
দেশের এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) বাজারে বেসরকারি সিন্ডিকেট ভাঙতে বড় পরিসরে সরাসরি বাজারে প্রবেশের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাইপলাইনে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সংকট আরও তীব্র হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রান্নার জ্বালানি হিসেবে এলপিজির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে।
এ অবস্থায় বাজার নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে মোংলা ও এলেঙ্গায় নতুন বোটলিং প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে সরকারি পর্যায়ে এলপিজি সরবরাহ শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে বিপিসি। পাশাপাশি আগামী দেড় বছরের মধ্যে এই কার্যক্রম বড় পরিসরে সম্প্রসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, দেশে প্রতিমাসে ১ লাখ ৬০ হাজার টনের বেশি এলপিজি ব্যবহৃত হয়, যার বড় অংশই নিয়ন্ত্রণ করে বেসরকারি কয়েকটি কোম্পানি। এই আধিপত্য কমাতেই সরকারি উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিপিসির পরিকল্পনায় আরও রয়েছে মাতারবাড়ীতে ল্যান্ডবেইজড এলপিজি টার্মিনাল, ভাসমান টার্মিনাল এবং চট্টগ্রামে বড় আকারের মজুত সুবিধা গড়ে তোলা, যাতে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি সরবরাহ নিরাপদ রাখা যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্যাস সংকট বাড়তে থাকায় এলপিজি নির্ভরতা আরও বৃদ্ধি পাবে, ফলে বাজারে সরকারি অংশগ্রহণ বাড়ানোকে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















