ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

কাঠবাদাম মনে করে বিষাক্ত ফল খেয়ে হাসপাতালে ৯ শিশুসহ অসুস্থ ১৪

 

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় কাঠবাদাম ভেবে বিষাক্ত ফল খেয়ে ১৪ শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাদের মধ্যে ৯ জনকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য পাঁচ শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে উপজেলার সাহারবাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুরা হলো— মোস্তাকিন (১২), কাফি (১২), আমেনা খাতুন (৩), হালিমা (৯), রক্তিমা (১১), রিয়াদ (১১), ফেরদৌস (১০), ফুয়াদ (১২) ও মোস্তাকিম (৯)। অন্য পাঁচ শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ছাত্রকে দিয়ে এইচএসসির খাতা মূল্যায়নের অভিযোগে শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

শিশুদের অভিভাবকদের ভাষ্য, প্রতিদিনের মতো রোববার বিকেলে শিশুরা মাঠে খেলতে যায়। একপর্যায়ে তারা সড়কের পাশে থাকা জিয়ালা (বার্বাডোজ নাট) গাছের ফল কাঠবাদাম ভেবে খেতে শুরু করে। ফলটি মিষ্টি স্বাদের হওয়ায় তারা বেশ কয়েকটি খেয়ে ফেলে।

আরও পড়ুনঃ  স্বস্তির বার্তা পেলেন তামিল মুখ্যমন্ত্রী বিজয়, মামলা প্রত্যাহার স্ত্রীর

প্রথমদিকে কোনো সমস্যা দেখা না দিলেও সন্ধ্যার পর বাড়ি ফেরার পর একে একে শিশুদের তীব্র পেটব্যথা ও বমি শুরু হয়। পরে স্বজনরা তাদের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানীয় বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান।

শিশুদের একজনের মা রজিনা খাতুন বলেন, “সন্ধ্যার পর আমার ছেলে হঠাৎ পেটব্যথায় কাঁদতে শুরু করে। পরে জানতে পারি, তার সঙ্গে খেলতে যাওয়া অন্য শিশুরাও একই সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছে। এরপর সবাইকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।”

আরও পড়ুনঃ  চীনা আগ্রাসন মোকাবিলায় তাইওয়ানের ১০ দিনের সামরিক মহড়া

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. উমর ফারুক বলেন, “স্থানীয়ভাবে জিয়ালা নামে পরিচিত বার্বাডোজ নাট গাছের ফল ও পাতা খেলে পেটব্যথা, বমি, তীব্র ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা সবাই আশঙ্কামুক্ত রয়েছে।”

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

কাঠবাদাম মনে করে বিষাক্ত ফল খেয়ে হাসপাতালে ৯ শিশুসহ অসুস্থ ১৪

আপডেটের সময়: ০৪:৫৯:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

 

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় কাঠবাদাম ভেবে বিষাক্ত ফল খেয়ে ১৪ শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাদের মধ্যে ৯ জনকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য পাঁচ শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে উপজেলার সাহারবাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুরা হলো— মোস্তাকিন (১২), কাফি (১২), আমেনা খাতুন (৩), হালিমা (৯), রক্তিমা (১১), রিয়াদ (১১), ফেরদৌস (১০), ফুয়াদ (১২) ও মোস্তাকিম (৯)। অন্য পাঁচ শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  মানুষ আমাকে এমপি বানিয়েছে, বিএনপিকে এ সত্য মেনে নিতে হবে: রুমিন ফারহানা

শিশুদের অভিভাবকদের ভাষ্য, প্রতিদিনের মতো রোববার বিকেলে শিশুরা মাঠে খেলতে যায়। একপর্যায়ে তারা সড়কের পাশে থাকা জিয়ালা (বার্বাডোজ নাট) গাছের ফল কাঠবাদাম ভেবে খেতে শুরু করে। ফলটি মিষ্টি স্বাদের হওয়ায় তারা বেশ কয়েকটি খেয়ে ফেলে।

আরও পড়ুনঃ  বিরোধী দল কিসের বিরোধিতা করে, মানুষই বোঝে না: মান্না

প্রথমদিকে কোনো সমস্যা দেখা না দিলেও সন্ধ্যার পর বাড়ি ফেরার পর একে একে শিশুদের তীব্র পেটব্যথা ও বমি শুরু হয়। পরে স্বজনরা তাদের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানীয় বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান।

শিশুদের একজনের মা রজিনা খাতুন বলেন, “সন্ধ্যার পর আমার ছেলে হঠাৎ পেটব্যথায় কাঁদতে শুরু করে। পরে জানতে পারি, তার সঙ্গে খেলতে যাওয়া অন্য শিশুরাও একই সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছে। এরপর সবাইকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।”

আরও পড়ুনঃ  ৬০ ফিটের ময়লার ভাগাড় সরাতে খালের ওপর তৈরি হচ্ছে আধুনিক এসটিএস

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. উমর ফারুক বলেন, “স্থানীয়ভাবে জিয়ালা নামে পরিচিত বার্বাডোজ নাট গাছের ফল ও পাতা খেলে পেটব্যথা, বমি, তীব্র ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা সবাই আশঙ্কামুক্ত রয়েছে।”