পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনার পরবর্তী ধাপ আরও জটিল ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছে চীন। যদিও প্রাথমিক সমঝোতাকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবুও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আরও ধৈর্য, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে বলে মনে করছে বেইজিং।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) প্রকাশিত মিডল ইস্ট আই-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের মধ্যে এক ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় ওয়াং ই বলেন, প্রাথমিক অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক হলেও সামনে আরও কঠিন সিদ্ধান্ত ও জটিল কূটনৈতিক প্রক্রিয়া অপেক্ষা করছে।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠা সহজ কোনো কাজ নয়। এজন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে আরও সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেও প্রস্তুত রয়েছে চীন।
ফোনালাপে দুই নেতা বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে সমঝোতা প্রক্রিয়া এখন দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করেছে। তার ভাষায়, এই চুক্তির প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে—ইরান যেন ভবিষ্যতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।
প্রতিবেদকের নাম 

























