ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
আজকের শিক্ষার্থীরাই জাতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব: রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ২১৮ মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার অভিযোগ, জিএম কাদেরের নিন্দা ট্রাকচালক হোসেন হত্যা মামলা: শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিচার শুরু সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি আগামী অর্থবছরের মধ্যে বদলে যাবে স্বাস্থ্যসেবার চিত্র: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৩.৮২ সিজিপিএ নিয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন, তামান্নাকে অভিনন্দন সাদিক কায়েমের সুনামগঞ্জে ওসি আমিনুলের পাঁচতলা বাড়ি, অবৈধ সম্পদের অভিযোগে তদন্ত দাবি শেরপুরের গারো পাহাড়ে ২৯-৩০ অক্টোবর তীর্থোৎসব, প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে ২৮ অক্টোবর নিহতদের স্মরণে শফিকুর রহমানের বিবৃতি, জামায়াতের দুই দিনের কর্মসূচি
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

শেরপুরের গারো পাহাড়ে ২৯-৩০ অক্টোবর তীর্থোৎসব, প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে

শেরপুরের গারো পাহাড়ে বারোমারী সাধু লিওর খ্রিস্টান ধর্মপল্লীতে আগামী ২৯ ও ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী ‘ফাতেমা রাণী মা মারিয়া’র ২৯তম তীর্থোৎসব। ‘মানবতার জননী ফাতেমা রাণী মা মারিয়া’ মূলসুরকে সামনে রেখে উৎসবের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। পুণ্যার্থীদের স্বাগত জানাতে বর্ণিল সাজে সাজানো হচ্ছে তীর্থস্থানটি।

আয়োজকদের আশা, এবারের তীর্থোৎসবেও দেশ-বিদেশের বিপুলসংখ্যক পুণ্যার্থী অংশ নেবেন। শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ে আয়োজিত এ ধর্মীয় সমাবেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ খ্রিস্টান তীর্থোৎসব হিসেবে পরিচিত।

প্রতি বছর শেরপুর, বৃহত্তর ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা এ আয়োজনে যোগ দেন। উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ আলোক শোভাযাত্রা। এ ছাড়া রয়েছে প্রার্থনা, নিশি জাগরণ, জীবন্ত ক্রুশের পথ ও মহাখ্রিস্টযোগসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান।

আরও পড়ুনঃ  গাজীপুরে গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে, কাজ করেছে ফায়ার সার্ভিসের ৯ ইউনিট

এবারের তীর্থোৎসবে প্রধান পুরোহিত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ময়মনসিংহ ধর্মপ্রদেশের বিশপ পনেল পল কুবি সিএসসি।

১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত ধর্মপল্লী

প্রায় ৪২ একর জমির ওপর ১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বারোমারী সাধু লিওর ধর্মপল্লী। পরে ১৯৯৮ সাল থেকে স্থানটিকে বার্ষিক তীর্থস্থান হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। পর্তুগালের ফাতেমা নগরীর আদলে গড়ে ওঠা এই ধর্মপল্লী পাহাড়ের বুকে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থানে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বাড়ির আঙিনায় পাশাপাশি দাফন বাবা-মেয়ে, হাসপাতালে স্বজন হারানোর খবর জানেন না মা-ছেলে

আয়োজক কমিটির সমন্বয়ক ও বারোমারী মিশনের ফাদার তরুণ বানোয়ারী জানান, আবহাওয়া ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি অনুকূলে থাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব সম্পন্ন হওয়ার আশা করছেন তাঁরা। আয়োজনের প্রায় সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। বাকি কাজও এক-দুই দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা তীর্থস্থান পরিদর্শন করে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

নিরাপত্তায় চার শতাধিক পুলিশ ও এপিবিএন সদস্য

তীর্থোৎসবকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। পুরো ধর্মপল্লী গোয়েন্দা নজরদারির আওতায় থাকবে। পাশাপাশি সিসি ক্যামেরার মাধ্যমেও সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হবে।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জে পিকআপ-অটোভ্যান সংঘর্ষে বাবা-মেয়ের মৃত্যু

