ঢাকা ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সংসদীয় সহযোগিতা বাড়াতে ব্রিটিশ আইনপ্রণেতাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ, পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ মাত্র ৮৫২ মিটারের জন্য রক্ষা, ভারতের স্যাটেলাইটের ধ্বংসাবশেষ এড়াল বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ দুই মাসের সর্বনিম্নের পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ল ডিসেম্বর ঘিরে দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান, এক মাসে গ্রেপ্তার ৫৩ হাজার স্বামীকে খুঁজতে ভারতে গিয়ে জানলেন তাঁর আগেই সংসার, থাই নারীর ৬০ লাখ রুপি দেওয়ার অভিযোগ ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইন্দোনেশিয়া অগ্রণী ব্যাংকের ৯১ গ্রাহকের ৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ৫ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার ছয় কোটি ২০ লাখ বাংলাদেশি দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে, বাড়ছে ছয় অর্থনৈতিক চাপ ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে বিধবার টিপসই, পরে ‘জাল বিয়ের’ কাবিননামা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

ডিসেম্বরের আগে গঙ্গা চুক্তি, মার্চে দৃশ্যমান হবে পদ্মা ব্যারাজ: পানিসম্পদমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:৩৯:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৮ সময় দেখুন

চলতি বছরের ১২ ডিসেম্বরের আগে ভারতের সঙ্গে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। নতুন চুক্তিতে ১৯৭৭ সালের চুক্তির মতো ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ফিরিয়ে আনাকে বাংলাদেশের প্রধান অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন তিনি।

আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজের কাজ দৃশ্যমান হবে বলেও জানান মন্ত্রী। পাশাপাশি তিস্তা বহুমুখী প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে ২০২৭ সালের মধ্যে মূল কাজ শুরুর লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) আয়োজিত ‘পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন ভাবনা: তরুণ নেতৃত্ব, ন্যায়বিচার ও সহযোগিতা’ শীর্ষক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  সাফল্যের জয়গান: গুণী শিক্ষক সম্মাননা ২০২৬

পদ্মা ব্যারাজ প্রসঙ্গে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, প্রকল্পটির কাজ দৃশ্যমান করার জন্য একনেকে অনুমোদন হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চের যেকোনো এক সময়ে এর কাজ দৃশ্যমান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্প। দেশের মোট অঞ্চলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ এসব প্রকল্পের সুফল পাবে।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং প্রকল্পটির কারিগরি দিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে বুয়েটের বিশেষজ্ঞসহ দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে। ২০২৭ সালের মধ্যে স্টাডি শেষ করে মূল কাজ শুরুর দিকে সরকারের বিশেষ নজর রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাস, কেনা হবে ১০ উড়োজাহাজ

গঙ্গা চুক্তি প্রসঙ্গে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বর্তমান ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এর আগেই নতুন চুক্তি করতে বাংলাদেশ ও ভারত যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) মাধ্যমে কাজ করছে। আলোচনার অগ্রগতির ভিত্তিতে নির্ধারিত সময়ের আগেই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার বিষয়ে তারা আশাবাদী।

তিনি বলেন, ১৯৭৭ সালে প্রথম পাঁচ বছরের জন্য যে গঙ্গা চুক্তি হয়েছিল, তাতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ছিল। পরে ১৯৯৬ সালে চুক্তি নবায়নের সময় ওই ধারা রাখা হয়নি। নতুন চুক্তিতে ১৯৭৭ সালের মতো ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ফিরিয়ে আনাই বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা প্রকল্পে কোনো বহিরাগত চাপ বা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এসব প্রকল্পে দেশের মানুষের স্বার্থই সরকারের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পদ্মা ও তিস্তা নদীর তীরবর্তী মানুষের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়েই প্রকল্পগুলো এগিয়ে নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  চাঁপাইনবাবগঞ্জে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে মায়ের মৃত্যু

