ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সংসদে রেহানা আক্তার: রাজনৈতিক মন্তব্য ও দাবি নিয়ে তীব্র আলোচনা মেসির পছন্দের পানীয় ‘ইয়ারবা মাতে’ কী, কীভাবে তৈরি হয় বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইস রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা ভোলায় সেতু ভেঙে বালুবাহী ট্রাক খালে, চালক নিহত নতুন পে স্কেল: জুলাই থেকেই বাড়তি বেতন পেতে পারেন সরকারি চাকরিজীবীরা মেসির কারণে আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসা বেড়েছে: পূর্ণিমা মেসির প্রথম গোল নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অস্ট্রিয়ার কোচ রালফ রাংনিক এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ২০ জুলাই প্রকাশিত হবে: শিক্ষামন্ত্রী লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহারে মার্কিন চাপের মুখে ইসরাইল, আলোচনার প্রস্তুতি ঝড়ে খুঁটি ভেঙে সখীপুরের দুই গ্রাম তিন দিন ধরে বিদ্যুৎহীন, চরম ভোগান্তি
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

মেসির পছন্দের পানীয় ‘ইয়ারবা মাতে’ কী, কীভাবে তৈরি হয়

 

 

ফুটবলের জীবন্ত কিংবদন্তি লিওনেল মেসি–কে অনেক সময়ই একটি বিশেষ পানীয় পান করতে দেখা যায়। এটি কোনো এনার্জি ড্রিংক নয়, বরং দক্ষিণ আমেরিকার ঐতিহ্যবাহী একটি ভেষজ পানীয়—‘ইয়ারবা মাতে’।

এই পানীয় এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় উঠে এসেছে, কারণ মেসিকে প্রায়ই বিশেষ পাত্র ও ধাতব স্ট্র ব্যবহার করে এটি পান করতে দেখা যায়।

ইয়ারবা মাতে কী

ইয়ারবা মাতে হলো একটি ভেষজ পানীয়, যা ‘ইয়ারবা মাতে’ গাছের শুকনো পাতা থেকে তৈরি করা হয়। এটি আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে ও ব্রাজিলে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এছাড়া সিরিয়া ও লেবাননের কিছু অংশেও এর প্রচলন রয়েছে।

কীভাবে তৈরি হয়

ইয়ারবা মাতে প্রস্তুত করার জন্য বিশেষ একটি পাত্র ব্যবহার করা হয়, যাকে বলা হয় ‘মাতে’। এটি সাধারণত শুকনো লাউয়ের খোসা দিয়ে তৈরি করা হয়, তবে আধুনিক সময়ে কাঠ, সিরামিক বা ধাতব উপকরণেও তৈরি হয়।

পানীয়টি পান করার জন্য ব্যবহৃত হয় একটি বিশেষ ধাতব স্ট্র, যার নাম ‘বোম্বিজা’। এই স্ট্রের নিচের অংশে ফিল্টার থাকে, যাতে পাতার কুচি পানীয়ের সঙ্গে মিশে না যায়।

তৈরির ধাপগুলো সাধারণত এমন:
প্রথমে শুকনো পাতাগুলো সামান্য ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে নেওয়া হয়। এরপর পাত্রে পাতাগুলো রেখে ধীরে ধীরে হালকা গরম পানি ঢালা হয়। ফুটন্ত পানি ব্যবহার করা হয় না। তারপর বোম্বিজার মাধ্যমে পানীয়টি ধীরে ধীরে পান করা হয়।

অনেকে স্বাদের ভিন্নতার জন্য এতে লেবু, পুদিনা, মধু বা এমনকি কফির গুঁড়োও মেশান।

উপকারিতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইয়ারবা মাতে তুলনামূলকভাবে কম ক্যাফেইনযুক্ত হওয়ায় এটি কফি বা শক্তিশালী এনার্জি ড্রিংকের মতো অতিরিক্ত উত্তেজনা সৃষ্টি করে না। বরং এটি শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

