দীর্ঘ ১৪ বছর পর লা লিগায় ফেরা রেসিং স্যান্টান্ডারকে গোলবন্যায় ভাসিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা। ঘরের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে ৭-২ গোলের জয়ে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করেছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনিয়া।
ম্যাচজুড়েই প্রতিপক্ষের ওপর আধিপত্য ধরে রাখে হ্যান্সি ফ্লিকের দল। রাফিনিয়ার তিন গোলের পাশাপাশি বার্সেলোনার হয়ে একটি করে গোল করেছেন জোয়াও ক্যান্সেলো, গ্যাব্রিয়েল জেসুস ও লামিনে ইয়ামাল। আর একটি গোল এসেছে রেসিংয়ের এক খেলোয়াড়ের আত্মঘাতী অবদানে।
অষ্টম মিনিটেই ২৫ গজ দূর থেকে ক্যান্সেলোর জোরালো শটে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। এরপর ২২ মিনিটে রাফিনিয়া ফাউলের শিকার হলে পাওয়া পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি।
৩০ মিনিটে মাগুয়েত গেয়ির কোনাকুনি শটে রেসিং ব্যবধান কমালেও ছয় মিনিট পর আত্মঘাতী গোলে আবার এগিয়ে যায় বার্সা। ৪২ মিনিটে দানি ওলমোর পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোল করেন রাফিনিয়া।
বিরতির আগে আরও একটি পেনাল্টি পায় বার্সেলোনা। তবে লামিনে ইয়ামালের শট ঠেকিয়ে দেন রেসিং গোলরক্ষক। দ্বিতীয়ার্ধে ইয়ামালের আরেকটি শট পোস্টে লাগে।
৬৫ মিনিটে বার্সেলোনার গোলরক্ষক ভয়চেক সেজনির ভুলের সুযোগ নিয়ে ইয়াসির জাবিরি রেসিংয়ের দ্বিতীয় গোলটি করেন। এরপর আবারও পেনাল্টি পায় বার্সা। ৬৯ মিনিটে স্পট কিক থেকে গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন রাফিনিয়া। চলতি লা লিগায় এটি তার নবম এবং সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১১তম গোল।
৭৯ মিনিটে লামিনে ইয়ামালের থ্রু পাস থেকে বাঁকানো শটে বার্সার হয়ে নিজের প্রথম লা লিগা গোল করেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস। এরপর ৮৯ মিনিটে আদেয়েমির কাটব্যাক থেকে গোল করে ব্যবধান ৭-২ করেন ইয়ামাল। লা লিগায় টানা চার ম্যাচে গোল পেলেন তিনি।
ছয় ম্যাচের সবকটিতে জয় নিয়ে ১৮ পয়েন্টে লিগের শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা। ১৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রিয়াল মাদ্রিদ। ৭ পয়েন্ট নিয়ে রেসিং স্যান্টান্ডারের অবস্থান দশম।
প্রতিবেদকের নাম 




