পদ্মা ব্যারাজের স্টাডি দীর্ঘ সময় ধরে চলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০০৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রকল্পটির স্টাডি সম্পন্ন করতে সময় লেগেছিল। পরে তা বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে কাজ হাতে নিয়েছে।

তিস্তার মতো বড় প্রকল্পের স্টাডি দ্রুত শেষ করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত কারিগরি সহায়তা নিয়ে কাজটি সম্পন্ন করে প্রকল্পটিকে বাস্তব রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সংসদীয় সহযোগিতা বাড়াতে ব্রিটিশ আইনপ্রণেতাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

ডিসেম্বরের আগে গঙ্গা চুক্তি, মার্চে দৃশ্যমান হবে পদ্মা ব্যারাজ: পানিসম্পদমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৫:৩৯:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

চলতি বছরের ১২ ডিসেম্বরের আগে ভারতের সঙ্গে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। নতুন চুক্তিতে ১৯৭৭ সালের চুক্তির মতো ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ফিরিয়ে আনাকে বাংলাদেশের প্রধান অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন তিনি।

আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজের কাজ দৃশ্যমান হবে বলেও জানান মন্ত্রী। পাশাপাশি তিস্তা বহুমুখী প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে ২০২৭ সালের মধ্যে মূল কাজ শুরুর লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) আয়োজিত ‘পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন ভাবনা: তরুণ নেতৃত্ব, ন্যায়বিচার ও সহযোগিতা’ শীর্ষক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  চাঁপাইনবাবগঞ্জে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে মায়ের মৃত্যু

পদ্মা ব্যারাজ প্রসঙ্গে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, প্রকল্পটির কাজ দৃশ্যমান করার জন্য একনেকে অনুমোদন হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চের যেকোনো এক সময়ে এর কাজ দৃশ্যমান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্প। দেশের মোট অঞ্চলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ এসব প্রকল্পের সুফল পাবে।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং প্রকল্পটির কারিগরি দিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে বুয়েটের বিশেষজ্ঞসহ দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে। ২০২৭ সালের মধ্যে স্টাডি শেষ করে মূল কাজ শুরুর দিকে সরকারের বিশেষ নজর রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ডলারের দর বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে

গঙ্গা চুক্তি প্রসঙ্গে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বর্তমান ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এর আগেই নতুন চুক্তি করতে বাংলাদেশ ও ভারত যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) মাধ্যমে কাজ করছে। আলোচনার অগ্রগতির ভিত্তিতে নির্ধারিত সময়ের আগেই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার বিষয়ে তারা আশাবাদী।

তিনি বলেন, ১৯৭৭ সালে প্রথম পাঁচ বছরের জন্য যে গঙ্গা চুক্তি হয়েছিল, তাতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ছিল। পরে ১৯৯৬ সালে চুক্তি নবায়নের সময় ওই ধারা রাখা হয়নি। নতুন চুক্তিতে ১৯৭৭ সালের মতো ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ফিরিয়ে আনাই বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা প্রকল্পে কোনো বহিরাগত চাপ বা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এসব প্রকল্পে দেশের মানুষের স্বার্থই সরকারের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পদ্মা ও তিস্তা নদীর তীরবর্তী মানুষের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়েই প্রকল্পগুলো এগিয়ে নেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  ঢামেকে ডেঙ্গুতে চলতি বছর ৪২ মৃত্যু, সেপ্টেম্বরে ভর্তি ১,৪০৩

পদ্মা ব্যারাজের স্টাডি দীর্ঘ সময় ধরে চলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০০৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রকল্পটির স্টাডি সম্পন্ন করতে সময় লেগেছিল। পরে তা বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে কাজ হাতে নিয়েছে।

তিস্তার মতো বড় প্রকল্পের স্টাডি দ্রুত শেষ করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত কারিগরি সহায়তা নিয়ে কাজটি সম্পন্ন করে প্রকল্পটিকে বাস্তব রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।