ঢাকা ০৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সুনামগঞ্জে বৃদ্ধকে কুপিয়ে আহত, ৫০ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ রাষ্ট্র পুনর্গঠনে আলেমদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান চরমোনাই পীরের সন্ধ্যার মধ্যে ৪ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত হোটেল নুরজাহান থেকে ধানখেত, তাজমীনের মৃত্যুর আগে সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে রহস্য শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও এআই সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে: অর্থমন্ত্রী সৌরভের বায়োপিকের বিতর্কিত পোস্টার নিয়ে মুখ খুললেন রাজকুমার রাও ধর্ষণ-নির্যাতনসহ একাধিক অভিযোগ, মামলা না নেওয়ার অভিযোগ পীরগঞ্জের ওসির বিরুদ্ধে ভূমধ্যসাগরে বিপদে পড়া ১০১ অভিবাসীকে উদ্ধার, দলে ৫ অন্তঃসত্ত্বা নারী কিশোরগঞ্জে ইটভাটার দেয়াল ধসে দুই শ্রমিক নিহত, আহত আরও দুই বিদেশে চাকরির প্রলোভনে প্রতারণা, রাজধানীতে ১২ জন গ্রেপ্তার
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

ডিসেম্বরের আগে গঙ্গা চুক্তি, মার্চে দৃশ্যমান হবে পদ্মা ব্যারাজ: পানিসম্পদমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:৩৯:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৩ সময় দেখুন

চলতি বছরের ১২ ডিসেম্বরের আগে ভারতের সঙ্গে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। নতুন চুক্তিতে ১৯৭৭ সালের চুক্তির মতো ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ফিরিয়ে আনাকে বাংলাদেশের প্রধান অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন তিনি।

আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজের কাজ দৃশ্যমান হবে বলেও জানান মন্ত্রী। পাশাপাশি তিস্তা বহুমুখী প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে ২০২৭ সালের মধ্যে মূল কাজ শুরুর লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) আয়োজিত ‘পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন ভাবনা: তরুণ নেতৃত্ব, ন্যায়বিচার ও সহযোগিতা’ শীর্ষক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  শাহজালালে তিন যাত্রীর লাগেজে ৬৩১ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ

পদ্মা ব্যারাজ প্রসঙ্গে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, প্রকল্পটির কাজ দৃশ্যমান করার জন্য একনেকে অনুমোদন হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চের যেকোনো এক সময়ে এর কাজ দৃশ্যমান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্প। দেশের মোট অঞ্চলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ এসব প্রকল্পের সুফল পাবে।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং প্রকল্পটির কারিগরি দিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে বুয়েটের বিশেষজ্ঞসহ দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে। ২০২৭ সালের মধ্যে স্টাডি শেষ করে মূল কাজ শুরুর দিকে সরকারের বিশেষ নজর রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০২ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা, প্রত্যেকে পেলেন ২ লাখ টাকা

গঙ্গা চুক্তি প্রসঙ্গে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বর্তমান ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এর আগেই নতুন চুক্তি করতে বাংলাদেশ ও ভারত যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) মাধ্যমে কাজ করছে। আলোচনার অগ্রগতির ভিত্তিতে নির্ধারিত সময়ের আগেই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার বিষয়ে তারা আশাবাদী।

তিনি বলেন, ১৯৭৭ সালে প্রথম পাঁচ বছরের জন্য যে গঙ্গা চুক্তি হয়েছিল, তাতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ছিল। পরে ১৯৯৬ সালে চুক্তি নবায়নের সময় ওই ধারা রাখা হয়নি। নতুন চুক্তিতে ১৯৭৭ সালের মতো ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ফিরিয়ে আনাই বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা প্রকল্পে কোনো বহিরাগত চাপ বা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এসব প্রকল্পে দেশের মানুষের স্বার্থই সরকারের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পদ্মা ও তিস্তা নদীর তীরবর্তী মানুষের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়েই প্রকল্পগুলো এগিয়ে নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  স্রোতে ফেরি বন্ধ, বারবার ভোগান্তিতে নাজিরগঞ্জ-ধাওয়াপাড়া নৌরুটের যাত্রীরা

