বগুড়া প্রতিনিধি: তৃণমূল পর্যায় থেকে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলা এবং আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে বগুড়ায় প্রস্তাবিত ‘স্পোর্টস জোন’ নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে রোববার (২ আগস্ট) প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
বগুড়া মহানগরের তিনমাথা এলাকায় প্রস্তাবিত স্পোর্টস জোনের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেন, বগুড়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদার, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলম, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোতাহার হোসেন, জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
পরিদর্শনের আগে এক অনুষ্ঠানে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করতে প্রথম পর্যায়ে বগুড়াসহ ১০টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত স্থানে আধুনিক ‘স্পোর্টস জোন’ বা ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ গড়ে তোলা হবে। পরবর্তীতে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের ৬৪টি জেলাতেই এ ধরনের স্পোর্টস জোন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বগুড়া দীর্ঘদিন ধরেই দেশের ক্রীড়াঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। এখানে আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস জোন নির্মিত হলে উত্তরাঞ্চলের ক্রীড়া উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে একই স্থানে আন্তর্জাতিক মানের ইনডোর ও আউটডোর স্টেডিয়াম, জিমনেসিয়াম, সুইমিং পুল, প্রশিক্ষণ একাডেমি এবং আধুনিক ক্রীড়া সুবিধা গড়ে তোলা হবে। এতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা উন্নত প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর সুযোগ পাবেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, জেলাভিত্তিক আধুনিক ক্রীড়া হাব গড়ে উঠলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা আয়োজন সহজ হবে। পাশাপাশি তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, মাদক ও প্রযুক্তিনির্ভর আসক্তি থেকে দূরে রেখে ক্রীড়ামুখী সমাজ গঠনে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রস্তাবিত স্পোর্টস জোনের জন্য তিনমাথা এলাকায় মোট ২০ একর জমি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ একর জমিতে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে এবং অবশিষ্ট ৭ একর জমি ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ ও অন্যান্য প্রয়োজনে সংরক্ষিত থাকবে।
প্রতিবেদকের নাম 

























