ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দুর্গাপূজার নিরাপত্তা তদারকিতে আনসার-ভিডিপির মহাপরিচালক সারাদেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম আইভীর দুই আইনজীবীকে চার দিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি ১২ বছর পর চালু হলো চীন-উত্তর কোরিয়াকে সংযুক্তকারী সেতু ফুলে সাজানো গাড়িতে প্রিয় শিক্ষিকাকে বিদায় জানালেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা যশোরে মোটরসাইকেল-পিকআপ সংঘর্ষে দুই তরুণ-তরুণীর মৃত্যু ২০ অক্টোবর চট্টগ্রামের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপূজায় প্রতিটি মণ্ডপে প্রহরীর দায়িত্ব পালন করবেন বিএনপি নেতাকর্মীরা: রিজভী রিয়াদের বিমানবন্দরে ১৫ দিনে ২০ বার হামলার দাবি সৌদি জোটের নিরাপদ সড়ক গড়তে শিক্ষার্থীদেরও আইন মানতে হবে
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

আয়াসের জামিন শুনানিতে আদালতে তুলকালাম, বিচারকের সামনেই আইনজীবীদের হাতাহাতি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে কালি দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আল-নূর মোহাম্মদ আয়াস ও তাঁর সহযোগী মার্জিয়া খন্দকার রিমির জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার বিচারকের সামনেই রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিচারক এজলাস ছেড়ে খাসকামরায় চলে যান।

পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে এজলাসে ফিরে সংক্ষিপ্ত শুনানি শেষে আয়াস ও রিমির জামিন আবেদন নাকচ করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিয়াদ হাসান।

অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামিন শুনানিতে শুরু হয় হট্টগোল

বুধবার রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আয়াস ও মার্জিয়া খন্দকার রিমিকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক আব্দুল গাফফার হিমেল তাঁদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

আরও পড়ুনঃ  মানবতাবিরোধী অপরাধে ১০ বছরের সাজা, খালাস চেয়ে আপিল করলেন ইনু

কারাগারে আটক রাখার আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক অন্য আসামিদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং আসামিদের নাম-ঠিকানা যাচাইয়ের স্বার্থে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের কারাগারে রাখা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী মনির হোসেন আদালতকে বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ও মামলার ধারাগুলো সঠিক নয়। আয়াস অসুস্থ এবং মার্জিয়া খন্দকারের একটি সন্তান রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের জামিন দেওয়ার আবেদন জানান তিনি।

আইনজীবী আরও বলেন, আসামিদের মূল বক্তব্য ছিল ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে। দেয়ালে ভারতীয় শিল্পীদের ছবি থাকায় তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন এবং দেশের শিল্পীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।

দুই পক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা

শুনানির একপর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী আসামিদের আচরণ ও বক্তব্য নিয়ে আপত্তি জানান। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে কালি দেওয়ার পেছনে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে উসকানি দেওয়া এবং পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্য ছিল বলে তিনি মনে করেন।

আরও পড়ুনঃ  পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের দুই বছর: বিচারের মুখে ৪৮৮ জন

তিনি আরও অভিযোগ করেন, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে সরকার ও জনগণকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করছেন। এ সময় তিনি আসামিপক্ষের আইনজীবীদের নিয়েও মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে আসামিপক্ষের একজন আইনজীবী উচ্চ স্বরে কথা বলতে শুরু করেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং তাঁরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।

এ ঘটনায় আসামিপক্ষের আইনজীবী আল মহসিন তৌহিদের শার্টের বোতাম ছিঁড়ে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজলাস ছাড়েন বিচারক, পরে জামিন নামঞ্জুর

হাতাহাতির ঘটনায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটের দিকে বিচারক এজলাস ছেড়ে খাসকামরায় চলে যান। পরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী ও আসামিপক্ষের আইনজীবী মনির হোসেন পরিস্থিতি শান্ত করেন।

আরও পড়ুনঃ  শতাধিক গুম-খুনের মামলা: জিয়াউল আহসানের আইনজীবীদের জেরার মুখে তদন্ত কর্মকর্তা

বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে বিচারক আবার এজলাসে ফিরে আসেন। এরপর সংক্ষিপ্ত শুনানি শেষে আয়াস ও মার্জিয়া খন্দকার রিমির জামিন আবেদন নাকচ করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে কালি দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার

