
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নবম জাতীয় পে-স্কেল আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, জুন মাসের মধ্যে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে এটি কার্যকর করা হবে।
নতুন অর্থবছর ২০২৬–২৭-এর জন্য নবম পে-স্কেলের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ধাপে ধাপে বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী এই অর্থ বরাদ্দ করা হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা প্রস্তাবিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ পাবেন। পরের অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ যুক্ত হবে এবং ২০২৮–২৯ অর্থবছর থেকে পূর্ণ বেতন ও ভাতা কার্যকর হবে।
চলতি অর্থবছরে (২০২৫–২৬) সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন–ভাতার জন্য বরাদ্দ ছিল ৮৪,১১৪ কোটি টাকা। নবম বেতন কমিশনের সুপারিশ পূর্ণ বাস্তবায়িত হলে অতিরিক্ত প্রায় ১,০৬,০০০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে, ফলে মোট ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ১,৯০,০০০ কোটি টাকা।
কমিশন সর্বনিম্ন বেতন ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে ১,৬০,০০০ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে। পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রেও ২০–৪০ হাজার টাকার মধ্যে পেনশনধারীরা ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত, এবং ২০ হাজার টাকার কম পেনশনধারীরা প্রায় ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সুবিধা পাবেন। এছাড়া বয়সভেদে চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশও করা হয়েছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বর্তমান রাজস্ব পরিস্থিতিতে ধাপে ধাপে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নই বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত।
প্রতিবেদকের নাম 


























