হরমুজ প্রণালিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি এডনকের একটি তেলের ট্যাংকারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমিরাত এ ঘটনাকে ‘শত্রুভাবাপন্ন ইরানি হামলা’ ও জলদস্যুতা হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ডব্লিউএএমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সময় এডনকের একটি জাহাজকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। তবে হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ট্যাংকারটির নাম ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।
তবে হামলার দায় এখনো স্বীকার করেনি ইরান। এ বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
চলমান মার্কিন-ইসরায়েল ও ইরান সংঘাতের কারণে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ট্যাংকারে হামলার ঘটনা অবাধ নৌ চলাচল সংক্রান্ত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের পরিপন্থী।
মন্ত্রণালয়টি ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডসের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে হরমুজ প্রণালিকে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ করেছে। একই সঙ্গে প্রণালিটি সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তভাবে খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা।
এর আগে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিল, তেহরানের শত্রুদের সঙ্গে সম্পৃক্ত কিংবা তাদের নির্দেশনা অমান্যকারী যেকোনো জাহাজের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আবুধাবির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি এডনক জানিয়েছে, সংঘাত শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় তাদের মোট ১৫টি জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হয়েছে। এসব হামলায় এখন পর্যন্ত একজন ক্রু সদস্য নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছেন।
এডনক জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে চরম প্রতিকূল ও চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















