চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে নতুন কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। ডেনমার্কের সহযোগিতায় নির্মিতব্য লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর আগামীকাল রোববার (৩০ আগস্ট) স্থাপন করা হবে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বেলা ১১টায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় লালদিয়া প্রকল্প এলাকায় ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
সরকারের লক্ষ্য, নতুন এই টার্মিনালের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা আরও বাড়ানো এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে গতি আনা।
চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রম ক্রমেই বাড়ায় বন্দরের অবকাঠামো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালকে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত উদ্যোগ হিসেবে দেখছে সরকার।
মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত অবকাঠামোর সমন্বয়ে টার্মিনালটি পরিচালিত হলে বন্দরের কনটেইনার পরিবহন ও হ্যান্ডলিং কার্যক্রম আরও দ্রুত এবং কার্যকর হবে।
এর ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের সামগ্রিক পরিচালন সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও লজিস্টিকস খাতও উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ডেনমার্কের সহযোগিতায় বাস্তবায়ন হতে যাওয়া প্রকল্পটি চট্টগ্রাম বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।
সরকারের প্রত্যাশা, নতুন টার্মিনাল চালু হলে দেশের আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বাড়বে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের বন্দরসেবা নিশ্চিত করার পথও আরও সুগম হবে।
দেশের সমুদ্রবন্দর ও নৌপরিবহন অবকাঠামো আধুনিকায়নে চলমান বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবেই লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
প্রতিবেদকের নাম 



















