মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় কৃষকদের জন্য সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমিন উর রশিদ। একই সঙ্গে বাজারে কৃত্রিম সার সংকট তৈরির চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে গজারিয়ায় সুফলভোগীদের মধ্যে সনদ ও বকনা গরু বিতরণ এবং পোনামাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।
বাজারে পর্যাপ্ত সার রয়েছে
কৃষিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাজারে কৃষকদের প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সার মজুদ রয়েছে। তবে একটি পক্ষ কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, “মার্কেটে এই মুহূর্তে যত সারের প্রয়োজন, তার চেয়ে বেশি সার মজুদ আছে। একটি পক্ষ আছে, যারা দুই নম্বর; তারা কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। ইনশাআল্লাহ, তারা সফল হবে না।”
কৃষকদের সারের সরবরাহ ও মজুদ নিয়ে উদ্বিগ্ন না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
কৃষিপণ্য হবে বড় রফতানি খাত
কৃষিপণ্যকে দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান রফতানি খাত হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন কৃষিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আগামীতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রফতানিযোগ্য পণ্য হবে কৃষিপণ্য। কৃষির উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ ও রফতানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
কৃষক ন্যায্য মূল্য পাবেন: কৃষিমন্ত্রী
কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানো এবং উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করাকে সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন আমিন উর রশিদ।
তিনি বলেন, “বিএনপি সরকার কৃষকের সরকার। সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো কৃষক যেন তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পান এবং উৎপাদন খরচ কমানো যায়।”
অনুষ্ঠানে যারা উপস্থিত ছিলেন
মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সুফলভোগীদের মধ্যে সনদ ও বকনা গরু বিতরণের পাশাপাশি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়।
প্রতিবেদকের নাম 




















