ঢাকা ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ষাট ও সত্তরের দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাসিমা খান আর নেই রিয়াদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বগুড়ার শাহেদের মৃত্যু, স্বামীর ফোনের অপেক্ষায় ছিলেন স্ত্রী ‘রাজুর স্ত্রী’ পরিচয়ে কক্সবাজারের হোটেলে উঠেছিলেন স্কুলছাত্রী তাজমিন, রেজিস্টারে বয়স ১৮ প্যারিস বিমানবন্দরে ইসরায়েলি সামরিক চালান আটকালেন কার্গো কর্মীরা সোবহানার রেকর্ড সেঞ্চুরি, তবু অস্ট্রেলিয়ার কাছে বড় ব্যবধানে হার বাংলাদেশের ছয় দিন পর চালু ধাওয়াপাড়া-নাজিরগঞ্জ ফেরি, ড্রেজিং না হলে ফের বন্ধের শঙ্কা মক্কা-মদিনার নিরাপত্তা চেয়ে আজহারীর দোয়া, সৌদিতে হামলায় উদ্বেগ দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যুর মামলায় ফের জামিন পেলেন না এমপি গাজী নজরুল পুলিশকে একা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা কেন, প্রশ্ন গোলাম পরওয়ারের কোমরের চোটে বিপাকে নাহিদ রানা, উন্নত চিকিৎসায় বিদেশে নেওয়ার পরিকল্পনা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

যুক্তরাষ্ট্রের মানবপাচার প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান অপরিবর্তিত, টায়ার-২-এ থাকল দেশ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৪:২৭:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ সময় দেখুন

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের মানবপাচারবিষয়ক প্রতিবেদনে (টিআইপি) বাংলাদেশের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। মানবপাচার নির্মূলে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করা হলেও ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা, অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা এবং অভিবাসী শ্রমিকদের শোষণ বন্ধে এখনো ঘাটতি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাফিকিং ইন পারসনস (টিআইপি) প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে আগের মতোই দ্বিতীয় স্তরে (টায়ার-২) রাখা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানবপাচার নির্মূলে নির্ধারিত ন্যূনতম মান পুরোপুরি পূরণ করতে না পারলেও বাংলাদেশ সরকার এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জনের চেষ্টা করেছে। এ কারণে দেশটির অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  তিন বছরেও গাজায় শান্তি অধরা, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়েছে সংঘাত

মানবপাচারবিরোধী আইন শক্তিশালী করতে ২০২৬ সালে নতুন অধ্যাদেশ প্রণয়নের বিষয়টিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অভিবাসী চোরাচালান এবং জোরপূর্বক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে বাধ্য করার মতো বিষয়গুলো আইনি কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে মানবপাচারবিরোধী বিভিন্ন উদ্যোগ সত্ত্বেও তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া বাড়লেও দণ্ডিত অপরাধীর সংখ্যা কমেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার ক্ষেত্রে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  দিল্লিতে পাঁচতলা ভবন ধস, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু মানুষ

প্রতিবেদনে বিশেষ ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিদেশগামী শ্রমিক, নারী, শিশু ও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বিদেশে কাজ করতে যাওয়া বাংলাদেশি শ্রমিকদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নিয়োগ ফি, ঋণের বোঝা, ভুয়া চাকরির প্রস্তাব এবং দালালদের প্রতারণাকে মানবপাচারের অন্যতম ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে নয়াদিল্লিতে ২৫ হাজার পুলিশ, প্রস্তুত ১২ বন্দিশিবির

এ ছাড়া অনেক শ্রমিকের বেতন আটকে রাখা, চুক্তির শর্ত ভঙ্গ এবং জোরপূর্বক শ্রমে বাধ্য করার মতো ঘটনাও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

সার্বিকভাবে, মানবপাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশের উদ্যোগের স্বীকৃতি থাকলেও অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা, ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা এবং অভিবাসী শ্রমিকদের শোষণ বন্ধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের টিআইপি প্রতিবেদন।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ষাট ও সত্তরের দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাসিমা খান আর নেই

যুক্তরাষ্ট্রের মানবপাচার প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান অপরিবর্তিত, টায়ার-২-এ থাকল দেশ

আপডেটের সময়: ০৪:২৭:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের মানবপাচারবিষয়ক প্রতিবেদনে (টিআইপি) বাংলাদেশের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। মানবপাচার নির্মূলে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করা হলেও ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা, অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা এবং অভিবাসী শ্রমিকদের শোষণ বন্ধে এখনো ঘাটতি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাফিকিং ইন পারসনস (টিআইপি) প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে আগের মতোই দ্বিতীয় স্তরে (টায়ার-২) রাখা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানবপাচার নির্মূলে নির্ধারিত ন্যূনতম মান পুরোপুরি পূরণ করতে না পারলেও বাংলাদেশ সরকার এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জনের চেষ্টা করেছে। এ কারণে দেশটির অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে নয়াদিল্লিতে ২৫ হাজার পুলিশ, প্রস্তুত ১২ বন্দিশিবির

মানবপাচারবিরোধী আইন শক্তিশালী করতে ২০২৬ সালে নতুন অধ্যাদেশ প্রণয়নের বিষয়টিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অভিবাসী চোরাচালান এবং জোরপূর্বক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে বাধ্য করার মতো বিষয়গুলো আইনি কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে মানবপাচারবিরোধী বিভিন্ন উদ্যোগ সত্ত্বেও তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া বাড়লেও দণ্ডিত অপরাধীর সংখ্যা কমেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার ক্ষেত্রে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  লাওসে নতুন চীনা সামরিক স্থাপনায় যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি, স্যাটেলাইট চিত্রে প্রমাণ

প্রতিবেদনে বিশেষ ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিদেশগামী শ্রমিক, নারী, শিশু ও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বিদেশে কাজ করতে যাওয়া বাংলাদেশি শ্রমিকদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নিয়োগ ফি, ঋণের বোঝা, ভুয়া চাকরির প্রস্তাব এবং দালালদের প্রতারণাকে মানবপাচারের অন্যতম ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  যুদ্ধবিরতিতে ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কমানোর শর্ত যুক্তরাষ্ট্রের

এ ছাড়া অনেক শ্রমিকের বেতন আটকে রাখা, চুক্তির শর্ত ভঙ্গ এবং জোরপূর্বক শ্রমে বাধ্য করার মতো ঘটনাও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

সার্বিকভাবে, মানবপাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশের উদ্যোগের স্বীকৃতি থাকলেও অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা, ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা এবং অভিবাসী শ্রমিকদের শোষণ বন্ধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের টিআইপি প্রতিবেদন।