
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি সৌদি আরামকোতে হুতিদের হামলায় বিশ্বজুড়ে নতুন করে জ্বালানি সংকটের তীব্র শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও এক দফা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বাংলাদেশেও।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে অপরিশোধিত তেল আমদানি সরাসরি বাধাগ্রস্ত হতে পারে। বাংলাদেশে বছরে সাড়ে ৭ লাখ টন ‘অ্যারাবিয়ান লাইট ক্রুড’ আসে সৌদি আরামকো থেকে। সরবরাহ বন্ধ হলে বিকল্প উৎস থেকে উচ্চদামে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করতে হবে, যা দেশের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি করবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতার মধ্যেও সৌদি আরবের তেল উৎপাদন পরিস্থিতিকে কিছুটা স্থিতিশীল রাখছিল। তবে আরামকোতে সরাসরি হামলার কারণে আঞ্চলিক শিপিং রুট, ফ্রেইট চার্জ এবং বিমা ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজার অস্থির হয়ে উঠতে পারে। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৬.৫৮ ডলারে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ৯৪.৯৪ ডলারে গিয়ে পৌঁছেছে।
প্রতিবেদকের নাম 





