গত ১০ অক্টোবর শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে আঁকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে চুনকালি দিতে গিয়ে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আয়াসসহ চারজন গ্রেপ্তার হন। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, বিদ্বেষ ছড়ানো ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে মামলা করে পুলিশ।

পরদিন মামলায় আয়াসসহ দুজনের তিন দিন করে এবং অপর দুজনের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বুধবার আয়াস ও মার্জিয়া খন্দকার রিমিকে আদালতে হাজির করা হলে তাঁদের জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত আদালত তাঁদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

দুর্গাপূজার নিরাপত্তা তদারকিতে আনসার-ভিডিপির মহাপরিচালক

আয়াসের জামিন শুনানিতে আদালতে তুলকালাম, বিচারকের সামনেই আইনজীবীদের হাতাহাতি

আপডেটের সময়: ০৭:৩৫:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে কালি দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আল-নূর মোহাম্মদ আয়াস ও তাঁর সহযোগী মার্জিয়া খন্দকার রিমির জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার বিচারকের সামনেই রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিচারক এজলাস ছেড়ে খাসকামরায় চলে যান।

পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে এজলাসে ফিরে সংক্ষিপ্ত শুনানি শেষে আয়াস ও রিমির জামিন আবেদন নাকচ করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিয়াদ হাসান।

অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামিন শুনানিতে শুরু হয় হট্টগোল

বুধবার রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আয়াস ও মার্জিয়া খন্দকার রিমিকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক আব্দুল গাফফার হিমেল তাঁদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

আরও পড়ুনঃ  মানবতাবিরোধী অপরাধে ১০ বছরের সাজা, খালাস চেয়ে আপিল করলেন ইনু

কারাগারে আটক রাখার আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক অন্য আসামিদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং আসামিদের নাম-ঠিকানা যাচাইয়ের স্বার্থে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের কারাগারে রাখা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী মনির হোসেন আদালতকে বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ও মামলার ধারাগুলো সঠিক নয়। আয়াস অসুস্থ এবং মার্জিয়া খন্দকারের একটি সন্তান রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের জামিন দেওয়ার আবেদন জানান তিনি।

আইনজীবী আরও বলেন, আসামিদের মূল বক্তব্য ছিল ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে। দেয়ালে ভারতীয় শিল্পীদের ছবি থাকায় তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন এবং দেশের শিল্পীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।

দুই পক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা

শুনানির একপর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী আসামিদের আচরণ ও বক্তব্য নিয়ে আপত্তি জানান। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে কালি দেওয়ার পেছনে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে উসকানি দেওয়া এবং পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্য ছিল বলে তিনি মনে করেন।

আরও পড়ুনঃ  হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ

তিনি আরও অভিযোগ করেন, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে সরকার ও জনগণকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করছেন। এ সময় তিনি আসামিপক্ষের আইনজীবীদের নিয়েও মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে আসামিপক্ষের একজন আইনজীবী উচ্চ স্বরে কথা বলতে শুরু করেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং তাঁরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।

এ ঘটনায় আসামিপক্ষের আইনজীবী আল মহসিন তৌহিদের শার্টের বোতাম ছিঁড়ে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজলাস ছাড়েন বিচারক, পরে জামিন নামঞ্জুর

হাতাহাতির ঘটনায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটের দিকে বিচারক এজলাস ছেড়ে খাসকামরায় চলে যান। পরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী ও আসামিপক্ষের আইনজীবী মনির হোসেন পরিস্থিতি শান্ত করেন।

আরও পড়ুনঃ  শতাধিক গুম-খুনের মামলা: জিয়াউল আহসানের আইনজীবীদের জেরার মুখে তদন্ত কর্মকর্তা

বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে বিচারক আবার এজলাসে ফিরে আসেন। এরপর সংক্ষিপ্ত শুনানি শেষে আয়াস ও মার্জিয়া খন্দকার রিমির জামিন আবেদন নাকচ করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে কালি দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার

গত ১০ অক্টোবর শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে আঁকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে চুনকালি দিতে গিয়ে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আয়াসসহ চারজন গ্রেপ্তার হন। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, বিদ্বেষ ছড়ানো ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে মামলা করে পুলিশ।

পরদিন মামলায় আয়াসসহ দুজনের তিন দিন করে এবং অপর দুজনের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বুধবার আয়াস ও মার্জিয়া খন্দকার রিমিকে আদালতে হাজির করা হলে তাঁদের জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত আদালত তাঁদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।