পদ্মা ব্যারাজের স্টাডি দীর্ঘ সময় ধরে চলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০০৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রকল্পটির স্টাডি সম্পন্ন করতে সময় লেগেছিল। পরে তা বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে কাজ হাতে নিয়েছে।

তিস্তার মতো বড় প্রকল্পের স্টাডি দ্রুত শেষ করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত কারিগরি সহায়তা নিয়ে কাজটি সম্পন্ন করে প্রকল্পটিকে বাস্তব রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

সুনামগঞ্জে বৃদ্ধকে কুপিয়ে আহত, ৫০ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

ডিসেম্বরের আগে গঙ্গা চুক্তি, মার্চে দৃশ্যমান হবে পদ্মা ব্যারাজ: পানিসম্পদমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৫:৩৯:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

চলতি বছরের ১২ ডিসেম্বরের আগে ভারতের সঙ্গে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। নতুন চুক্তিতে ১৯৭৭ সালের চুক্তির মতো ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ফিরিয়ে আনাকে বাংলাদেশের প্রধান অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন তিনি।

আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজের কাজ দৃশ্যমান হবে বলেও জানান মন্ত্রী। পাশাপাশি তিস্তা বহুমুখী প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে ২০২৭ সালের মধ্যে মূল কাজ শুরুর লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) আয়োজিত ‘পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন ভাবনা: তরুণ নেতৃত্ব, ন্যায়বিচার ও সহযোগিতা’ শীর্ষক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  মরিয়ম খাতুনের মৃত্যু মামলা: রিমান্ড শেষে কারাগারে মামা ওবায়দুর

পদ্মা ব্যারাজ প্রসঙ্গে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, প্রকল্পটির কাজ দৃশ্যমান করার জন্য একনেকে অনুমোদন হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চের যেকোনো এক সময়ে এর কাজ দৃশ্যমান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্প। দেশের মোট অঞ্চলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ এসব প্রকল্পের সুফল পাবে।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং প্রকল্পটির কারিগরি দিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে বুয়েটের বিশেষজ্ঞসহ দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে। ২০২৭ সালের মধ্যে স্টাডি শেষ করে মূল কাজ শুরুর দিকে সরকারের বিশেষ নজর রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  শাহজালালে তিন যাত্রীর লাগেজে ৬৩১ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ

গঙ্গা চুক্তি প্রসঙ্গে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বর্তমান ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এর আগেই নতুন চুক্তি করতে বাংলাদেশ ও ভারত যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) মাধ্যমে কাজ করছে। আলোচনার অগ্রগতির ভিত্তিতে নির্ধারিত সময়ের আগেই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার বিষয়ে তারা আশাবাদী।

তিনি বলেন, ১৯৭৭ সালে প্রথম পাঁচ বছরের জন্য যে গঙ্গা চুক্তি হয়েছিল, তাতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ছিল। পরে ১৯৯৬ সালে চুক্তি নবায়নের সময় ওই ধারা রাখা হয়নি। নতুন চুক্তিতে ১৯৭৭ সালের মতো ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ফিরিয়ে আনাই বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা প্রকল্পে কোনো বহিরাগত চাপ বা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এসব প্রকল্পে দেশের মানুষের স্বার্থই সরকারের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পদ্মা ও তিস্তা নদীর তীরবর্তী মানুষের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়েই প্রকল্পগুলো এগিয়ে নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  স্রোতে ফেরি বন্ধ, বারবার ভোগান্তিতে নাজিরগঞ্জ-ধাওয়াপাড়া নৌরুটের যাত্রীরা

পদ্মা ব্যারাজের স্টাডি দীর্ঘ সময় ধরে চলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০০৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রকল্পটির স্টাডি সম্পন্ন করতে সময় লেগেছিল। পরে তা বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে কাজ হাতে নিয়েছে।

তিস্তার মতো বড় প্রকল্পের স্টাডি দ্রুত শেষ করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত কারিগরি সহায়তা নিয়ে কাজটি সম্পন্ন করে প্রকল্পটিকে বাস্তব রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।