ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
‘ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন’, ফেসবুক পোস্টে চিকিৎসক ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানি চুক্তি পুনর্গঠনের দাবি নাহিদ ইসলামের টাঙ্গাইলের মধুপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে দুইজনকে যাবজ্জীবন মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে বসানো ভাসমান দোকানপাট উচ্ছেদ করেছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড চার-পাঁচ ঘণ্টার পথেই পাকা পেঁপে, নান্দাইলে কৃত্রিমভাবে পাকানোর অভিযোগ স্বামীর বাধা পেরিয়ে ইংরেজি শেখালেন যশোদা, প্রশংসায় প্রিয়াঙ্কা চোপড়া প্রবাসীদের ভোটে বাংলাদেশের পোস্টাল মডেল অনুসরণ করতে চায় নেপাল সৌদির দুই বিমানবন্দর ও চার সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি হুথিদের দিল্লিতে পাঁচতলা ভবন ধস, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু মানুষ যুদ্ধবিরতিতে ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কমানোর শর্ত যুক্তরাষ্ট্রের
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

প্রতিটি শৈশব হোক নিরাপদ, ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত: ডা. জুবাইদা রহমান

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:১৮:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৫ সময় দেখুন

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, প্রতিটি শিশুর শৈশব নিরাপদ ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হওয়া প্রয়োজন। নিরাপদ পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে শিশুরা নিজেদের স্বপ্ন ও সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারবে।

তিনি বলেন, প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই অসীম সম্ভাবনা ও প্রতিভা রয়েছে। সেই প্রতিভার বিকাশে তাদের উপযুক্ত পরিবেশ, শিক্ষা ও সুযোগ করে দিতে হবে।

মঙ্গলবার শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন ডা. জুবাইদা রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা, শিশু ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আরও পড়ুনঃ  ফ্যামিলি কার্ডের সমন্বয়ে ২৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষ দারিদ্র্যমুক্ত হতে পারে: বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিশু-কিশোরদের শুভেচ্ছা জানান ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, পাঁচ দশক আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিশুদের সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ সময় ধরে শিশুদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

শিশু একাডেমির বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ছবি আঁকা, সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে অসংখ্য শিশু-কিশোরের সৃজনশীলতা ও প্রতিভা বিকশিত হয়েছে। শিশুদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

শিশুদের অধিকার ও শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়া বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা এবং মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০২ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা, প্রত্যেকে পেলেন ২ লাখ টাকা

বাংলাদেশ শিশু একাডেমির আগামী দিনের কার্যক্রম নিয়ে তিনি বলেন, সুবর্ণজয়ন্তীর এই সময়ে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে দেশের প্রতিটি প্রান্তের শিশুর কাছে একাডেমির কার্যক্রম পৌঁছে দিতে হবে। ভবিষ্যতেও শিশুদের স্বপ্ন ও প্রতিভা বিকাশের জন্য প্রতিষ্ঠানটি নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হয়ে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, সব বাধা পেরিয়ে তাদের নিজেদের সম্ভাবনাকে বিকশিত করতে হবে এবং আশা-আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে এগিয়ে যেতে হবে। নতুন উদ্যম ও উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুরা সফল হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  পথশিশুদের ঘরে ফেরাতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ডেপুটি স্পিকার

তিনি বলেন, প্রতিটি শিশুর মধ্যেই অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ তৈরি করা সবার দায়িত্ব। তাঁর ভাষায়, ‘প্রতিটি শৈশব হোক নিরাপদ, প্রতিটি শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত—এই আমাদের কামনা।’

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে পৌঁছালে ১৫০ শিশু তাদের স্বাগত জানায়। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

আলোচনা সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান শিশুদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পরে তারা শিশুদের আঁকা ছবি নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনী এবং আলোকচিত্র গ্যালারি পরিদর্শন করেন।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

‘ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন’, ফেসবুক পোস্টে চিকিৎসক

প্রতিটি শৈশব হোক নিরাপদ, ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত: ডা. জুবাইদা রহমান

আপডেটের সময়: ০৬:১৮:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, প্রতিটি শিশুর শৈশব নিরাপদ ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হওয়া প্রয়োজন। নিরাপদ পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে শিশুরা নিজেদের স্বপ্ন ও সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারবে।

তিনি বলেন, প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই অসীম সম্ভাবনা ও প্রতিভা রয়েছে। সেই প্রতিভার বিকাশে তাদের উপযুক্ত পরিবেশ, শিক্ষা ও সুযোগ করে দিতে হবে।

মঙ্গলবার শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন ডা. জুবাইদা রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা, শিশু ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আরও পড়ুনঃ  ফ্যামিলি কার্ডের সমন্বয়ে ২৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষ দারিদ্র্যমুক্ত হতে পারে: বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিশু-কিশোরদের শুভেচ্ছা জানান ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, পাঁচ দশক আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিশুদের সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ সময় ধরে শিশুদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

শিশু একাডেমির বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ছবি আঁকা, সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে অসংখ্য শিশু-কিশোরের সৃজনশীলতা ও প্রতিভা বিকশিত হয়েছে। শিশুদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

শিশুদের অধিকার ও শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়া বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা এবং মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  হাসপাতালে শয্যা বাড়লেও চিকিৎসক-নার্সের পদ বাড়েনি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ শিশু একাডেমির আগামী দিনের কার্যক্রম নিয়ে তিনি বলেন, সুবর্ণজয়ন্তীর এই সময়ে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে দেশের প্রতিটি প্রান্তের শিশুর কাছে একাডেমির কার্যক্রম পৌঁছে দিতে হবে। ভবিষ্যতেও শিশুদের স্বপ্ন ও প্রতিভা বিকাশের জন্য প্রতিষ্ঠানটি নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হয়ে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, সব বাধা পেরিয়ে তাদের নিজেদের সম্ভাবনাকে বিকশিত করতে হবে এবং আশা-আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে এগিয়ে যেতে হবে। নতুন উদ্যম ও উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুরা সফল হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  নাটকের পরিচিত জুটি এবার সিনেমার পর্দায়, আসছে ‘পুলসিরাত’

তিনি বলেন, প্রতিটি শিশুর মধ্যেই অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ তৈরি করা সবার দায়িত্ব। তাঁর ভাষায়, ‘প্রতিটি শৈশব হোক নিরাপদ, প্রতিটি শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত—এই আমাদের কামনা।’

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে পৌঁছালে ১৫০ শিশু তাদের স্বাগত জানায়। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

আলোচনা সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান শিশুদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পরে তারা শিশুদের আঁকা ছবি নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনী এবং আলোকচিত্র গ্যালারি পরিদর্শন করেন।