এটি ক্লান্তি কমাতে, শরীর চনমনে রাখতে এবং হালকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করতে পারে বলে ধারণা করা হয়। তবে অতিরিক্ত গ্রহণ সব ক্ষেত্রেই এড়িয়ে চলা উচিত।

দক্ষিণ আমেরিকার সংস্কৃতিতে ইয়ারবা মাতে শুধু পানীয় নয়—এটি সামাজিক আড্ডা ও ঐতিহ্যেরও অংশ।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

সংসদে রেহানা আক্তার: রাজনৈতিক মন্তব্য ও দাবি নিয়ে তীব্র আলোচনা

মেসির পছন্দের পানীয় ‘ইয়ারবা মাতে’ কী, কীভাবে তৈরি হয়

আপডেটের সময়: ০৬:২৪:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

 

 

ফুটবলের জীবন্ত কিংবদন্তি লিওনেল মেসি–কে অনেক সময়ই একটি বিশেষ পানীয় পান করতে দেখা যায়। এটি কোনো এনার্জি ড্রিংক নয়, বরং দক্ষিণ আমেরিকার ঐতিহ্যবাহী একটি ভেষজ পানীয়—‘ইয়ারবা মাতে’।

এই পানীয় এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় উঠে এসেছে, কারণ মেসিকে প্রায়ই বিশেষ পাত্র ও ধাতব স্ট্র ব্যবহার করে এটি পান করতে দেখা যায়।

ইয়ারবা মাতে কী

ইয়ারবা মাতে হলো একটি ভেষজ পানীয়, যা ‘ইয়ারবা মাতে’ গাছের শুকনো পাতা থেকে তৈরি করা হয়। এটি আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে ও ব্রাজিলে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এছাড়া সিরিয়া ও লেবাননের কিছু অংশেও এর প্রচলন রয়েছে।

কীভাবে তৈরি হয়

ইয়ারবা মাতে প্রস্তুত করার জন্য বিশেষ একটি পাত্র ব্যবহার করা হয়, যাকে বলা হয় ‘মাতে’। এটি সাধারণত শুকনো লাউয়ের খোসা দিয়ে তৈরি করা হয়, তবে আধুনিক সময়ে কাঠ, সিরামিক বা ধাতব উপকরণেও তৈরি হয়।

পানীয়টি পান করার জন্য ব্যবহৃত হয় একটি বিশেষ ধাতব স্ট্র, যার নাম ‘বোম্বিজা’। এই স্ট্রের নিচের অংশে ফিল্টার থাকে, যাতে পাতার কুচি পানীয়ের সঙ্গে মিশে না যায়।

তৈরির ধাপগুলো সাধারণত এমন:
প্রথমে শুকনো পাতাগুলো সামান্য ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে নেওয়া হয়। এরপর পাত্রে পাতাগুলো রেখে ধীরে ধীরে হালকা গরম পানি ঢালা হয়। ফুটন্ত পানি ব্যবহার করা হয় না। তারপর বোম্বিজার মাধ্যমে পানীয়টি ধীরে ধীরে পান করা হয়।

অনেকে স্বাদের ভিন্নতার জন্য এতে লেবু, পুদিনা, মধু বা এমনকি কফির গুঁড়োও মেশান।

উপকারিতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইয়ারবা মাতে তুলনামূলকভাবে কম ক্যাফেইনযুক্ত হওয়ায় এটি কফি বা শক্তিশালী এনার্জি ড্রিংকের মতো অতিরিক্ত উত্তেজনা সৃষ্টি করে না। বরং এটি শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

এটি ক্লান্তি কমাতে, শরীর চনমনে রাখতে এবং হালকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করতে পারে বলে ধারণা করা হয়। তবে অতিরিক্ত গ্রহণ সব ক্ষেত্রেই এড়িয়ে চলা উচিত।

দক্ষিণ আমেরিকার সংস্কৃতিতে ইয়ারবা মাতে শুধু পানীয় নয়—এটি সামাজিক আড্ডা ও ঐতিহ্যেরও অংশ।