ঢাকা ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের সমালোচনা করলেও বর্তমানে কেউ গুম হচ্ছেন না: রিজভী যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্টকে প্রকাশ্যে হত্যা আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগ ও নবায়নে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্ত প্রক্সি দিয়ে লিখিত-মৌখিক পরীক্ষা, যোগদান করতে এসে ধরা একাদশ শ্রেণিতে যেসব কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তিতে নিষেধাজ্ঞা ম্যানসিটি ছেড়ে পর্তুগালে গেলেন আর্জেন্টাইন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার কাস্টমস গোয়েন্দার অভিযানে প্রায় কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ ২ মাস পর দেশে ফিরলেন শাকিব খান মেধাবীদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে আগামীর বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী শাহরুখের সঙ্গে রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয়ে ‘আপত্তি’ ঐশ্বরিয়ার
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

‘ড. ইউনূসের সময়ে ৩টি সিদ্ধান্তে সংকট তৈরি হয়েছে, ২ লাখ কোটি টাকা লুটের অভিযোগ’: তারেক রহমান

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:১৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৩ সময় দেখুন

 

ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে আমজনতার দলের সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান অভিযোগ করেছেন, ওই সময়ে অন্তত দুই লাখ কোটি টাকার সম্পদ লুটপাট হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া কয়েকটি সিদ্ধান্তকে ‘তিনটি ফাঁদ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সম্প্রতি রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন তিনি।

তারেক রহমানের দাবি, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে ৩৭টি সোলার প্রকল্প বাতিল, গ্যাসের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্যোগ বন্ধ এবং হামের প্রাদুর্ভাবের মতো ঘটনা পরবর্তী সরকারের জন্য বড় ধরনের সংকট তৈরি করেছে।

গ্যাসের তৃতীয় টার্মিনাল নিয়ে প্রশ্ন

গ্যাসের তৃতীয় টার্মিনাল প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ২০২৪ সালের ৩০ মার্চ সামিটকে বাংলাদেশে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। পরে অন্তর্বর্তী সরকার সেই উদ্যোগ বাতিল করে।

প্রকল্পটিতে দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে তার পরিমাণ কত ছিল এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন বা কাটছাঁট করে প্রকল্পটি চালু রাখা সম্ভব ছিল কি না—তা যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছিল কি না, সে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  আমিরাতের আকাশে ইরানের ড্রোন ধ্বংস, কঠিন জবাবের হুঁশিয়ারি

তারেক রহমান বলেন, নতুন করে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নিলে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে। ফলে আগের প্রকল্প বাতিলের কারণে দেশ সময় হারিয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করা প্রয়োজন।

৩৭টি সোলার প্রকল্প বাতিলের অভিযোগ

বিদ্যুৎ খাতের প্রসঙ্গে তারেক রহমান দাবি করেন, ৩৭টি সোলার প্রকল্প বাতিল করা হয়েছে। এসব প্রকল্পে অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংশোধন করে সেগুলো বাস্তবায়ন করা যেত কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

তার মতে, প্রকল্পগুলো বাতিলের ফলে ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ সরবরাহের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।

হামের প্রাদুর্ভাব নিয়েও প্রশ্ন

হামের প্রাদুর্ভাবের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, সংক্রামক রোগে বিশেষ করে শিশুমৃত্যু হলে তা জনমনে ক্ষোভ তৈরি করতে পারে। সেই ক্ষোভ পরবর্তী সরকারের ওপর পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  বিএনপিকে হুমকিদাতারা আজ দেশ ছেড়ে পলাতক: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি করে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

‘দুই লাখ কোটি টাকার সম্পদের হিসাব দিতে হবে’

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অন্তত দুই লাখ কোটি টাকার সম্পদ লুটপাটের অভিযোগ করেন তারেক রহমান। ওই অর্থের উৎস, ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে জনগণের সামনে পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশের দাবি জানান তিনি।

এ ছাড়া কোনো বিদেশি কোম্পানিকে বন্দর ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার আগে বন্দরের চার্জ ৬০ টাকা থেকে ৪১ টাকায় কমানো হয়ে থাকলে এর পেছনের কারণও তদন্তের দাবি জানান তিনি।

সামিট ও তৃতীয় টার্মিনাল প্রসঙ্গে প্রশ্ন

সামিটের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারেক রহমান। তার ভাষ্য, সামিটের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও বাংলাদেশে তাদের বিদ্যমান গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা বন্ধ করা হয়নি।

তাহলে তৃতীয় টার্মিনালের প্রকল্পটি কেন দেওয়া হয়নি—সে প্রশ্নও তোলেন তিনি। একই সঙ্গে প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত এক্সিলারেট এনার্জির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রভাব বা স্বার্থ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানান।

আরও পড়ুনঃ  নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা: মৃত ৭৫২, নিখোঁজ আড়াই হাজারের বেশি

গ্রামীণফোন, গ্রামীণ ব্যাংক ও এনজিও নিয়ে তদন্তের দাবি

ড. ইউনূসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক স্বার্থ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারেক রহমান।

গ্রামীণফোন, গ্রামীণ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট এনজিওগুলো কী ধরনের সুবিধা পেয়েছে, গ্রামীণ ব্যাংককে কত বছরের কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং এর পেছনে কী কারণ ছিল—এসব বিষয় তদন্তের দাবি জানান তিনি।

