ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও খারাপ হলেও তেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: বিপিসি চেয়ারম্যান

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১১:২৪:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০ সময় দেখুন

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও খারাপ হলেও দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আর বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান ড. রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লেও বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের বাজারে আর দাম বাড়াতে হবে না বলেই তিনি আশা করছেন। এমনকি যুদ্ধ পরিস্থিতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে গেলেও দাম বাড়ানোর প্রয়োজন নাও হতে পারে।

বিপিসি চেয়ারম্যান জানান, ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে জ্বালানি তেল আমদানি, মূল্য পরিশোধ ও মজুদের ক্ষেত্রে কোনো সংকট নেই। বর্তমানে প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি মজুদ রয়েছে এবং ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রয়োজনীয় তেল সংগ্রহের প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  রাখাইনে বাজারে মিয়ানমার বিমানবাহিনীর হামলা, নিহত ৪৯

তিনি বলেন, দেশে প্রায় ৪৫ দিনের জ্বালানি তেল মজুদের সক্ষমতা রয়েছে। পাশাপাশি ৯০ দিনের মজুদ সক্ষমতা তৈরির লক্ষ্যে স্টোরেজ সক্ষমতা বাড়ানোর কাজও চলছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুদিন ধরে ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে বিপিসি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য, আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি অনিশ্চিত হলেও বর্তমান দামের চেয়ে কিছুটা বাড়লেও দেশের বাজারে আর দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না।

এর আগে সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে ডিজেলসহ সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়। এর প্রভাব পড়ে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন খাতসহ নিত্যপণ্যের বাজারে। সাধারণত মাসের শুরুতে জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা হলেও এবার মাসের শেষ ভাগের দিকে দাম সমন্বয় করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দাম বাড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করে রফিকুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতির কারণে আর কয়েকদিন অপেক্ষা করার সুযোগ ছিল না। তাই বাধ্য হয়েই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সরকার থেকে কিছু সহায়তা পাওয়ার আশা করছেন তারা। দাম বাড়ানোর ফলে যে অতিরিক্ত অর্থ আসবে, তা দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে বলেও তিনি মনে করেন।

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে শুরু থেকেই চাপ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক হয়। হরমুজ প্রণালি দিয়ে দেশে আমদানি করা জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করাও আলোচনার অন্যতম বিষয় ছিল।

আরও পড়ুনঃ  ২০ বছরের ডাক্তারি ছেড়ে ভাপা রুটির দোকান, নতুন জীবনেই সুখী দং মিন

এ ছাড়া সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ জ্বালানি সমৃদ্ধ দেশগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ বাড়িয়েছে সরকার।

বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, তেলের সরবরাহ ও মজুদের দিক থেকে বর্তমানে কোনো সমস্যা নেই। আর্থিক বিষয় নিয়েও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে একটি স্বস্তিদায়ক অবস্থানে পৌঁছানো গেছে।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে এলে সরকার দেশের বাজারেও দাম কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৭১

যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও খারাপ হলেও তেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: বিপিসি চেয়ারম্যান

আপডেটের সময়: ১১:২৪:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও খারাপ হলেও দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আর বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান ড. রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লেও বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের বাজারে আর দাম বাড়াতে হবে না বলেই তিনি আশা করছেন। এমনকি যুদ্ধ পরিস্থিতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে গেলেও দাম বাড়ানোর প্রয়োজন নাও হতে পারে।

বিপিসি চেয়ারম্যান জানান, ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে জ্বালানি তেল আমদানি, মূল্য পরিশোধ ও মজুদের ক্ষেত্রে কোনো সংকট নেই। বর্তমানে প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি মজুদ রয়েছে এবং ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রয়োজনীয় তেল সংগ্রহের প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সম্পদ কমলেও ভারতের ধনী অভিনেতাদের শীর্ষে শাহরুখ

তিনি বলেন, দেশে প্রায় ৪৫ দিনের জ্বালানি তেল মজুদের সক্ষমতা রয়েছে। পাশাপাশি ৯০ দিনের মজুদ সক্ষমতা তৈরির লক্ষ্যে স্টোরেজ সক্ষমতা বাড়ানোর কাজও চলছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুদিন ধরে ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে বিপিসি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য, আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি অনিশ্চিত হলেও বর্তমান দামের চেয়ে কিছুটা বাড়লেও দেশের বাজারে আর দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না।

এর আগে সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে ডিজেলসহ সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়। এর প্রভাব পড়ে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন খাতসহ নিত্যপণ্যের বাজারে। সাধারণত মাসের শুরুতে জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা হলেও এবার মাসের শেষ ভাগের দিকে দাম সমন্বয় করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  ২০ বছরের ডাক্তারি ছেড়ে ভাপা রুটির দোকান, নতুন জীবনেই সুখী দং মিন

দাম বাড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করে রফিকুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতির কারণে আর কয়েকদিন অপেক্ষা করার সুযোগ ছিল না। তাই বাধ্য হয়েই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সরকার থেকে কিছু সহায়তা পাওয়ার আশা করছেন তারা। দাম বাড়ানোর ফলে যে অতিরিক্ত অর্থ আসবে, তা দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে বলেও তিনি মনে করেন।

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে শুরু থেকেই চাপ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক হয়। হরমুজ প্রণালি দিয়ে দেশে আমদানি করা জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করাও আলোচনার অন্যতম বিষয় ছিল।

আরও পড়ুনঃ  রাখাইনে বাজারে মিয়ানমার বিমানবাহিনীর হামলা, নিহত ৪৯

এ ছাড়া সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ জ্বালানি সমৃদ্ধ দেশগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ বাড়িয়েছে সরকার।

বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, তেলের সরবরাহ ও মজুদের দিক থেকে বর্তমানে কোনো সমস্যা নেই। আর্থিক বিষয় নিয়েও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে একটি স্বস্তিদায়ক অবস্থানে পৌঁছানো গেছে।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে এলে সরকার দেশের বাজারেও দাম কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।