শেরপুরের পুলিশ সুপার মো. জহিরুল ইসলাম জানান, উৎসব ঘিরে পোশাকি ও সাদা পোশাকে চার শতাধিক পুলিশ ও এপিবিএন সদস্য মোতায়েন থাকবেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ২০০ জন থাকবেন এপিবিএনের সদস্য। এ ছাড়া এসআরবি ও বিজিবির নিয়মিত টহলও অব্যাহত থাকবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা উৎসবের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিতে পারবেন।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

আজকের শিক্ষার্থীরাই জাতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব: রাষ্ট্রপতি

শেরপুরের গারো পাহাড়ে ২৯-৩০ অক্টোবর তীর্থোৎসব, প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে

আপডেটের সময়: ০৭:৩৭:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

শেরপুরের গারো পাহাড়ে বারোমারী সাধু লিওর খ্রিস্টান ধর্মপল্লীতে আগামী ২৯ ও ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী ‘ফাতেমা রাণী মা মারিয়া’র ২৯তম তীর্থোৎসব। ‘মানবতার জননী ফাতেমা রাণী মা মারিয়া’ মূলসুরকে সামনে রেখে উৎসবের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। পুণ্যার্থীদের স্বাগত জানাতে বর্ণিল সাজে সাজানো হচ্ছে তীর্থস্থানটি।

আয়োজকদের আশা, এবারের তীর্থোৎসবেও দেশ-বিদেশের বিপুলসংখ্যক পুণ্যার্থী অংশ নেবেন। শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ে আয়োজিত এ ধর্মীয় সমাবেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ খ্রিস্টান তীর্থোৎসব হিসেবে পরিচিত।

প্রতি বছর শেরপুর, বৃহত্তর ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা এ আয়োজনে যোগ দেন। উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ আলোক শোভাযাত্রা। এ ছাড়া রয়েছে প্রার্থনা, নিশি জাগরণ, জীবন্ত ক্রুশের পথ ও মহাখ্রিস্টযোগসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান।

আরও পড়ুনঃ  জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীর হাতে সাইকেল, বিনামূল্যে চক্ষুসেবা পেলেন ৪ হাজার মানুষ

এবারের তীর্থোৎসবে প্রধান পুরোহিত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ময়মনসিংহ ধর্মপ্রদেশের বিশপ পনেল পল কুবি সিএসসি।

১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত ধর্মপল্লী

প্রায় ৪২ একর জমির ওপর ১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বারোমারী সাধু লিওর ধর্মপল্লী। পরে ১৯৯৮ সাল থেকে স্থানটিকে বার্ষিক তীর্থস্থান হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। পর্তুগালের ফাতেমা নগরীর আদলে গড়ে ওঠা এই ধর্মপল্লী পাহাড়ের বুকে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থানে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বাড়ির আঙিনায় পাশাপাশি দাফন বাবা-মেয়ে, হাসপাতালে স্বজন হারানোর খবর জানেন না মা-ছেলে

আয়োজক কমিটির সমন্বয়ক ও বারোমারী মিশনের ফাদার তরুণ বানোয়ারী জানান, আবহাওয়া ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি অনুকূলে থাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব সম্পন্ন হওয়ার আশা করছেন তাঁরা। আয়োজনের প্রায় সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। বাকি কাজও এক-দুই দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা তীর্থস্থান পরিদর্শন করে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

নিরাপত্তায় চার শতাধিক পুলিশ ও এপিবিএন সদস্য

তীর্থোৎসবকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। পুরো ধর্মপল্লী গোয়েন্দা নজরদারির আওতায় থাকবে। পাশাপাশি সিসি ক্যামেরার মাধ্যমেও সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হবে।

আরও পড়ুনঃ  কুমিল্লায় টিকটক-ফেসবুকে অস্ত্র বিক্রির প্রচার, যুবক আটক

শেরপুরের পুলিশ সুপার মো. জহিরুল ইসলাম জানান, উৎসব ঘিরে পোশাকি ও সাদা পোশাকে চার শতাধিক পুলিশ ও এপিবিএন সদস্য মোতায়েন থাকবেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ২০০ জন থাকবেন এপিবিএনের সদস্য। এ ছাড়া এসআরবি ও বিজিবির নিয়মিত টহলও অব্যাহত থাকবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা উৎসবের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিতে পারবেন।