ঢাকা ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নবম শ্রেণিতে ভালো ফল, ছেলেকে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকার বিএমডব্লিউ উপহার মাদরাসা শিক্ষককে চড় মারা রুমির নতুন ভিডিও, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি ট্রাম্পকে হত্যার হুমকির অভিযোগ, হোয়াইট হাউসের কাছে অস্ত্রসহ আটক ‘হ্যান্ডকাফ পরেই দেশে ফিরতে হবে হাসিনাকে’: প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এশিয়া কাপে জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ ‘কনসার্ট ফর সলিডারিটি’ ঘিরে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জনসমাগম পোল্যান্ডের পর্যটনকেন্দ্রে গুলি, নিহত ৫ বাস-ট্রাকে আগুন দিয়ে মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি মেনে নেবে না সরকার: শামা ওবায়েদ নান্দাইলে পিকআপ-ড্রাম ট্রাকের সংঘর্ষ, নিহত ২ বাংলাদেশের প্রথম এআই সিনেমায় অভিনয়ে সিনথিয়া
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

শ্রমিক অসন্তোষে পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা, একদিনে ৬৮১ কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৮:৪১:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ৩১ সময় দেখুন

মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও কর্মবিরতির কারণে সোমবার বিভিন্ন শিল্প এলাকায় অন্তত ৬৮১টি কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। এর মধ্যে ৬৭৯টি তৈরি পোশাক কারখানা। আগের দিন রোববার উৎপাদন ব্যাহত হয়েছিল ৫২৯টি পোশাক কারখানায়।

গত সপ্তাহ থেকে সাভার, গাজীপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বেতন বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করছেন শ্রমিকেরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে রোববার পোশাকশ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করে শ্রম মন্ত্রণালয়। তবে বোর্ড গঠনের পরও শ্রমিক অসন্তোষ কমেনি।

আরও পড়ুনঃ  দীর্ঘ বিরতির পর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক বাড়লেও পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা

সোমবার গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করেন। কোথাও কোথাও পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এতে শিল্পাঞ্চলের স্বাভাবিক পরিবেশ ও উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, সোমবার ৬৭৯টি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা কাজ না করে কারখানা থেকে বেরিয়ে যান। এর মধ্যে মিরপুরের ৬৫টি এবং গাজীপুরের ৩৮২টি কারখানা রয়েছে। এ ছাড়া সাভার, আশুলিয়া ও জিরানি এলাকার কারখানাও উৎপাদন কার্যক্রমের বাইরে ছিল। এসব কারখানায় কর্মরত শ্রমিকের মোট সংখ্যা ১৬ লাখ ৯২ হাজার ৭৮২ জন।

আরও পড়ুনঃ  কপ৩১ সম্মেলনে ঋণ নয়, অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন চাইবে বাংলাদেশ

পোশাকশিল্পের বাইরেও আন্দোলনের প্রভাব পড়েছে অন্যান্য কারখানায়। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি দেশীয় জুতার কারখানায় সকালে উৎপাদন শুরু হলেও আন্দোলনকারীদের চাপে সকাল ৯টার দিকে শ্রমিকদের ছুটি দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে আশুলিয়ার পিকার্ড বাংলাদেশের উৎপাদনও ব্যাহত হয়েছে।

শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবার সকালে সচিবালয়ে মালিকপক্ষের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে বিকেলে শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

আরও পড়ুনঃ  ভারত সিরিজের আগে নিউজিল্যান্ডের শিবিরে চোটের ধাক্কা, অনুশীলনে মাথায় আঘাত কনওয়ের

এদিকে বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, কারখানা বন্ধ রাখার কোনো ইচ্ছা মালিকদের নেই। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। মঙ্গলবার কারখানাগুলো চালু রাখার চেষ্টা করবেন তাঁরা। তবে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, শ্রমিকনেতাসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং শিল্পাঞ্চলে স্বাভাবিক উৎপাদন কার্যক্রম ফিরে আসবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

নবম শ্রেণিতে ভালো ফল, ছেলেকে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকার বিএমডব্লিউ উপহার

শ্রমিক অসন্তোষে পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা, একদিনে ৬৮১ কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত

আপডেটের সময়: ০৮:৪১:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও কর্মবিরতির কারণে সোমবার বিভিন্ন শিল্প এলাকায় অন্তত ৬৮১টি কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। এর মধ্যে ৬৭৯টি তৈরি পোশাক কারখানা। আগের দিন রোববার উৎপাদন ব্যাহত হয়েছিল ৫২৯টি পোশাক কারখানায়।

গত সপ্তাহ থেকে সাভার, গাজীপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বেতন বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করছেন শ্রমিকেরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে রোববার পোশাকশ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করে শ্রম মন্ত্রণালয়। তবে বোর্ড গঠনের পরও শ্রমিক অসন্তোষ কমেনি।

আরও পড়ুনঃ  কপ৩১ সম্মেলনে ঋণ নয়, অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন চাইবে বাংলাদেশ

সোমবার গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করেন। কোথাও কোথাও পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এতে শিল্পাঞ্চলের স্বাভাবিক পরিবেশ ও উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, সোমবার ৬৭৯টি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা কাজ না করে কারখানা থেকে বেরিয়ে যান। এর মধ্যে মিরপুরের ৬৫টি এবং গাজীপুরের ৩৮২টি কারখানা রয়েছে। এ ছাড়া সাভার, আশুলিয়া ও জিরানি এলাকার কারখানাও উৎপাদন কার্যক্রমের বাইরে ছিল। এসব কারখানায় কর্মরত শ্রমিকের মোট সংখ্যা ১৬ লাখ ৯২ হাজার ৭৮২ জন।

আরও পড়ুনঃ  ভারত সিরিজের আগে নিউজিল্যান্ডের শিবিরে চোটের ধাক্কা, অনুশীলনে মাথায় আঘাত কনওয়ের

পোশাকশিল্পের বাইরেও আন্দোলনের প্রভাব পড়েছে অন্যান্য কারখানায়। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি দেশীয় জুতার কারখানায় সকালে উৎপাদন শুরু হলেও আন্দোলনকারীদের চাপে সকাল ৯টার দিকে শ্রমিকদের ছুটি দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে আশুলিয়ার পিকার্ড বাংলাদেশের উৎপাদনও ব্যাহত হয়েছে।

শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবার সকালে সচিবালয়ে মালিকপক্ষের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে বিকেলে শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

আরও পড়ুনঃ  দীর্ঘ বিরতির পর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক বাড়লেও পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা

এদিকে বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, কারখানা বন্ধ রাখার কোনো ইচ্ছা মালিকদের নেই। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। মঙ্গলবার কারখানাগুলো চালু রাখার চেষ্টা করবেন তাঁরা। তবে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, শ্রমিকনেতাসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং শিল্পাঞ্চলে স্বাভাবিক উৎপাদন কার্যক্রম ফিরে আসবে।