দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংখ্যা বাড়ানো হলেও সেই অনুপাতে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য সহকারীর পদ বাড়ানো হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। ফলে অনেক ক্ষেত্রে একজন চিকিৎসককে হাসপাতালের স্বাভাবিক ধারণক্ষমতার তুলনায় কয়েক গুণ বেশি রোগী সামলাতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ‘ডেঙ্গু সংকট মোকাবিলায় করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
ডা. এম এ মুহিত বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় জনবল কম থাকায় চিকিৎসকদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। দেশে প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নতুন চিকিৎসক তৈরি হলেও তাদের কাজের উপযুক্ত পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো না থাকায় অনেকেই দেশে থেকে পেশা চালিয়ে যেতে আগ্রহ হারাচ্ছেন।
তার ভাষ্য, এর প্রভাব শুধু চিকিৎসকদের ওপরই পড়ছে না; চিকিৎসার প্রয়োজনে রোগীদেরও দেশের বাইরে যেতে হচ্ছে। একইভাবে পেশাগত কারণে অনেক চিকিৎসকও বিদেশমুখী হচ্ছেন। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে পুনর্গঠন ও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রস্তুতি ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে এডিস মশার প্রজননস্থল ও আবাসস্থল ধ্বংস করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় এডিসের প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংস করতে সারা দেশে বিশেষ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যুঝুঁকি কমাতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে এসব পর্যায়ের চিকিৎসক, নার্স ও মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা সক্ষমতা বাড়ানো গেলে প্রান্তিক এলাকার রোগীরাও স্থানীয়ভাবেই প্রয়োজনীয় ও যথাযথ ডেঙ্গু চিকিৎসা পাবেন।
প্রতিবেদকের নাম 

























