আগামী ২০ অক্টোবর চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর এই সফরকে কেন্দ্র করে প্রশাসন ও বিএনপির পক্ষ থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফর চূড়ান্ত হয়েছে। সফর সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তুতি চলছে।
সফরসূচি অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রধানমন্ত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। সেখান থেকে তিনি রহমতগঞ্জের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপের উদ্দেশে রওনা হবেন। সন্ধ্যা ৬টায় পূজামণ্ডপটি পরিদর্শন করবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে পৌঁছে কিছু সময় অবস্থান করবেন। রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার কথা রয়েছে তাঁর। এর আগে প্রধানমন্ত্রী রংপুর ও রাজশাহী সফর করবেন।
শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থ বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময় করতে প্রথমবারের মতো কোনো প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে আসছেন। তাঁর মতে, এই সফর চট্টগ্রামের জন্য গর্বের এবং দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। ‘রেইনবো নেশন’ গড়ে তোলার ভাবনার সঙ্গে এই সফরের সম্পর্ক রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নগরের রহমতগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত জেএম সেন হল প্রাঙ্গণ চট্টগ্রামে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। প্রতিবছর এখানে কেন্দ্রীয়ভাবে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি থাকে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন। ফলে স্থানটি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মিলনস্থলে পরিণত হয়।
ঐতিহাসিক এই জেএম সেন হল ১৯২০ সালে দেশপ্রিয় যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত তাঁর বাবা যাত্রীমোহন সেনগুপ্তের স্মরণে প্রতিষ্ঠা করেন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, রাজনৈতিক সংগ্রাম ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে স্থানটির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















