ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

খালেদা জিয়ার কারামুক্তির দিন , স্মৃতিতে অমলিন ১১ সেপ্টেম্বর

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:৫০:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০৮ সময় দেখুন

বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তির দিন আজ ১১ সেপ্টেম্বর। ২০০৮ সালের এই দিনে দীর্ঘ ৩৭২ দিনের বন্দিদশার অবসান ঘটিয়ে সংসদ ভবন এলাকার বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

দীর্ঘ অপেক্ষা, উৎকণ্ঠা ও অনিশ্চয়তার পর প্রিয় নেত্রীর মুক্তির দিনটি বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কাছে পরিণত হয় আবেগ ও আনন্দের এক স্মরণীয় দিনে। সময়ের ব্যবধানে বহু বছর পেরিয়ে গেলেও ১১ সেপ্টেম্বরের সেই স্মৃতি এখনো অমলিন।

২০০৭ সালে গ্রেপ্তার

তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ভোরে ঢাকা সেনানিবাসের মইনুল রোডের বাসভবন থেকে খালেদা জিয়াকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  দিনাজপুরে এনসিপির আঞ্চলিক সভায় নাহিদ ইসলামের বক্তব্য

পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে জামিন নামঞ্জুর করে সংসদ ভবন এলাকার একটি ভবনে বন্দি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ওই ভবনটিকে বিশেষ কারাগারে রূপ দেওয়া হয়।

দিন গড়িয়ে সপ্তাহ, সপ্তাহ পেরিয়ে মাস—এভাবেই কেটে যায় দীর্ঘ সময়। দলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও স্বজনরা প্রতিদিন উৎকণ্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন তাঁর মুক্তির আশায়।

৩৭২ দিনের বন্দিদশার অবসান

অবশেষে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আসে সেই প্রতীক্ষিত দিন। ৩৭২ দিন আটক থাকার পর বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান খালেদা জিয়া।

তাঁর মুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজপথে নেমে আসে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঢল। ফুল হাতে নেত্রীর অপেক্ষায় ছিলেন অনেকে। কারও চোখে ছিল আনন্দাশ্রু, আবার কারও কণ্ঠে ছিল উচ্ছ্বাস।

আরও পড়ুনঃ  সামান্তা শারমিনের গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা

দীর্ঘ বন্দিত্বের পর নেত্রীর মুক্তিকে ঘিরে সেদিন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়।

রাজনৈতিক জীবনে সংগ্রামের দীর্ঘ পথ

খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ছিল নানা উত্থান-পতন, আন্দোলন, প্রতিকূলতা ও সংগ্রামে ভরা। বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় তিনি অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তির নেতৃত্ব দিয়েছেন।

দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেত্রীকে বিএনপির নেতাকর্মীরা গণতন্ত্রের প্রতীক ও ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে অভিহিত করে থাকেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে কারাবরণ, আন্দোলন ও নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জামায়াতের নেতাদের নিয়ে রাশেদ খাঁনের কড়া সমালোচনা

মৃত্যুর পরও স্মৃতিতে খালেদা জিয়া

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর মারা যান বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁকে ঘিরে মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে ব্যাপকভাবে।

দেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জানাজা শেষে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর স্বামী, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়।

খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের নানা অধ্যায়ের মতোই তাঁর কারামুক্তির দিন ১১ সেপ্টেম্বরও বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের স্মৃতিতে বিশেষ তাৎপর্য নিয়ে ফিরে আসে প্রতিবছর।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

খালেদা জিয়ার কারামুক্তির দিন , স্মৃতিতে অমলিন ১১ সেপ্টেম্বর

আপডেটের সময়: ১০:৫০:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তির দিন আজ ১১ সেপ্টেম্বর। ২০০৮ সালের এই দিনে দীর্ঘ ৩৭২ দিনের বন্দিদশার অবসান ঘটিয়ে সংসদ ভবন এলাকার বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

দীর্ঘ অপেক্ষা, উৎকণ্ঠা ও অনিশ্চয়তার পর প্রিয় নেত্রীর মুক্তির দিনটি বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কাছে পরিণত হয় আবেগ ও আনন্দের এক স্মরণীয় দিনে। সময়ের ব্যবধানে বহু বছর পেরিয়ে গেলেও ১১ সেপ্টেম্বরের সেই স্মৃতি এখনো অমলিন।

২০০৭ সালে গ্রেপ্তার

তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ভোরে ঢাকা সেনানিবাসের মইনুল রোডের বাসভবন থেকে খালেদা জিয়াকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  ‘আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি’, ফেসবুকে আসিফ মাহমুদের পোস্ট

পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে জামিন নামঞ্জুর করে সংসদ ভবন এলাকার একটি ভবনে বন্দি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ওই ভবনটিকে বিশেষ কারাগারে রূপ দেওয়া হয়।

দিন গড়িয়ে সপ্তাহ, সপ্তাহ পেরিয়ে মাস—এভাবেই কেটে যায় দীর্ঘ সময়। দলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও স্বজনরা প্রতিদিন উৎকণ্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন তাঁর মুক্তির আশায়।

৩৭২ দিনের বন্দিদশার অবসান

অবশেষে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আসে সেই প্রতীক্ষিত দিন। ৩৭২ দিন আটক থাকার পর বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান খালেদা জিয়া।

তাঁর মুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজপথে নেমে আসে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঢল। ফুল হাতে নেত্রীর অপেক্ষায় ছিলেন অনেকে। কারও চোখে ছিল আনন্দাশ্রু, আবার কারও কণ্ঠে ছিল উচ্ছ্বাস।

আরও পড়ুনঃ  ‘হ্যান্ডকাফ পরেই দেশে ফিরতে হবে হাসিনাকে’: প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের

দীর্ঘ বন্দিত্বের পর নেত্রীর মুক্তিকে ঘিরে সেদিন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়।

রাজনৈতিক জীবনে সংগ্রামের দীর্ঘ পথ

খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ছিল নানা উত্থান-পতন, আন্দোলন, প্রতিকূলতা ও সংগ্রামে ভরা। বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় তিনি অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তির নেতৃত্ব দিয়েছেন।

দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেত্রীকে বিএনপির নেতাকর্মীরা গণতন্ত্রের প্রতীক ও ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে অভিহিত করে থাকেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে কারাবরণ, আন্দোলন ও নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘আই হেট পলিটিক্স’ নয়, তরুণদের রাজনীতিতে আসতে হবে: হান্নান মাসউদ

মৃত্যুর পরও স্মৃতিতে খালেদা জিয়া

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর মারা যান বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁকে ঘিরে মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে ব্যাপকভাবে।

দেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জানাজা শেষে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর স্বামী, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়।

খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের নানা অধ্যায়ের মতোই তাঁর কারামুক্তির দিন ১১ সেপ্টেম্বরও বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের স্মৃতিতে বিশেষ তাৎপর্য নিয়ে ফিরে আসে প্রতিবছর।