্রী স্নিগ্ধার মামলা

সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি শানুর মনে দাগ কেটেছে, তা হলো মানুষের প্রতি আর ডি বর্মনের আন্তরিকতা। তিনি নিজ হাতে রান্না করে অতিথিদের খাওয়াতে ভালোবাসতেন। বিশেষ করে তার রান্না করা মাটনের স্বাদ আজও ভুলতে পারেননি কুমার শানু।

শানু স্মৃতিচারণ করে বলেন—

“আমি যখনই তার কাছে যেতাম, তিনি খুব আপন করে নিতেন। শুধু আমাকে নয়, আশপাশের সবাইকে আন্তরিকভাবে আপ্যায়ন করতেন। এ কারণেই তিনি অন্যদের থেকে আলাদা ছিলেন।”

শৈশব থেকেই আর ডি বর্মনের গানের ভক্ত ছিলেন কুমার শানু। মুম্বাইয়ে ক্যারিয়ারের শুরুতে বিভিন্ন স্টুডিওতে নিজের গানের রেকর্ড নিয়ে ঘুরতেন তিনি। একদিন সেভাবেই দেখা হয়ে যায় আর ডি বর্মনের সঙ্গে।

আরও পড়ুনঃ  ‘আমার আল্লাহ ছাড়া কাউকে কিছু প্রমাণ করতে চাই না’

প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতি মনে করে শানু বলেন, তিনি পঞ্চমদার পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেছিলেন। আর ডি বর্মন বুঝতে পেরেছিলেন তিনি বাঙালি। বাংলাতেই বলেছিলেন, “বসো, রেকর্ডিং দেখো।” এরপর থেকে সুযোগ পেলেই তার রেকর্ডিং সেশনে উপস্থিত থাকতেন শানু এবং কাছ থেকে দেখতেন একজন কিংবদন্তি সুরকারের কাজের ধরন।

আরও পড়ুনঃ  ‘পথের পাঁচালী’ দেখে মুগ্ধ নোলান, সত্যজিৎ রায়কে বললেন কিংবদন্তি নির্মাতা

পরে আর ডি বর্মনের সুরেই ‘১৯৪২: আ লাভ স্টোরি’ চলচ্চিত্রে গেয়েছিলেন কুমার শানু। ছবির জনপ্রিয় গান ‘এক লড়কি কো দেখা তো অ্যায়সা লাগা’ আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে সমানভাবে জায়গা করে আছে। কুমার শানু জানান, এখনও বিভিন্ন মঞ্চে গানটি পরিবেশন করে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন তার প্রিয় ‘পঞ্চমদা’কে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

এআই দিয়ে বানানো সব ভিডিওতে আর আয় নয়, ইউটিউব আনল নতুন মনিটাইজেশন নীতিমালা

রান্না করে মানুষকে খাওয়াতে ভালোবাসতেন আর ডি বর্মন, স্মৃতিচারণে কুমার শানু

আপডেটের সময়: ০৫:১২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

শেকড় বাংলাদেশে, আর প্রভাব পুরো ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে। কিংবদন্তি সুরকার ও সংগীত পরিচালক রাহুল দেব বর্মণ (আর ডি বর্মন) আজও সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে অম্লান। বাংলা ও হিন্দি গানের জগতে তার অসামান্য অবদান তাকে এনে দিয়েছে কালজয়ী শিল্পীর মর্যাদা।

আর ডি বর্মনের জন্মদিন উপলক্ষে স্মৃতির ঝাঁপি খুলেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কুমার শানু। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক স্মৃতিচারণে তিনি তুলে ধরেছেন প্রিয় শিল্পীর কিছু অজানা ও মানবিক দিক।

কুমার শানুর ভাষায়, আর ডি বর্মনের বাঙালিয়ানার প্রতি ছিল গভীর টান। বাংলায় কথা বলতে তিনি ভীষণ আনন্দ পেতেন। শুধু তাই নয়, বাঙালি খাবারের প্রতিও ছিল তার বিশেষ অনুরাগ। অত্যন্ত প্রাণখোলা ও হাসিখুশি স্বভাবের মানুষ ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  ‘আমার আল্লাহ ছাড়া কাউকে কিছু প্রমাণ করতে চাই না’

সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি শানুর মনে দাগ কেটেছে, তা হলো মানুষের প্রতি আর ডি বর্মনের আন্তরিকতা। তিনি নিজ হাতে রান্না করে অতিথিদের খাওয়াতে ভালোবাসতেন। বিশেষ করে তার রান্না করা মাটনের স্বাদ আজও ভুলতে পারেননি কুমার শানু।

শানু স্মৃতিচারণ করে বলেন—

“আমি যখনই তার কাছে যেতাম, তিনি খুব আপন করে নিতেন। শুধু আমাকে নয়, আশপাশের সবাইকে আন্তরিকভাবে আপ্যায়ন করতেন। এ কারণেই তিনি অন্যদের থেকে আলাদা ছিলেন।”

শৈশব থেকেই আর ডি বর্মনের গানের ভক্ত ছিলেন কুমার শানু। মুম্বাইয়ে ক্যারিয়ারের শুরুতে বিভিন্ন স্টুডিওতে নিজের গানের রেকর্ড নিয়ে ঘুরতেন তিনি। একদিন সেভাবেই দেখা হয়ে যায় আর ডি বর্মনের সঙ্গে।

আরও পড়ুনঃ  বিজ্ঞাপনের চুক্তির প্রলোভনে ডেকে নির্যাতনের অভিযোগ, থানায় অভিনেত্রী স্নিগ্ধার মামলা

প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতি মনে করে শানু বলেন, তিনি পঞ্চমদার পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেছিলেন। আর ডি বর্মন বুঝতে পেরেছিলেন তিনি বাঙালি। বাংলাতেই বলেছিলেন, “বসো, রেকর্ডিং দেখো।” এরপর থেকে সুযোগ পেলেই তার রেকর্ডিং সেশনে উপস্থিত থাকতেন শানু এবং কাছ থেকে দেখতেন একজন কিংবদন্তি সুরকারের কাজের ধরন।

আরও পড়ুনঃ  ‘পথের পাঁচালী’ দেখে মুগ্ধ নোলান, সত্যজিৎ রায়কে বললেন কিংবদন্তি নির্মাতা

পরে আর ডি বর্মনের সুরেই ‘১৯৪২: আ লাভ স্টোরি’ চলচ্চিত্রে গেয়েছিলেন কুমার শানু। ছবির জনপ্রিয় গান ‘এক লড়কি কো দেখা তো অ্যায়সা লাগা’ আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে সমানভাবে জায়গা করে আছে। কুমার শানু জানান, এখনও বিভিন্ন মঞ্চে গানটি পরিবেশন করে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন তার প্রিয় ‘পঞ্চমদা’কে।