ঢাকা ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
জামায়াতকে নিষিদ্ধের তিন দিনের মাথায় সরকার পালাতে বাধ্য হয়েছিল: ডা. শফিকুর রহমান পাকিস্তানে কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ৩২ বাঁশখালীতে মৎস্যঘের দখল নিয়ে গোলাগুলি, নিহত ১ শিক্ষার্থীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী সাময়িক বরখাস্ত রাজধানীর পাশে কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির কারখানায় র‌্যাবের অভিযান, আটক ৪ ফিফার নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে বাংলাদেশের গ্রুপেই খেলবে নেপাল ধান রোপণের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষি শ্রমিকের মৃত্যু জুলাইয়ের অর্জন ১৮ কোটি মানুষের, কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়: জামায়াত আমির পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণ, নিহত ৩৪ শ্রমিক ১২ বছরের সেই শিশুর গর্ভে জন্ম নেওয়া নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

হার্টের রোগ নিয়ে ১০টি ভুল ধারণা, যেগুলো হতে পারে প্রাণঘাতী

বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হার্টের রোগ। তবে এই রোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনো অনেক ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। অনেকেই মনে করেন তারা ঝুঁকির বাইরে, বিশেষ করে বয়স কম বা বাইরে থেকে সুস্থ দেখালে। কিন্তু বাস্তবে হার্টের স্বাস্থ্য নির্ভর করে জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ এবং পারিবারিক ইতিহাসের ওপর।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ভুল ধারণা উপেক্ষা করলে অকালেই বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। নিচে হার্টের রোগ নিয়ে প্রচলিত ১০টি ভুল ধারণা তুলে ধরা হলো—


১. হার্টের রোগ শুধু বয়স্কদের হয়

এটি একটি সাধারণ ভুল ধারণা। অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, ব্যায়ামের অভাব এবং মানসিক চাপের কারণে তরুণ বয়সেও হার্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  দাবি পূরণের আশ্বাসে অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির ধর্মঘট প্রত্যাহার

২. শুধু পুরুষরাই বেশি ঝুঁকিতে

নারীরাও হার্টের রোগে আক্রান্ত হতে পারেন এবং অনেক সময় তাদের উপসর্গ ভিন্ন হওয়ায় দেরিতে শনাক্ত হয়, যা ঝুঁকি বাড়ায়।


৩. উপসর্গ না থাকলে হার্ট সম্পূর্ণ সুস্থ

উচ্চ রক্তচাপ বা কোলেস্টেরল অনেক সময় নীরবে বাড়ে। প্রথম লক্ষণই হতে পারে গুরুতর হার্ট অ্যাটাক।


৪. পরিবারে হার্টের রোগ না থাকলে ঝুঁকি নেই

জীবনযাপনই বড় ভূমিকা রাখে। অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস থাকলে যে কেউ ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

আরও পড়ুনঃ  ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৫৩৪

৫. শুধু বুকে ব্যথাই হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ

বুকে ব্যথার পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট, বমিভাব, অতিরিক্ত ক্লান্তি বা ঘাড়ে ব্যথাও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ।


৬. রোগা মানুষদের হার্টের সমস্যা হয় না

শরীরের গঠন নয়, বরং খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারাই হার্টের ঝুঁকি নির্ধারণ করে।


৭. শুধু ওষুধেই হার্ট ভালো থাকে

ওষুধ গুরুত্বপূর্ণ হলেও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, ব্যায়াম ও খাদ্য নিয়ন্ত্রণও সমান জরুরি।


৮. সব ধরনের ফ্যাট ক্ষতিকর

সব ফ্যাট খারাপ নয়। বাদাম, অলিভ অয়েল ও অ্যাভোকাডোর মতো ভালো ফ্যাট হার্টের জন্য উপকারী।

আরও পড়ুনঃ  গ্যাস সংকট সমাধানে মালয়েশিয়ার সহায়তার আশ্বাস, তারেক রহমানের সঙ্গে আনোয়ার ইব্রাহিমের আলোচনা

৯. উচ্চ রক্তচাপ সহজেই বোঝা যায়

উচ্চ রক্তচাপ অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই বাড়ে, তাই এটি ‘নীরব ঘাতক’ নামে পরিচিত।


১০. হার্টের রোগ থাকলে ব্যায়াম করা বিপজ্জনক

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক ব্যায়াম হার্টকে আরও শক্তিশালী করে এবং ঝুঁকি কমায়।


বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভুল ধারণাগুলো দূর করে সচেতন জীবনযাপন শুরু করাই হার্টের রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সুষম খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক সক্রিয়তা হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সুস্থ হার্ট মানেই সুস্থ জীবন—তাই আজ থেকেই সচেতনতা শুরু করা জরুরি।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

জামায়াতকে নিষিদ্ধের তিন দিনের মাথায় সরকার পালাতে বাধ্য হয়েছিল: ডা. শফিকুর রহমান

হার্টের রোগ নিয়ে ১০টি ভুল ধারণা, যেগুলো হতে পারে প্রাণঘাতী

আপডেটের সময়: ১২:২৭:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হার্টের রোগ। তবে এই রোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনো অনেক ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। অনেকেই মনে করেন তারা ঝুঁকির বাইরে, বিশেষ করে বয়স কম বা বাইরে থেকে সুস্থ দেখালে। কিন্তু বাস্তবে হার্টের স্বাস্থ্য নির্ভর করে জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ এবং পারিবারিক ইতিহাসের ওপর।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ভুল ধারণা উপেক্ষা করলে অকালেই বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। নিচে হার্টের রোগ নিয়ে প্রচলিত ১০টি ভুল ধারণা তুলে ধরা হলো—


১. হার্টের রোগ শুধু বয়স্কদের হয়

এটি একটি সাধারণ ভুল ধারণা। অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, ব্যায়ামের অভাব এবং মানসিক চাপের কারণে তরুণ বয়সেও হার্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  দরুদ পড়লে যেভাবে দূর হয় দুশ্চিন্তা

২. শুধু পুরুষরাই বেশি ঝুঁকিতে

নারীরাও হার্টের রোগে আক্রান্ত হতে পারেন এবং অনেক সময় তাদের উপসর্গ ভিন্ন হওয়ায় দেরিতে শনাক্ত হয়, যা ঝুঁকি বাড়ায়।


৩. উপসর্গ না থাকলে হার্ট সম্পূর্ণ সুস্থ

উচ্চ রক্তচাপ বা কোলেস্টেরল অনেক সময় নীরবে বাড়ে। প্রথম লক্ষণই হতে পারে গুরুতর হার্ট অ্যাটাক।


৪. পরিবারে হার্টের রোগ না থাকলে ঝুঁকি নেই

জীবনযাপনই বড় ভূমিকা রাখে। অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস থাকলে যে কেউ ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

আরও পড়ুনঃ  ‘বিশ্বকাপ কোনো পণ্য নয়, ফুটবল বিক্রির অধিকার ফিফার নেই’: উয়েফা

৫. শুধু বুকে ব্যথাই হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ

বুকে ব্যথার পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট, বমিভাব, অতিরিক্ত ক্লান্তি বা ঘাড়ে ব্যথাও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ।


৬. রোগা মানুষদের হার্টের সমস্যা হয় না

শরীরের গঠন নয়, বরং খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারাই হার্টের ঝুঁকি নির্ধারণ করে।


৭. শুধু ওষুধেই হার্ট ভালো থাকে

ওষুধ গুরুত্বপূর্ণ হলেও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, ব্যায়াম ও খাদ্য নিয়ন্ত্রণও সমান জরুরি।


৮. সব ধরনের ফ্যাট ক্ষতিকর

সব ফ্যাট খারাপ নয়। বাদাম, অলিভ অয়েল ও অ্যাভোকাডোর মতো ভালো ফ্যাট হার্টের জন্য উপকারী।

আরও পড়ুনঃ  এআই দিয়ে বানানো সব ভিডিওতে আর আয় নয়, ইউটিউব আনল নতুন মনিটাইজেশন নীতিমালা

৯. উচ্চ রক্তচাপ সহজেই বোঝা যায়

উচ্চ রক্তচাপ অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই বাড়ে, তাই এটি ‘নীরব ঘাতক’ নামে পরিচিত।


১০. হার্টের রোগ থাকলে ব্যায়াম করা বিপজ্জনক

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক ব্যায়াম হার্টকে আরও শক্তিশালী করে এবং ঝুঁকি কমায়।


বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভুল ধারণাগুলো দূর করে সচেতন জীবনযাপন শুরু করাই হার্টের রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সুষম খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক সক্রিয়তা হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সুস্থ হার্ট মানেই সুস্থ জীবন—তাই আজ থেকেই সচেতনতা শুরু করা জরুরি।