তারেক রহমান বলেন, দেশে গ্যাস ও বিদ্যুৎ কেনার অর্থের সংকট রয়েছে। তাই রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও অর্থ ব্যবস্থাপনায় কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি বা বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ঘটনা ঘটলে তার হিসাব নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ড. ইউনূসের সময়ে কে কী সুবিধা পেয়েছে, কীভাবে পেয়েছে এবং রাষ্ট্রের কী পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে—এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার।

কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং রাষ্ট্রের পাওনা অর্থ উদ্ধার করার দাবি জানান তিনি।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের সমালোচনা করলেও বর্তমানে কেউ গুম হচ্ছেন না: রিজভী

‘ড. ইউনূসের সময়ে ৩টি সিদ্ধান্তে সংকট তৈরি হয়েছে, ২ লাখ কোটি টাকা লুটের অভিযোগ’: তারেক রহমান

আপডেটের সময়: ১০:১৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে আমজনতার দলের সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান অভিযোগ করেছেন, ওই সময়ে অন্তত দুই লাখ কোটি টাকার সম্পদ লুটপাট হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া কয়েকটি সিদ্ধান্তকে ‘তিনটি ফাঁদ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সম্প্রতি রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন তিনি।

তারেক রহমানের দাবি, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে ৩৭টি সোলার প্রকল্প বাতিল, গ্যাসের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্যোগ বন্ধ এবং হামের প্রাদুর্ভাবের মতো ঘটনা পরবর্তী সরকারের জন্য বড় ধরনের সংকট তৈরি করেছে।

গ্যাসের তৃতীয় টার্মিনাল নিয়ে প্রশ্ন

গ্যাসের তৃতীয় টার্মিনাল প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ২০২৪ সালের ৩০ মার্চ সামিটকে বাংলাদেশে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। পরে অন্তর্বর্তী সরকার সেই উদ্যোগ বাতিল করে।

প্রকল্পটিতে দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে তার পরিমাণ কত ছিল এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন বা কাটছাঁট করে প্রকল্পটি চালু রাখা সম্ভব ছিল কি না—তা যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছিল কি না, সে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  আওয়ামী জামানায় জামায়াত কখনো সংসদ ভবনের আশপাশে গেছে?

তারেক রহমান বলেন, নতুন করে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নিলে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে। ফলে আগের প্রকল্প বাতিলের কারণে দেশ সময় হারিয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করা প্রয়োজন।

৩৭টি সোলার প্রকল্প বাতিলের অভিযোগ

বিদ্যুৎ খাতের প্রসঙ্গে তারেক রহমান দাবি করেন, ৩৭টি সোলার প্রকল্প বাতিল করা হয়েছে। এসব প্রকল্পে অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংশোধন করে সেগুলো বাস্তবায়ন করা যেত কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

তার মতে, প্রকল্পগুলো বাতিলের ফলে ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ সরবরাহের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।

হামের প্রাদুর্ভাব নিয়েও প্রশ্ন

হামের প্রাদুর্ভাবের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, সংক্রামক রোগে বিশেষ করে শিশুমৃত্যু হলে তা জনমনে ক্ষোভ তৈরি করতে পারে। সেই ক্ষোভ পরবর্তী সরকারের ওপর পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  ইজিবাইকের চাপে আট মাস ধরে বন্ধ জয়পুরহাট-আক্কেলপুর বাস চলাচল

কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি করে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

‘দুই লাখ কোটি টাকার সম্পদের হিসাব দিতে হবে’

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অন্তত দুই লাখ কোটি টাকার সম্পদ লুটপাটের অভিযোগ করেন তারেক রহমান। ওই অর্থের উৎস, ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে জনগণের সামনে পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশের দাবি জানান তিনি।

এ ছাড়া কোনো বিদেশি কোম্পানিকে বন্দর ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার আগে বন্দরের চার্জ ৬০ টাকা থেকে ৪১ টাকায় কমানো হয়ে থাকলে এর পেছনের কারণও তদন্তের দাবি জানান তিনি।

সামিট ও তৃতীয় টার্মিনাল প্রসঙ্গে প্রশ্ন

সামিটের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারেক রহমান। তার ভাষ্য, সামিটের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও বাংলাদেশে তাদের বিদ্যমান গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা বন্ধ করা হয়নি।

তাহলে তৃতীয় টার্মিনালের প্রকল্পটি কেন দেওয়া হয়নি—সে প্রশ্নও তোলেন তিনি। একই সঙ্গে প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত এক্সিলারেট এনার্জির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রভাব বা স্বার্থ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানান।

আরও পড়ুনঃ  আমিরাতের আকাশে ইরানের ড্রোন ধ্বংস, কঠিন জবাবের হুঁশিয়ারি

গ্রামীণফোন, গ্রামীণ ব্যাংক ও এনজিও নিয়ে তদন্তের দাবি

ড. ইউনূসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক স্বার্থ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারেক রহমান।

গ্রামীণফোন, গ্রামীণ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট এনজিওগুলো কী ধরনের সুবিধা পেয়েছে, গ্রামীণ ব্যাংককে কত বছরের কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং এর পেছনে কী কারণ ছিল—এসব বিষয় তদন্তের দাবি জানান তিনি।

তারেক রহমান বলেন, দেশে গ্যাস ও বিদ্যুৎ কেনার অর্থের সংকট রয়েছে। তাই রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও অর্থ ব্যবস্থাপনায় কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি বা বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ঘটনা ঘটলে তার হিসাব নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ড. ইউনূসের সময়ে কে কী সুবিধা পেয়েছে, কীভাবে পেয়েছে এবং রাষ্ট্রের কী পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে—এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার।

কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং রাষ্ট্রের পাওনা অর্থ উদ্ধার করার দাবি জানান তিনি।